ঢাকা, এপ্রিল ২৬, ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » আইন-আদালত » হঠাৎ থেমে গেল কেন মানবতাবিরোধীদের বিচার?
শনিবার ● ৬ জানুয়ারী ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

হঠাৎ থেমে গেল কেন মানবতাবিরোধীদের বিচার?

---বিবিসি২৪নিউজ,মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সংশ্লিষ্টতা আছে এমন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। চিঠির সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের ৫৬১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকাও দেওয়া হয়। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিদ্যমান আইনে এ কাজটি করা না গেলে প্রয়োজনে আইন পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছিল। দেশে বিদ্যমান আইনে কাজটি কতটুকু করা সম্ভব সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরুও করেছিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু পরবর্তীতে এ উদ্যোগের আর কোনও অগ্রগতি নেই। বরং এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইন, অর্থ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই সরকারের নীতি নির্ধারণী মহল থেকে এটি দেখভাল করা হচ্ছে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্টদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে শুরু করে। এর অংশ হিসেবে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, দফতরসহ সব গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কাছ থেকেও সহায়তা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ওই কমিটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয় এখন কিছুই করছে না। এ বিষয়ে কবে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে সে বিষয়েও আমি জানি না। আমি এ বিভাগে যোগদানের পর কোনও নির্দেশনা পাইনি।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার যখন যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা বাস্তবায়ন করে। যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করা হবে। এসব বিষয়ে কাজ চলছে।’

এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি।
নতুন আইন করার বিষয়ে জানতে চাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোহম্মদ জহিরুল হক বলেন, ‘এটি স্পর্শকাতর বিষয়। তাই খোলাখুলিভাবে কিছু বলা যাবে না।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। ওই চিঠিতে জামায়াত ও শিবির পরিচালিত ব্যাংক-বীমাসহ সেবামূলক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবির পরিচালিত ৫৬১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এ কাজে চারটি গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। যাদের মধ্যে একটি গোয়েন্দা সংস্থার ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

সরকার মনে করে, ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে জামায়াত ও শিবিরকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের একটি বড় অংশ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কাজে সক্রিয় রয়েছে।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে জামায়াতের মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ নজরদারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই নির্দেশে বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণকারী অন্য সরকারি সংস্থাগুলোকেও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় জামায়াতে ইসলামীর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থায়ন সরকারের উদ্বেগের কারণ। তাই সংগঠনটির মালিকানাধীন ব্যাংক এবং লাভজনক সব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন ও আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি নিশ্চিত করা আবশ্যক।

এরপর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর আবারও জামায়াত নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।


শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে দেশ-রাজশাহী-চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রিতে

হাসিনা সরকারের বিদায় দিন গণনা শুরু হয়েছে: রিজভী


এ বিভাগের আরো খবর...

এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন! এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন!
ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ
শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস
চীনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা! চীনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা!
তারেকের পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই তারেকের পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই
শীঘ্রই রাখাইন পরিদর্শনে যাচ্ছে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল শীঘ্রই রাখাইন পরিদর্শনে যাচ্ছে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল
রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৪ লাখ টন ত্রাণ, ৪৫৯ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা! রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৪ লাখ টন ত্রাণ, ৪৫৯ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা!
এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ
হুমকি দিয়ে লাভ নেই, আ’ লীগ ভয় পায় না হুমকি দিয়ে লাভ নেই, আ’ লীগ ভয় পায় না

সর্বাধিক পঠিত

এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন! এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন!
চতুর্থ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে সূচক চতুর্থ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে সূচক
ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার
বাংলাদেশ কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ২০-০ গোলে বড় জয়! বাংলাদেশ কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ২০-০ গোলে বড় জয়!
ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ
ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার! ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার!
শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন? সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন?
জলবায়ু ও দখলের কারণেই নদীগুলো মৃত জলবায়ু ও দখলের কারণেই নদীগুলো মৃত
পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস
অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে
বিড়ি শিল্পে তামাকের ভয়াবহতা আর শিশুশ্রম বাড়ছে
প্লাস্টিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, খাবারে ঢুকে পড়ছে প্লাস্টিক !
শিক্ষাকে কখনো পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়
রেল যোগাযোগ ঝুঁকিমুক্ত করার পদক্ষেপ নিন
এডিবির পর্যবেক্ষণ বলছে-বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করতে হবে
কাশ্মীরের ধর্ষণ ও হত্যা দিল্লিতে পৌঁছায়িন কেন?
রোহিঙ্গা পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে নিয়েছে: মিয়ানমার
জলবায়ু পরিবর্তনে বন্যা এবং সাইক্লোনের প্রবণতা বেড়ে যাবে
কোটা আন্দোলনকারীদের জয় হলেও মেধাবীরা কতটুকু সুযোগ পাবে?