ঢাকা, জুলাই ১৯, ২০১৮, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » আইন-আদালত » হঠাৎ থেমে গেল কেন মানবতাবিরোধীদের বিচার?
শনিবার ● ৬ জানুয়ারী ২০১৮, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

হঠাৎ থেমে গেল কেন মানবতাবিরোধীদের বিচার?

---বিবিসি২৪নিউজ,মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সংশ্লিষ্টতা আছে এমন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। চিঠির সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের ৫৬১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকাও দেওয়া হয়। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিদ্যমান আইনে এ কাজটি করা না গেলে প্রয়োজনে আইন পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছিল। দেশে বিদ্যমান আইনে কাজটি কতটুকু করা সম্ভব সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরুও করেছিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু পরবর্তীতে এ উদ্যোগের আর কোনও অগ্রগতি নেই। বরং এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইন, অর্থ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই সরকারের নীতি নির্ধারণী মহল থেকে এটি দেখভাল করা হচ্ছে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্টদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে শুরু করে। এর অংশ হিসেবে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, দফতরসহ সব গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কাছ থেকেও সহায়তা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ওই কমিটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয় এখন কিছুই করছে না। এ বিষয়ে কবে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে সে বিষয়েও আমি জানি না। আমি এ বিভাগে যোগদানের পর কোনও নির্দেশনা পাইনি।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার যখন যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা বাস্তবায়ন করে। যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করা হবে। এসব বিষয়ে কাজ চলছে।’

এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি।
নতুন আইন করার বিষয়ে জানতে চাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোহম্মদ জহিরুল হক বলেন, ‘এটি স্পর্শকাতর বিষয়। তাই খোলাখুলিভাবে কিছু বলা যাবে না।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। ওই চিঠিতে জামায়াত ও শিবির পরিচালিত ব্যাংক-বীমাসহ সেবামূলক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবির পরিচালিত ৫৬১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এ কাজে চারটি গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। যাদের মধ্যে একটি গোয়েন্দা সংস্থার ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

সরকার মনে করে, ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে জামায়াত ও শিবিরকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের একটি বড় অংশ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কাজে সক্রিয় রয়েছে।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে জামায়াতের মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ নজরদারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই নির্দেশে বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণকারী অন্য সরকারি সংস্থাগুলোকেও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় জামায়াতে ইসলামীর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থায়ন সরকারের উদ্বেগের কারণ। তাই সংগঠনটির মালিকানাধীন ব্যাংক এবং লাভজনক সব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন ও আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি নিশ্চিত করা আবশ্যক।

এরপর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর আবারও জামায়াত নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।


শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে দেশ-রাজশাহী-চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রিতে

হাসিনা সরকারের বিদায় দিন গণনা শুরু হয়েছে: রিজভী


এ বিভাগের আরো খবর...

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত

সর্বাধিক পঠিত

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া! ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে-গুতেরেস
শিশু মৃত্যু দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন?
প্রকল্প বাস্তবায়নে-দুর্নীতির দিকে নজর দিন?
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- আমলে নিন?
আর্জেন্টিনা ১-০ নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ০-০ আইসল্যান্ড
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?