ঢাকা, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৭, ৪ পৌষ ১৪২৪
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » News & Events » রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে ?
সোমবার ● ২০ নভেম্বর ২০১৭, ৪ পৌষ ১৪২৪
Email this News Print Friendly Version

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে ?

এম ডি জালাল,

---রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ এবং কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রাখতে হবে। বিদেশি প্রতিনিধিদের পরিদর্শন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখতে হবে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুর্ভোগ দেখা ও চলমান এ সংকট সমাধানে সহায়তার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করেছে। শনিবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। একইদিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধি দলটি মিয়ানমারও সফর করে রোহিঙ্গা নির্যাতনের তথ্য দেশটির কংগ্রেসে তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে। গতকাল রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন জাপান, জার্মানি ও নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তাদের সঙ্গে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধানও ছিলেন। চীনসহ বিদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের এ সফর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে আজ ও আগামীকাল দুই দিনব্যাপী আসেম সম্মেলননে যোগ দিচ্ছেন এসব প্রতিনিধি। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তারা সেখানে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারেন।

---রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দেয়া চীনের সংকট সমাধানে সহায়তার প্রস্তাব দেয়া ইতিবাচক বলা যায়। তবে দেশটি আন্তর্জাতিক চাপের পরিবর্তে দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধানে জোর দিয়েছে। আমরা মনে করি, দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি, একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক চাপ এবং কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, ১৯৯২ সালের দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা ইতিবাচক কোনো ফল বয়ে আনেনি। এর আগে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ থার্ড কমিটিতে সংকট সমাধানে চীন ও রাশিয়াসহ আমাদের কিছু বন্ধুদেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। ভোটদানে বিরত থাকে ভারত, জাপানসহ পরীক্ষিত আরও কিছু বন্ধুরাষ্ট্র।এসব দেশ রোহিঙ্গাদের নিপীড়ন, নির্যাতন রোধ ও সংকট সমাধানের পক্ষে থাকলেও আন্তর্জাতিক ফোরামে তার প্রতিফলন কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। দেশগুলো যে কোনো উদ্যোগের সরাসরি পক্ষে না এলেও বিরোধিতা যেন না করে, অন্তত নিরপেক্ষ থাকে সে প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।

চীন-ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থনের পরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়া অনেকটা ‘অপারেশন সাকসেস; কিন্তু রোগী মারা গেছে’র মতোই। রোহিঙ্গা সংকটের দায় পুরোপুরি মিয়ানমারের এবং তারা দেশটিরই নাগরিক, অথচ নিকট প্রতিবেশী হওয়াতে তার সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের। বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝানো সম্ভব হয়েছে। সর্বশেষ চীনও সমাধানের আগ্রহ ও নিরাপত্তা পরিষদের সহায়তার ওপর জোর দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার ব্যাপারে বিদেশি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে এটাই কাম্য।


ব্যাপক চাপের মাঝেও,পদত্যাগ করবেন না মুগাবে?

অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান পঙ্কজ রায় গ্রেপ্তার


এ বিভাগের আরো খবর...

হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন?
চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত
হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার! হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার!
২০২১ সালে শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পারবে কি সরকার? ২০২১ সালে শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পারবে কি সরকার?
ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১
রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে
মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া

সর্বাধিক পঠিত

হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
উন্নত জীবনের সন্ধানে, মানুষ আশ্রয় খুঁজছে, ইউরোপে উন্নত জীবনের সন্ধানে, মানুষ আশ্রয় খুঁজছে, ইউরোপে
জার্মানে যৌন খেলনার ইতিহাস সেক্সশপ সাম্রাজ্য জার্মানে যৌন খেলনার ইতিহাস সেক্সশপ সাম্রাজ্য
প্রতিবার ট্রেন দুর্ঘটনা শিশুদের ভূমিকা থাকে? প্রতিবার ট্রেন দুর্ঘটনা শিশুদের ভূমিকা থাকে?
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
যুক্তরাষ্ট্রের হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন,হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন,হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম এখন ঢাকায় তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম এখন ঢাকায়
মহিউদ্দিনের কুলখানিতে যেভাবে পদদলিতে নিহত হলো ১০ জন মহিউদ্দিনের কুলখানিতে যেভাবে পদদলিতে নিহত হলো ১০ জন
সৌদি যুবরাজের দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, বিদেশে বিলাসী জীবন সৌদি যুবরাজের দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, বিদেশে বিলাসী জীবন
সমস্যায় ভুগছেন রানী সমস্যায় ভুগছেন রানী
হাঁপানি ও অ্যালার্জি এড়াতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চাই
হাতিরঝিলে নির্মিত হচ্ছে দৃস্টিনন্দন ঢাকা অপেরা হাউস
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি ফি সহনীয় পরিমাণে নির্ধারণ করুন?
চুক্তি অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা ফেরত: বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেট হারিয়েই সিরিজ জিতল: ভারত
হোটেল থেকে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার!
ঢাকা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১
রাশিয়া ও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চলছে
মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন ভাসানী: খালেদা জিয়া
‘ওয়ান প্ল্যানেট সামিটে’ যোগ দিতে প্যারিস পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী