ঢাকা, জানুয়ারী ২২, ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » অসহনীয় যানজট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন?
রবিবার ● ২০ মে ২০১৮, ৯ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

অসহনীয় যানজট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন?

---এম ডি জালাল: বাংলাদেশের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। মহাসড়কে যানজট সমস্যার সমাধান না হলে নিত্যপণ্যের মূল্যের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে। রাজধানীর যানজট বর্তমানে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, কোনো যানবাহনের যে দূরত্ব ত্রিশ মিনিটে অতিক্রম করার কথা, কখনও কখনও সেই দূরত্ব দুই বা তিন ঘণ্টায়ও অতিক্রম করা সম্ভব হয় না।

সড়ক ব্যবস্থাপনার ত্র“টিসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া না হলে এই অসহনীয় পরিস্থিতি রমজান মাসে আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।
এতে জনদুর্ভোগ বাড়বে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন স্থানে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ইতিমধ্যে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যানজট নিরসনে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও এসব প্রকল্পের সুফল দৃশ্যমান হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া না হলে কয়েক বছর পর রাজধানীতে চলাচলকারী যানবাহনের গতি মানুষের হাঁটার গতির চেয়েও কমে যাবে। কাজেই রাজধানীর যানজট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

অসাধু ব্যবসায়ীরা মহাসড়কে যানজটের অজুহাতে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করে থাকে। তাদের এসব তৎপরতা রোধেও নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। মাত্র কয়েক দিন আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর ফতেহপুর রেলক্রসিংয়ে উড়াল সেতুর নির্মাণ কাজের কারণে মহাসড়কের ফেনীর রেলক্রসিং এলাকায় ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ রকম দীর্ঘ যানজটে যাত্রী দুর্ভোগ কতটা চরম আকার ধারণ করে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় ওজন নিয়ন্ত্রণের নামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ঢাকামুখী পণ্যবাহী পরিবহনের দশ মিনিটের রাস্তা যেতে লাগছে সাত-আট ঘণ্টার বেশি। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ টার্মিনাল ও হাটবাজারের কারণে যানজট বৃদ্ধির বিষয়টিও বহুল আলোচিত। এসব সমস্যার সমাধান না হওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। মহাসড়কে যানজটের মূল কারণগুলো অনেক আগেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন দরকার সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।


মেসি চান জার্মানির মতো খেলুক আর্জেন্টিনা!

এ বারের মতো আইপিএল অভিযান শেষ বিরাটদের!


এ বিভাগের আরো খবর...

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে! মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে? ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন! বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
ইশতেহার নয়, কাজে বিশ্বাস করে দেশবাসী ইশতেহার নয়, কাজে বিশ্বাস করে দেশবাসী

সর্বাধিক পঠিত

ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল
কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন
ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন
শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত
বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে
বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব
অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী
রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪ রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে