ঢাকা, জানুয়ারী ২২, ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন » শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে
বৃহস্পতিবার ● ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ৯ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

শব্দদূষণে বধির হওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে

বধিরবিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, মানুষের শব্দগ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪০-৫০ ডেসিবল। পরিবেশ অধিদফতরের গত বছরের জরিপে দেখা যায়, দেশের বিভাগীয় শহরগুলোয় শব্দের মানমাত্রা ১৩০ ডেসিবল ছাড়িয়ে গেছে, যা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে আড়াই থেকে তিনগুণ বেশি।শব্দদূষণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আগে উঠে এসেছে, রাজধানীর পল্টন, শাহবাগ ও ফার্মগেট, মতিঝিল, রামপুরাসহ কয়েকটি এলাকার নাম।রাজধানীর বনানী আবাসিক এলাকাটি নীরব এলাকা হিসেবে পরিবেশ অধিদফতরে তালিকাভুক্ত হলেও এখানে যানবাহনের হর্নের শব্দে এক স্থানে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয় না।তবে রাজধানীসহ পুরো দেশের অবস্থা অনেকটা এমনই।

যানবাহনের হর্ন, ভবনের নির্মাণকাজ, কলকারখানা এবং মাইকিংয়ে শব্দদূষণ ছড়ায়। বিশেষ করে সিগন্যালগুলোতে একসঙ্গে কয়েকশ গাড়ি হর্ন বাজানোকে শব্দদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন পথচারীরা।মাত্রাতিরিক্ত শব্দের কারণে ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে বলে পরিবেশ অধিদফতরের সাম্প্রতিক জরিপে উঠে আসে।সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ফুসফুসজনিত জটিলতা, মস্তিষ্ক বিকৃতি, স্মরণশক্তি হ্রাস, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা।

এক্ষেত্রে শিশু ও প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে জানান পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সুলতান আহমেদ। এক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।শব্দদূষণ প্রতিরোধে ২০০৬ সালের বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও সেটি রয়েছে শুধু কাগজকলমে।

বিধি অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপাসনালয়ের সামনে এবং আবাসিক এলাকায় হর্ন বাজানো, মাইকিং করা সেই সঙ্গে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে জোরে শব্দ সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয়। তবে সেই আইনের কোনো প্রয়োগ নেই।শব্দদূষণের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার পেছনে একেই প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে।


সঞ্জয়ের বায়োপিকের নাম ‘দত্ত’ থেকে ‘সঞ্জু’ কেন?

ধোনির জয়,কোহলির বেঙ্গালুরুর হার!


এ বিভাগের আরো খবর...

বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী
রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪ রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪
ওবায়দুল কাদের সর্বকালের ব্যর্থ একজন সড়কমন্ত্রী- রিজভী ওবায়দুল কাদের সর্বকালের ব্যর্থ একজন সড়কমন্ত্রী- রিজভী
ছিন্নমূল শিশুরা শিক্ষার অধিকার কতটা পাচ্ছে ! ছিন্নমূল শিশুরা শিক্ষার অধিকার কতটা পাচ্ছে !
ডিএনসিসির মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বিকালে- সিইসি ডিএনসিসির মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বিকালে- সিইসি
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
এরশাদ সুস্থ আছেন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে- জাপা এরশাদ সুস্থ আছেন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে- জাপা
উপজেলা নির্বাচনের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি? উপজেলা নির্বাচনের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি?
প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছে- প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছে- প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল
কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন
ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন
শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত
বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে
বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব
অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী
রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪ রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে