ঢাকা, জানুয়ারী ২২, ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » ‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?
বৃহস্পতিবার ● ২৪ মে ২০১৮, ৯ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?

---এম ডি জালাল: মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিকে আমরা স্বাগত জানাই।কিন্তু মনে রাখতে হবে, মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকৃত অপরাধীদের কেউই যেন ছাড় না পায়। মাদক ব্যবসা একটি গুরুতর অপরাধ। মাদক ব্যবসার চেয়ে ক্রসফায়ার বড় অপরাধ? অনেক দেশে এজন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও রয়েছে। আমাদের দেশেও যুবসমাজকে বাঁচাতে মাদক ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।গত এক সপ্তাহে বহু গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে,যাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই রয়েছে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে। এটি স্বস্তিদায়ক। কারণ অভিযোগ আছে, বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা-কর্মীও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার অভিযোগ আছে।

দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে ভয়াবহ মাত্রায়। নেশার উদ্রেককারী মাদকের মধ্যে তরুণরা ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ফেনসিডিলেই আসক্ত হচ্ছে বেশি। তবে এ মুহূর্তে হেরোইন ও ফেনসিডিলকে ছাড়িয়ে গেছে ইয়াবা। বলা যায়, এটি এখন দেশের প্রধান নেশার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত মিয়ানমার থেকে নাফ নদী দিয়ে ইয়াবার চালান আসছে ব্যাপক পরিমাণে। তবে অন্যান্য সীমান্তপথে, এমনকি আকাশপথেও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য আসছে বলে খবর রয়েছে।

এসব মাদকদ্রব্য স্কুলের ছাত্র থেকে শুরু করে তরুণদের মধ্যে মহামারীর আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট মাদকাসক্তদের কেবল স্বাস্থ্যহানিই ঘটছে না, ভেঙে পড়ছে সামাজিক শৃঙ্খলাও। বস্তুত সব অপরাধের মূলে রয়েছে মাদক। যেখানে মাদক আছে সেখানে চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র, নারী পাচার, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেশি। কাজেই সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরতা অবলম্বনের বিকল্প নেই।

অভিযোগ আছে, বাংলাদেশকে টার্গেট করেই সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে একশ্রেণীর লোক মাদক তৈরির কারখানা খুলে বসেছে। তারা মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করে থাকে। একসময় এভাবে ব্যাপক পরিমাণে ফেনসিডিলের অনুপ্রবেশ ঘটার কথা শোনা যেত। এখন মিয়ানমার থেকে একইভাবে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ঢুকছে। দেশে যারা অবৈধভাবে এসব মাদক আমদানি করে থাকে, তাদের মধ্যে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও রয়েছে।

কাজেই মাদকের চালান প্রতিরোধে দেশের সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সব অবৈধ মাদক আমদানিকারককে, তারা যত প্রভাবশালীই হোক, শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। মাদক প্রতিরোধে মাদক ব্যবসায়ীদের অর্থের লেনদেনের তথ্যও উদ্ঘাটন করতে হবে গোয়েন্দাদের। জানা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাদকের অর্থ লেনদেন হয় হুন্ডির মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকুক তবে শুধু মামলা করাই যথেষ্ট নয়, মাদক অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করাটাই বড় বিষয়। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারেও সজাগ থাকবে।


মাদক ব্যবসার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?

কানাডার আদালত বিএনপিকে সঠিকভাবেই মূল্যায়ন করেছে- জয়


এ বিভাগের আরো খবর...

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে! মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে? ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন! বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
ইশতেহার নয়, কাজে বিশ্বাস করে দেশবাসী ইশতেহার নয়, কাজে বিশ্বাস করে দেশবাসী

সর্বাধিক পঠিত

এসএসসি পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসমুক্ত করতে চান : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসমুক্ত করতে চান : শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা সিটির উপনির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটির উপনির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি
ইটিপি ছাড়া শিল্পনগরী অনুমোদন পাবে না-প্রধানমন্ত্রী ইটিপি ছাড়া শিল্পনগরী অনুমোদন পাবে না-প্রধানমন্ত্রী
বিআরটিসির ‘অনিয়ম-দুর্নীতি’ নিয়ে সড়ক মন্ত্রীর ক্ষোভ! বিআরটিসির ‘অনিয়ম-দুর্নীতি’ নিয়ে সড়ক মন্ত্রীর ক্ষোভ!
ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল
কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন
ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন
শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত
বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে
বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে