ঢাকা, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৭, ৪ পৌষ ১৪২৪
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের বিকল্প নেই?
মঙ্গলবার ● ৩১ অক্টোবর ২০১৭, ৪ পৌষ ১৪২৪
Email this News Print Friendly Version

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের বিকল্প নেই?

এমডি জালাল,

---রোহিঙ্গাদের ‘জাতিগত নিধন’ অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমার।দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি ইতিপূর্বে কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করা হবে জানালেও দেশটির সাম্প্রতিক বিবৃতিতে এ রিপোর্ট বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত বাদ দেয়া হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের আন্তরিকতার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।সংকট নিরসনে মিয়ানমারের গড়িমসির পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের জোরালো কূটনীতির বিকল্প নেই। দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের অপরিহার্যতা হয়ে পড়ছে । কেননা মিয়ানমার যাতে রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধ করে এবং তাদের মর্যাদার সঙ্গে ফিরিয়ে নেয় সেজন্য দেশটির ওপর নানামুখী নৈতিক আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও মিয়ানমার সরকারের রোহিঙ্গা দমননীতিতে কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। বরং দেখা যাচ্ছে, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার দু’মাস পেরিয়ে গেলেও রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা থামছে না। এতে বোঝা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক চাপ এবং বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনা ও নিন্দা সত্ত্বেও মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী একে মোটেই গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা তাদের রোহিঙ্গা উচ্ছেদের মিশন তথা এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।

আমরা মনে করি, অবস্থা যে পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে তাতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন আদায়ে জোরালো কূটনীতির আর কোনো বিকল্প নেই। মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ বলেই মনে হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারতের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাশিয়া ও চীনের অবস্থান এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের পক্ষে থাকায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে কোনো সুবিধা লাভের সম্ভাবনা কম। তবে সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অনুকূলে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তা যদি হয় তাহলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের জন্য এক ধরনের নৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে। আমরা জানি, ইতিমধ্যে ইইউ মিয়ানমারের ওপর সেনা কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ও সামরিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে নিষেধাজ্ঞার হুমকি। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এখন এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থাই প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসনবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী মন্ত্রী সায়মন হেনশোর নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দল বর্তমানে মিয়ানমারে অবস্থান করছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন মিয়ানমারের সেনাপ্রধানকে ফোন করে রাখাইনে সহিংসতা বন্ধের পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন বিষয়ে কথা বলার পরই এ প্রতিনিধি দল পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র। এতে ধারণা করা যায়, তাদের এ সফরের পর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নেবে তা স্পষ্ট হবে। এদিকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সরেজমিন দেখতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিকবিষয়ক কমিশনার ক্রিস্টোস স্টাইলিয়ানিডসের তিন দিনের সফরে সোমবার ঢাকায় আসার কথা। এ সফর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক হতে পারে। এ ছাড়া পোপ ফ্রান্সিসের আসন্ন মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর এবং মিয়ানমারে আসন্ন এশিয়া-ইউরোপ (আসেম) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমেও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।


আমেরিকান জিম্মি কেভিন কিং এর স্বাস্থ্যের অবস্থা অবনতি: তালিবান মুখপাত্র

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ উনেস্কো স্বীকৃতি পেলো


এ বিভাগের আরো খবর...

হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন?
চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত
হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার! হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার!
ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১
রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে
মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া
‘ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে’ যোগ দিতে প্যারিস পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ‘ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে’ যোগ দিতে প্যারিস পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
উন্নত জীবনের সন্ধানে, মানুষ আশ্রয় খুঁজছে, ইউরোপে উন্নত জীবনের সন্ধানে, মানুষ আশ্রয় খুঁজছে, ইউরোপে
জার্মানে যৌন খেলনার ইতিহাস সেক্সশপ সাম্রাজ্য জার্মানে যৌন খেলনার ইতিহাস সেক্সশপ সাম্রাজ্য
প্রতিবার ট্রেন দুর্ঘটনা শিশুদের ভূমিকা থাকে? প্রতিবার ট্রেন দুর্ঘটনা শিশুদের ভূমিকা থাকে?
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
যুক্তরাষ্ট্রের হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন,হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন,হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম এখন ঢাকায় তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম এখন ঢাকায়
মহিউদ্দিনের কুলখানিতে যেভাবে পদদলিতে নিহত হলো ১০ জন মহিউদ্দিনের কুলখানিতে যেভাবে পদদলিতে নিহত হলো ১০ জন
সৌদি যুবরাজের দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, বিদেশে বিলাসী জীবন সৌদি যুবরাজের দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, বিদেশে বিলাসী জীবন
সমস্যায় ভুগছেন রানী সমস্যায় ভুগছেন রানী
হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন?
চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত
হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার!
ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১
রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে
মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া
‘ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে’ যোগ দিতে প্যারিস পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী