ঢাকা, আগস্ট ১৮, ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » ‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?
বৃহস্পতিবার ● ২৪ মে ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

‘মাদক ব্যবসার চেয়েও ক্রসফায়ার বড় অপরাধ?

---এম ডি জালাল: মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিকে আমরা স্বাগত জানাই।কিন্তু মনে রাখতে হবে, মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকৃত অপরাধীদের কেউই যেন ছাড় না পায়। মাদক ব্যবসা একটি গুরুতর অপরাধ। মাদক ব্যবসার চেয়ে ক্রসফায়ার বড় অপরাধ? অনেক দেশে এজন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও রয়েছে। আমাদের দেশেও যুবসমাজকে বাঁচাতে মাদক ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।গত এক সপ্তাহে বহু গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে,যাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই রয়েছে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে। এটি স্বস্তিদায়ক। কারণ অভিযোগ আছে, বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা-কর্মীও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার অভিযোগ আছে।

দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে ভয়াবহ মাত্রায়। নেশার উদ্রেককারী মাদকের মধ্যে তরুণরা ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ফেনসিডিলেই আসক্ত হচ্ছে বেশি। তবে এ মুহূর্তে হেরোইন ও ফেনসিডিলকে ছাড়িয়ে গেছে ইয়াবা। বলা যায়, এটি এখন দেশের প্রধান নেশার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত মিয়ানমার থেকে নাফ নদী দিয়ে ইয়াবার চালান আসছে ব্যাপক পরিমাণে। তবে অন্যান্য সীমান্তপথে, এমনকি আকাশপথেও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য আসছে বলে খবর রয়েছে।

এসব মাদকদ্রব্য স্কুলের ছাত্র থেকে শুরু করে তরুণদের মধ্যে মহামারীর আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট মাদকাসক্তদের কেবল স্বাস্থ্যহানিই ঘটছে না, ভেঙে পড়ছে সামাজিক শৃঙ্খলাও। বস্তুত সব অপরাধের মূলে রয়েছে মাদক। যেখানে মাদক আছে সেখানে চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র, নারী পাচার, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেশি। কাজেই সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরতা অবলম্বনের বিকল্প নেই।

অভিযোগ আছে, বাংলাদেশকে টার্গেট করেই সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে একশ্রেণীর লোক মাদক তৈরির কারখানা খুলে বসেছে। তারা মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করে থাকে। একসময় এভাবে ব্যাপক পরিমাণে ফেনসিডিলের অনুপ্রবেশ ঘটার কথা শোনা যেত। এখন মিয়ানমার থেকে একইভাবে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ঢুকছে। দেশে যারা অবৈধভাবে এসব মাদক আমদানি করে থাকে, তাদের মধ্যে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও রয়েছে।

কাজেই মাদকের চালান প্রতিরোধে দেশের সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সব অবৈধ মাদক আমদানিকারককে, তারা যত প্রভাবশালীই হোক, শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। মাদক প্রতিরোধে মাদক ব্যবসায়ীদের অর্থের লেনদেনের তথ্যও উদ্ঘাটন করতে হবে গোয়েন্দাদের। জানা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাদকের অর্থ লেনদেন হয় হুন্ডির মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকুক তবে শুধু মামলা করাই যথেষ্ট নয়, মাদক অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করাটাই বড় বিষয়। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারেও সজাগ থাকবে।


মাদক ব্যবসার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?

কানাডার আদালত বিএনপিকে সঠিকভাবেই মূল্যায়ন করেছে- জয়


এ বিভাগের আরো খবর...

বিশ্বের বসবাসের জন্য অযোগ্য শহর ঢাকা কেন? বিশ্বের বসবাসের জন্য অযোগ্য শহর ঢাকা কেন?
বিশ্বের বসবাসের জন্য অযোগ্য শহর ঢাকা কেন? বিশ্বের বসবাসের জন্য অযোগ্য শহর ঢাকা কেন?
অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল এলিয়েন? অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল এলিয়েন?
তৃতীয় লিঙ্গদের আইনি স্বীকৃতি দিল-জার্মান তৃতীয় লিঙ্গদের আইনি স্বীকৃতি দিল-জার্মান
রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দিতে পারে-ট্রাম্প প্রশাসন রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দিতে পারে-ট্রাম্প প্রশাসন
খেলাপি ঋণের বৃত্তে ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণের বৃত্তে ব্যাংকিং খাত
বঙ্গবন্ধু কেন ১২৫ পাকিস্তানির বিচার চেয়েছিলেন! বঙ্গবন্ধু কেন ১২৫ পাকিস্তানির বিচার চেয়েছিলেন!
বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে বিদেশি ছবির হিড়িক বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে বিদেশি ছবির হিড়িক
জার্মানের নদীতে ভেসে উঠছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অস্ত্র-শস্ত্র জার্মানের নদীতে ভেসে উঠছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অস্ত্র-শস্ত্র
জলবায়ু পরিবর্তনে-নিউ ইয়র্ক ও সিডনির কোন দ্বীপে বসতি থাকবে না জলবায়ু পরিবর্তনে-নিউ ইয়র্ক ও সিডনির কোন দ্বীপে বসতি থাকবে না

সর্বাধিক পঠিত

মোদির পথে হাঁটলেন ইমরান খান মোদির পথে হাঁটলেন ইমরান খান
মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকছে, বাকী সব বাতিল- নাসিম মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকছে, বাকী সব বাতিল- নাসিম
যাত্রীদের চাপ এখনো পুরোপুরি নেই? যাত্রীদের চাপ এখনো পুরোপুরি নেই?
নেইমারের জন্য ২৯০০ কোটি টাকা দিতে রাজি রিয়াল! নেইমারের জন্য ২৯০০ কোটি টাকা দিতে রাজি রিয়াল!
প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি যুগে প্রবেশ করল- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি যুগে প্রবেশ করল- বাংলাদেশ
জামিন পেতে ‘ছিনতাইকারী কল্যাণ ফান্ড’ জামিন পেতে ‘ছিনতাইকারী কল্যাণ ফান্ড’
সাবেক জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান আর নেই সাবেক জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান আর নেই
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সরেজমিনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সরেজমিনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব
ইরান তৈরী করবে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ইরান তৈরী করবে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র
যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো আমাদের চ্যালেঞ্জ- আমজাদ হোসেন যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো আমাদের চ্যালেঞ্জ- আমজাদ হোসেন
বিশ্বের বসবাসের জন্য অযোগ্য শহর ঢাকা কেন?
অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল এলিয়েন?
তৃতীয় লিঙ্গদের আইনি স্বীকৃতি দিল-জার্মান
রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দিতে পারে-ট্রাম্প প্রশাসন
খেলাপি ঋণের বৃত্তে ব্যাংকিং খাত
বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে বিদেশি ছবির হিড়িক
জার্মানের নদীতে ভেসে উঠছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অস্ত্র-শস্ত্র
জলবায়ু পরিবর্তনে-নিউ ইয়র্ক ও সিডনির কোন দ্বীপে বসতি থাকবে না
পরীক্ষার খাতায় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লিখলেন শিক্ষার্থীরা!
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ফায়দা লুঠতে ব্যস্ত কারা!