ঢাকা, মে ২৩, ২০১৮, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন » শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
বৃহস্পতিবার ● ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে

বধিরবিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, মানুষের শব্দগ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪০-৫০ ডেসিবল। পরিবেশ অধিদফতরের গত বছরের জরিপে দেখা যায়, দেশের বিভাগীয় শহরগুলোয় শব্দের মানমাত্রা ১৩০ ডেসিবল ছাড়িয়ে গেছে, যা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে আড়াই থেকে তিনগুণ বেশি।শব্দদূষণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আগে উঠে এসেছে, রাজধানীর পল্টন, শাহবাগ ও ফার্মগেট, মতিঝিল, রামপুরাসহ কয়েকটি এলাকার নাম।রাজধানীর বনানী আবাসিক এলাকাটি নীরব এলাকা হিসেবে পরিবেশ অধিদফতরে তালিকাভুক্ত হলেও এখানে যানবাহনের হর্নের শব্দে এক স্থানে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয় না।তবে রাজধানীসহ পুরো দেশের অবস্থা অনেকটা এমনই।

যানবাহনের হর্ন, ভবনের নির্মাণকাজ, কলকারখানা এবং মাইকিংয়ে শব্দদূষণ ছড়ায়। বিশেষ করে সিগন্যালগুলোতে একসঙ্গে কয়েকশ গাড়ি হর্ন বাজানোকে শব্দদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন পথচারীরা।মাত্রাতিরিক্ত শব্দের কারণে ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে বলে পরিবেশ অধিদফতরের সাম্প্রতিক জরিপে উঠে আসে।সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ফুসফুসজনিত জটিলতা, মস্তিষ্ক বিকৃতি, স্মরণশক্তি হ্রাস, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা।

এক্ষেত্রে শিশু ও প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে জানান পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সুলতান আহমেদ। এক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।শব্দদূষণ প্রতিরোধে ২০০৬ সালের বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও সেটি রয়েছে শুধু কাগজকলমে।

বিধি অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপাসনালয়ের সামনে এবং আবাসিক এলাকায় হর্ন বাজানো, মাইকিং করা সেই সঙ্গে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে জোরে শব্দ সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয়। তবে সেই আইনের কোনো প্রয়োগ নেই।শব্দদূষণের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার পেছনে একেই প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে।


সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন?

ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার!


এ বিভাগের আরো খবর...

চীন-উত্তর কোরীয় সীমান্তে কড়া নজরদারির আহবান ট্রাম্পের চীন-উত্তর কোরীয় সীমান্তে কড়া নজরদারির আহবান ট্রাম্পের
প্রাথমিকে ট্রাফিক আইন শিক্ষার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিকে ট্রাফিক আইন শিক্ষার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ডিজিটালআইন নিয়ে উদ্বেগ দূর করার প্রতিশ্রুতি ডিজিটালআইন নিয়ে উদ্বেগ দূর করার প্রতিশ্রুতি
বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী জুলাইয়ে বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী জুলাইয়ে
অর্থপাচারের অভিযোগে নাজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ অর্থপাচারের অভিযোগে নাজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ
তদন্তেই প্রকৃত সত্য বের হবে- এ কে আজাদ তদন্তেই প্রকৃত সত্য বের হবে- এ কে আজাদ
ডিজিটাল আইনে অসঙ্গতি দূর করার আশ্বাস? ডিজিটাল আইনে অসঙ্গতি দূর করার আশ্বাস?
পাল্টা আক্রমণ করায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাল্টা আক্রমণ করায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পদ্মাসেতুর রেলসংযোগসহ ১৬ প্রকল্পের অনুমোদন পদ্মাসেতুর রেলসংযোগসহ ১৬ প্রকল্পের অনুমোদন
ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে- কাদের ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে- কাদের

সর্বাধিক পঠিত

চীন-উত্তর কোরীয় সীমান্তে কড়া নজরদারির আহবান ট্রাম্পের চীন-উত্তর কোরীয় সীমান্তে কড়া নজরদারির আহবান ট্রাম্পের
প্রাথমিকে ট্রাফিক আইন শিক্ষার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিকে ট্রাফিক আইন শিক্ষার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ডিজিটালআইন নিয়ে উদ্বেগ দূর করার প্রতিশ্রুতি ডিজিটালআইন নিয়ে উদ্বেগ দূর করার প্রতিশ্রুতি
বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী জুলাইয়ে বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী জুলাইয়ে
অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই
অর্থপাচারের অভিযোগে নাজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ অর্থপাচারের অভিযোগে নাজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ
দুই মামলায় খালেদার জামিন শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি দুই মামলায় খালেদার জামিন শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি
পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে! পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে!
সুহানার ১৮ তম জন্মদিনে শাহরুখ-গৌরির বিশেষ পরিকল্পনা! সুহানার ১৮ তম জন্মদিনে শাহরুখ-গৌরির বিশেষ পরিকল্পনা!
তদন্তেই প্রকৃত সত্য বের হবে- এ কে আজাদ তদন্তেই প্রকৃত সত্য বের হবে- এ কে আজাদ
অসহনীয় যানজট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন?
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশযাত্রা বাংলাদেশের জন্য মাইলফলক
বন জলবায়ু আলোচনায় যে সিদ্ধান্ত হয়েছে
জলবায়ু পরিবর্তনে প্যারিস চুক্তির সাথে চারশো বড় কোম্পানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে
আবারও অশান্ত হয়ে উঠছে পাহাড়ি এলাকা?
কিম-মুনের ঐতিহাসিক বৈঠক-গোটা বিশ্বে এটি শান্তির পরিবেশ তৈরি করবে!
অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে
বিড়ি শিল্পে তামাকের ভয়াবহতা আর শিশুশ্রম বাড়ছে
প্লাস্টিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, খাবারে ঢুকে পড়ছে প্লাস্টিক !
শিক্ষাকে কখনো পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়