ঢাকা, জুন ২০, ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন » ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর ব্যাপারে কেন এ উদাসীনতা?
মঙ্গলবার ● ১৩ মার্চ ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর ব্যাপারে কেন এ উদাসীনতা?

ভবন ধসেবিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিনিধি:দেশে প্রতিনিয়তই ভবন পড়ছে। ভবন ধসে হতাহতের ঘটনা কম নয়। তবু থামছে না ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহার। দুঃখের বিষয়, ভবনের ত্রুটি সংশোধন না করেই পোশাক কারখানার স্থলে অন্য প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে। দেখা যাচ্ছে, ত্রুটিপূর্ণ এসব ভবনে কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য অংশ কর্মী কাজ করছে। তাদের জীবন প্রতিনিয়ত বিপদের সম্মুখীন।ভূমিকম্পের মতো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সর্বাগ্রে ধসে পড়বে এসব ভবন। কাজেই বিপুলসংখ্যক মানুষকে বিপদাপন্ন অবস্থায় রেখে ত্রুটিপূর্ণ ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলতে দেয়া মোটেই নিরাপদ নয়। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই এসব ভবনে যেকোনো ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা জরুরি। এক্ষেত্রে রাজউক ও চউকের সক্রিয়তা কাম্য।

এমন নয় যে, ভবনগুলোর ত্রুটি চিহ্নিত হয়নি। রানা প্লাজা ধসের পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে পোশাক কারখানা পরিদর্শনকালে ভবনগুলোর স্থাপত্য ত্রুটি বেশ আগেই নজরে আসে সরকারি ও বেসরকারি কর্তৃপক্ষের। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ছিল, ত্রুটিগুলো সংশোধন করার পর ভবনগুলোয় বাণিজ্যিক ব্যবহার সচল রাখা। অথচ যথাযথভাবে ত্রুটি সংশোধন না করেই বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে চিহ্নিত হওয়া ১৬৩টি ভবনের অধিকাংশেই। এর মধ্যে অনেক ভবন মালিক পোশাক কারখানার বদলে অন্য খাতের কারখানার উৎপাদনকাজে ভবন ভাড়া দিচ্ছেন। অনেকে আবার ত্রুটির বিষয়টি গোপন রেখে অন্য পোশাক কারখানা মালিককে দিচ্ছেন ফ্লোর ভাড়া। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। সুতরাং এক্ষেত্রে ভবন মালিককে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের তদারকি ও নজরদারি বাড়ানোও জরুরি।

কথা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর ব্যাপারে কেন এ উদাসীনতা? কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে? এটা একটা নিয়মে পরিণত হয়েছে যে, দুর্ঘটনা ঘটার পর পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়, অতঃপর কর্তৃপক্ষ হয়তো সামান্য গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না এবং কিছুদিন পর আবার শঙ্কায় থাকতে হয় নতুন দুর্ঘটনার। এ নিয়ম ভাঙা জরুরি। আশার কথা, সম্প্রতি সরকারের জাতীয় ত্রিপক্ষীয় কমিটির সভায় সচল থাকা ত্রুটিপূর্ণ ভবনগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে অনুযায়ী রাজউক ও চউককে নাকি ভবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অনুরোধ করা হবে। প্রত্যাশা থাকবে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম রোধে কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে।


প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুর সফর সংক্ষিপ্ত করলেন

নিম্নমুখী বাজারেও কেনাবেচা বেড়েছে


এ বিভাগের আরো খবর...

অভিবাসী শিশুদের সমালোচনার মুখোমুখি- ট্রাম্প অভিবাসী শিশুদের সমালোচনার মুখোমুখি- ট্রাম্প
শিগগিরই উ. কোরিয়া সফর করবেন- পম্পেও শিগগিরই উ. কোরিয়া সফর করবেন- পম্পেও
গাজীপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার গাজীপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার
মৌলভীবাজারে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার! মৌলভীবাজারে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার!
ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩ ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩
মালয়েশিয়ার রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ
প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী
আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়
বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে আসবে- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে আসবে- যুক্তরাষ্ট্র

সর্বাধিক পঠিত

অভিবাসী শিশুদের সমালোচনার মুখোমুখি- ট্রাম্প অভিবাসী শিশুদের সমালোচনার মুখোমুখি- ট্রাম্প
শিগগিরই উ. কোরিয়া সফর করবেন- পম্পেও শিগগিরই উ. কোরিয়া সফর করবেন- পম্পেও
গাজীপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার গাজীপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার
মৌলভীবাজারে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার! মৌলভীবাজারে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার!
ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩ ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩
দর্শকের কান্না দেখে আমিও কেঁদেছি? দর্শকের কান্না দেখে আমিও কেঁদেছি?
মালয়েশিয়ার রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ
প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী
আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়
বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?
টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে মহাসড়কে পদক্ষেপ নিন
হাইকোর্টে ১৮ অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ
বাংলাদেশে দু’কোটি মানুষ আর্সেনিকের ঝুঁকিতে?
প্রধানমন্ত্রীকে ২০৪১সাল পর্যন্ত ভারতের পূর্ণ সমর্থনের কারন কি?
‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?
অসহনীয় যানজট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন?