ঢাকা, নভেম্বর ২২, ২০১৭, ৮ অগ্রহায়ন ১৪২৪
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » News & Events » রোহিঙ্গা নির্যাতন,আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা বিস্ময়কর?
বৃহস্পতিবার ● ৩১ আগস্ট ২০১৭, ৮ অগ্রহায়ন ১৪২৪
Email this News Print Friendly Version

রোহিঙ্গা নির্যাতন,আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা বিস্ময়কর?

এমডি জালাল,

---বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত এই জনগোষ্ঠী যুগ যুগ ধরে মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহানুভূতি কমই পেয়েছে তারা।মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্যাতন বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশটিতে শত শত বছর ধরে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর কয়েক লাখ সদস্য এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। যখনই রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গারা হামলার শিকার হয়েছে, তারা দলে দলে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এই আশ্রিত জনগোষ্ঠী যে একসময় আমাদের জন্য বহুমুখী সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। কয়েকদিন আগে সশস্ত্র হামলার পর রাখাইন রাজ্য অশান্ত হয়ে ওঠার জন্য দেশটির সরকার আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি নামের সংগঠনকে দায়ী করলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর নির্মমতা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যরা গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে।

সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় রাখাইনে শত শত রোহিঙ্গাকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে শোনা যাচ্ছে গুলির শব্দ আর মানুষের আর্তচিৎকার। এমনকি মাঝে মাঝে বোমার শব্দও শোনা যাচ্ছে। এছাড়া সীমান্তের ওপারে আকাশে কালো ধোঁয়া দেখে ফেলে আসা আপনজনের কথা ভেবে কাঁদতে দেখা গেছে অনেককে। এ ধরনের নির্যাতনের ফল কখনই ভালো হয় না। দেশটির সরকারি বাহিনীর উচিত সাম্প্রতিক সশস্ত্র হামলার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করা। তারা তা না করে নির্বিচারে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।

মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে সামরিক শাসন চলাকালে শাসকগোষ্ঠী নানা অজুহাতে রোহিঙ্গাসহ আরও কয়েকটি সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপকভাবে নির্যাতন চালিয়ে এসেছে। সম্প্রতি দেশটিতে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আশা করেছিল এবার হয়তো রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু তা হয়নি। মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অং সান সুচি দীর্ঘদিন গৃহবন্দি ছিলেন। বিশ্ববাসীর মনে এই ধারণা জন্মেছিল যে, তার বন্দিদশার অবসান হলে, দেশটিতে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হলে রেহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ হবে, তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু বিশ্ববাসী বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করল, সুচি এসব বিষয়ে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছেন না। এটা দুঃখজনক।

রাখাইনে গত এক বছরে পুলিশের ওপর দু’বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার জন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান পুরো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সে দেশের সঙ্গে মিলে সীমান্তে যৌথ অভিযান চালানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। মিয়ানমার এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া না দিলে এ সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। যেহেতু রোহিঙ্গারা দলে দলে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে, এ অবস্থায় বাংলাদেশের উচিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরা।


কিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া

এক সপ্তাহে মিয়ানমার থেকে ২৭হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে: জাতিসংঘ


এ বিভাগের আরো খবর...

জিম্বাবুয়ের জনরোষ, বিক্ষোভের কারন ফার্স্টলেডি গ্রেস মুগাবে? জিম্বাবুয়ের জনরোষ, বিক্ষোভের কারন ফার্স্টলেডি গ্রেস মুগাবে?
তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ ৩ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ ৩ ডিসেম্বর
৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড ৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড
দেশে ফিরলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হারিরি দেশে ফিরলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হারিরি
অবশেষে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবের পদত্যাগ অবশেষে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবের পদত্যাগ
মাঠে ফুটবল খেলে মাতালেন উপমন্ত্রী জয়! মাঠে ফুটবল খেলে মাতালেন উপমন্ত্রী জয়!
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা সই হবে-সু চি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা সই হবে-সু চি
সন্ত্রাসবাদের তালিকায় আবারো উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভুক্তি করল-ট্রাম্প সন্ত্রাসবাদের তালিকায় আবারো উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভুক্তি করল-ট্রাম্প
প্রশ্ন ফাঁস করে লাখপতি শিক্ষার্থী-সিআইডি প্রশ্ন ফাঁস করে লাখপতি শিক্ষার্থী-সিআইডি

সর্বাধিক পঠিত

জিম্বাবুয়ের জনরোষ, বিক্ষোভের কারন ফার্স্টলেডি গ্রেস মুগাবে? জিম্বাবুয়ের জনরোষ, বিক্ষোভের কারন ফার্স্টলেডি গ্রেস মুগাবে?
তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ ৩ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ ৩ ডিসেম্বর
৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড ৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড
দেশে ফিরলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হারিরি দেশে ফিরলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হারিরি
অবশেষে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবের পদত্যাগ অবশেষে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবের পদত্যাগ
মাঠে ফুটবল খেলে মাতালেন উপমন্ত্রী জয়! মাঠে ফুটবল খেলে মাতালেন উপমন্ত্রী জয়!
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা সই হবে-সু চি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা সই হবে-সু চি
শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে? শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে?
সন্ত্রাসবাদের তালিকায় আবারো উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভুক্তি করল-ট্রাম্প সন্ত্রাসবাদের তালিকায় আবারো উত্তর কোরিয়াকে অন্তর্ভুক্তি করল-ট্রাম্প
শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে?
কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া!
গেইল আর সাকিবের ঝড়
নোয়াখালীতে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত
কোহলির সেঞ্চুরির ফিফটি
বিগ বি’র নাতনি আরাধ্যর ষষ্ঠ জন্মদিন
হাসপাতাল লাশ জিম্মি করতে পারবে না : হাইকোর্ট
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে ?
রাজধানীতে মাদ্রাসাছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
শিরোপা জিতেই নিয়েছে বার্সা!