ঢাকা, এপ্রিল ২৬, ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক » পাকিস্তান ‘শেখ মুজিবুর রহমানকে বিদ্রোহী বানিয়ে ছিল : নওয়াজ শরিফ
মঙ্গলবার ● ৯ জানুয়ারী ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

পাকিস্তান ‘শেখ মুজিবুর রহমানকে বিদ্রোহী বানিয়ে ছিল : নওয়াজ শরিফ

---বিবিসি২৪নিউজ, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পটভূমি ছিল,বছরের পর বছর ‘নিপীড়ন’ করে তাকে ‘বিদ্রোহের দিকে’ ঠেলে দেওয়া রাষ্ট্র কর্তৃক তাকে ‘একঘরে’ করে ফেলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন হতে বাধ্য করা হয়েছিল। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে পাঞ্জাব হাউসে জড়ো হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ভোটে নির্বাচিত জনপ্রিয় নেতাদের কাছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তর না করার পরিণতি নিয়ে কথা বলেন নওয়াজ। তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান (বঙ্গবন্ধু) বিদ্রোহী ছিলেন না, কিন্তু তাকে বানানো হয়েছে।’

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিন বার উৎখাত হওয়া নওয়াজ এর আগেও ১৯৭১ সালকে ঠেনে এনেছিলেন। পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নাম উঠে আসার পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রধানমন্ত্রীত্বের অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার পরও প্রসঙ্গটি সামনে এনেছিলেন।

নওয়াজ বলেন, ‘কিন্তু আমি এইসব ক্ষত ভুলে যাবো না। যেখানে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না সেখানে আমি এসব ক্ষতকে নিয়ে যেতে চাই না। আমার সঙ্গে ও দেশের ইতিহাসে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে যা ঘটেছে তা সঠিক ছিল না। দেশ সেবার জন্য জাতির কাছ থেকে এ কোন ধরনের প্রতিদান?’

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানিয়ে নওয়াজ এই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িতদের তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করা ও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণের এই পর্যায়ে নওয়াজ আবারও পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে ফিরে আসেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সৃষ্টিতে বাঙালিদের একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে সঠিক আচরণ করিনি এবং আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সৃষ্টি নিয়ে বিচারপতি হামুদুর রহমান কমিশন একটি সততাপূর্ণ ও স্পষ্ট পর্যালোচনা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু আমরা তা পড়েই দেখিনি।’

শরিফ বলেন, ‘আমরা কি তা অনুসারে কাজ করেছি, করলে আজকের পাকিস্তান অন্যরকম হতো। যে ধরনের খেলা চলছে তা তা হতো না।’বিচারপতিদের ‘আইনি একনায়কত্ব’ রয়েছে এবং তারাই ‘এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছেন’।বিচারকরাই দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে।


মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন পাস

পুলিশের বাজট হোক এক হাজার কোটি টাকা-আইজিপি


এ বিভাগের আরো খবর...

তারেক ব্রিটেনের আইন মোতাবেক বসবাস করছেন- রিজভী তারেক ব্রিটেনের আইন মোতাবেক বসবাস করছেন- রিজভী
এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন! এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন!
ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ
শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস পরমাণু সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- গুতেরেস
চীনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা! চীনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা!
তারেকের পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই তারেকের পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই
শীঘ্রই রাখাইন পরিদর্শনে যাচ্ছে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল শীঘ্রই রাখাইন পরিদর্শনে যাচ্ছে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল
রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৪ লাখ টন ত্রাণ, ৪৫৯ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা! রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৪ লাখ টন ত্রাণ, ৪৫৯ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা!
এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ

সর্বাধিক পঠিত

তারেক ব্রিটেনের আইন মোতাবেক বসবাস করছেন- রিজভী তারেক ব্রিটেনের আইন মোতাবেক বসবাস করছেন- রিজভী
এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন! এই মাসে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ফের আন্দোলন!
চতুর্থ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে সূচক চতুর্থ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে সূচক
ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার
বাংলাদেশ কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ২০-০ গোলে বড় জয়! বাংলাদেশ কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ২০-০ গোলে বড় জয়!
ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ ইসির সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক আজ
ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার! ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার!
শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন? সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন?
জলবায়ু ও দখলের কারণেই নদীগুলো মৃত জলবায়ু ও দখলের কারণেই নদীগুলো মৃত
অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে
বিড়ি শিল্পে তামাকের ভয়াবহতা আর শিশুশ্রম বাড়ছে
প্লাস্টিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, খাবারে ঢুকে পড়ছে প্লাস্টিক !
শিক্ষাকে কখনো পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়
রেল যোগাযোগ ঝুঁকিমুক্ত করার পদক্ষেপ নিন
এডিবির পর্যবেক্ষণ বলছে-বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করতে হবে
কাশ্মীরের ধর্ষণ ও হত্যা দিল্লিতে পৌঁছায়িন কেন?
রোহিঙ্গা পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে নিয়েছে: মিয়ানমার
জলবায়ু পরিবর্তনে বন্যা এবং সাইক্লোনের প্রবণতা বেড়ে যাবে
কোটা আন্দোলনকারীদের জয় হলেও মেধাবীরা কতটুকু সুযোগ পাবে?