ঢাকা, জানুয়ারী ২২, ২০১৯, ৮ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন » মাদক ব্যবসার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?
বৃহস্পতিবার ● ২৪ মে ২০১৮, ৮ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

মাদক ব্যবসার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?

---বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিনিধি:বাংলাদেশে ‘মাদক ব্যবসার চেয়ে ক্রসফায়ার বড় অপরাধ’ মাদক ব্যবসার মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

সরকারের মাদকবিরোধী অভিযানে নিহতের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি মানবাধিকার সংগঠনগুলো ‘এসব ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধকে’ ‘বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র সমালোচনা করছে।

প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বলছেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে, এবং মূলহোতারাও ছাড়া পাবেন না।

মাদক চোরাচালানী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা র‍্যাবের এই অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এসব ঘটনার যেসব বিবরণ দিচ্ছে সেগুলো মোটামুটি একই রকমের। তারা বলছে, অভিযানের সময় মাদকচক্রের সদস্যরা গুলি চালালে পাল্টা গুলিবর্ষণ করা হয় এবং তাতেই এদের মৃত্যু হয়েছে।

সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারি দলের বিভিন্ন নেতা এই অভিযানের পক্ষে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে বলেছেন, তরুণ সমাজকে সর্বনাশা ধ্বংসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে এটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তারা দাবি করছেন, এই অভিযানে দেশের মানুষ ‘খুশি’ হয়েছে।
আরো পড়তে পারেন:

মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এসব প্রাণহানির ব্যাপারে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিতর্ক হচ্ছে। কেউ এর পক্ষে আবার কেউ এর তীব্র সমালোচনা করছেন। এখানে এরকম কয়েকজনের মন্তব্য তুলে ধরা হলো।

স্বপ্ন নীল মিঠু লিখেছেন, “এটা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ। কিন্তু মাদক সাম্রাজ্যের একজন সম্রাটকেও আজ পর্যন্ত ক্রসফায়ার দূরের কথা গ্রেপ্তার হতেও পর্যন্ত শুনিনি! তাদের দেখা যায় রাষ্ট্রীয়ভাবে রাজকীয় বেশ ভুষায়!”

এসব হত্যাকাণ্ড আসলেই কিভাবে ঘটছে সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। দু’এক জনের হাতে থাকলেও তারা সেটা দিয়ে পুলিশ বা র‍্যাবের মতো শক্তিশালী বাহিনীর সাথে কিভাবে গোলাগুলির মতো ভয়ানক সংঘর্ষে লিপ্ত হয় সাধারণ জ্ঞানে সেটা বুঝতে পারছি না।” “এটা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও রাষ্ট্রের স্পষ্ট ব্যর্থতা। এইভাবে বিচার বহির্ভূত হত্যা সমাজকে কলঙ্কিত করে। মাদক ব্যবসার চেয়ে এই ক্রসফায়ারে হত্যা অনেক বড় অপরাধ।”

রাজনীতির গন্ধও পাচ্ছেন অনেকে। বেলাল আহমেদ নামে একজনের সরাসরি অভিযোগ: “এটা ক্রসফায়ার বা বন্ধুক-যুদ্ধ নয়। এটা সরকারের নতুন কৌশল, বিএনপির নেতাদের মারার জন্য।”

মো: আনোয়ার হোছাইন সিকদার নামে আরো একজন লিখেছেন, “যারা আসল মাদক ব্যবসায়ী তাদেরকে রাখা হয়েছে জামাই আদরে। অন্যদিকে নিরীহ মানুষকে মেরে, বলা হচ্ছে মাদকচক্র। সব সরকারি নাটক।”

আমিনুর রহমান লিখেছেন, “ক্রসফায়ারে না দিয়ে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। এতে করে তাদের নিকট থেকে মূলহোতাদের সম্পর্কে জানা যাবে।”

এই অভিযানের সমালোচনা করতে গিয়ে ডি কে রায় নামে একজন লিখেছেন, “গাছের গোড়ায় পানি ঢেলে ডালপালা ছাঁটাই করে কি আর হবে ? এতে শুধু গাছের বৃদ্ধিই রহিত হবে। সমূলে উৎপাটন আর হবে না। আর এতে দেশের বিচার ব্যবস্থা, আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”


যুক্তরাষ্ট্রকে-সতর্ক করল ফ্রান্স

‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?


এ বিভাগের আরো খবর...

আফগান সেনা ঘাঁটিতে তালেবান হামলা, নিহত শতাধিক আফগান সেনা ঘাঁটিতে তালেবান হামলা, নিহত শতাধিক
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি
ভারতে ষাঁড়ের রেসলিং উৎসবে নিহত ২ ভারতে ষাঁড়ের রেসলিং উৎসবে নিহত ২
ফ্রাঙ্কলিংকের ঝড়ে উড়ে গেল ঢাকা ডায়নামাইটস ফ্রাঙ্কলিংকের ঝড়ে উড়ে গেল ঢাকা ডায়নামাইটস
এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ- তথ্যমন্ত্রী এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ- তথ্যমন্ত্রী
পাঁচ প্রতিষ্ঠানের পানি ‘মানহীন’ আদলতকে- বিএসটিআই পাঁচ প্রতিষ্ঠানের পানি ‘মানহীন’ আদলতকে- বিএসটিআই
নোয়াখালীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষ নিহত ৪ নোয়াখালীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষ নিহত ৪
প্রতিবন্ধী কোটা আগের মতই আছে- শফিউল আলম প্রতিবন্ধী কোটা আগের মতই আছে- শফিউল আলম
তালেবানের গাড়িবোমা হামলায় নিহত ১২ তালেবানের গাড়িবোমা হামলায় নিহত ১২
প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- ফখরুল প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- ফখরুল

সর্বাধিক পঠিত

আফগান সেনা ঘাঁটিতে তালেবান হামলা, নিহত শতাধিক আফগান সেনা ঘাঁটিতে তালেবান হামলা, নিহত শতাধিক
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি
ভারতে ষাঁড়ের রেসলিং উৎসবে নিহত ২ ভারতে ষাঁড়ের রেসলিং উৎসবে নিহত ২
ফ্রাঙ্কলিংকের ঝড়ে উড়ে গেল ঢাকা ডায়নামাইটস ফ্রাঙ্কলিংকের ঝড়ে উড়ে গেল ঢাকা ডায়নামাইটস
বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি সাকিবের ঢাকা বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি সাকিবের ঢাকা
রাতভর নেচে অসুস্থ বিপাশা রাতভর নেচে অসুস্থ বিপাশা
বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ
প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় ৩১ রোহিঙ্গা শূন্যরেখায় প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় ৩১ রোহিঙ্গা শূন্যরেখায়
বুধবারের বৈঠকে ইজতেমা নিয়ে সিদ্ধান্ত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবারের বৈঠকে ইজতেমা নিয়ে সিদ্ধান্ত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে
জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বব্যাংক-আইএফসি ২২ বিলিয়ন ডলার দিবে