ঢাকা, জুলাই ১৯, ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক » ট্রাম্প-কিম প্রথম দেখায় নার্ভাস ছিলেন
মঙ্গলবার ● ১২ জুন ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

ট্রাম্প-কিম প্রথম দেখায় নার্ভাস ছিলেন

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক:সিঙ্গাপুরের ঐতিহাসিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন প্রথম ৬০ সেকেন্ডের মধ্যেই দুই নেতা একে অপরের ওপর প্রভাব বিস্তারে বেশ সচেষ্ট হয়ে উঠেছিলেন বলে জানিয়েছেন শরীরি ভাষা বিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ।“হাত মেলানোর সময় দুজনকেই সমকক্ষ মনে হচ্ছিল। নিজেকে নেতা এবং বিষয়টির ওপর নিয়ন্ত্রণ আছে দেখাতে বেশ সচেতন ছিলেন ট্রাম্প,” বলেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইনফ্লুয়েন্স সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়ং।প্রথম দেখায় ট্রাম্পই বেশি সময় ধরে কথা বলেছেন, কিম ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী। বৈঠক কক্ষে যাওয়ার আগে উত্তর কোরিয়ার নেতা অন্তত তিনবার ট্রাম্পের দিকে ঝুঁকে কথা শোনার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাহুতে চাপড় দিয়ে কিম মুখোমুখি সাক্ষাতে নিজের নিয়ন্ত্রণ আছে এটা দেখাতেও সচেষ্ট ছিলেন। উত্তর কোরীয় নেতার পিঠে হাত দিয়ে দ্বিগুণ বয়সী ট্রাম্প এরপর কিমকে লাইব্রেরির পথ দেখিয়ে দেন, যেখানে দুই নেতা একান্তে বৈঠক করেন।

বৈঠক কক্ষে বসার পরও দুজনই স্নায়ুচাপজনিত উত্তেজনা লুকাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে জানান লিয়ং। দুই হাত দিয়ে অস্থিরতা ঢাকার চেষ্টার পাশাপাশি চটজলদি হাসিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন ট্রাম্প; খানিক ঝুঁকে থাকা কিমের চোখ ছিল মাটির দিকে।যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার এ শীর্ষ সম্মেলনে কোরীয় উপদ্বীপের ‘পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ’ ও দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। দায়িত্বরত কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্তরের কোনো শীর্ষ নেতার এটিই প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ।

বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক কি না, দেখা হওয়ার প্রথমি মিনিটেই তা বুঝে যাবেন তিনি।

“ভাল কিছু হতে যাচ্ছে কি না, খুব দ্রুতই তা আমি বুঝতে পারবো। কিছু হবে কি না তাও দ্রুতই আমি জেনে যাব বলেই মনে করছি, হয়তো এটি হবে না। আদৌ ইতিবাচক কিছু হবে, কি হবে না, তা আমি অতি দ্রুতই বুঝে যাব,” কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।


রোহিঙ্গা শিবিরে ত্রাণ কর্মীদের বিশেষ ক্যাটাগরির ভিসা- প্রধানমন্ত্রী

জাদু বিশ্বাস করে না অপু বিশ্বাস


এ বিভাগের আরো খবর...

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত
হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন থাই কিশোররা হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন থাই কিশোররা

সর্বাধিক পঠিত

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া! ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে-গুতেরেস
শিশু মৃত্যু দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন?
প্রকল্প বাস্তবায়নে-দুর্নীতির দিকে নজর দিন?
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- আমলে নিন?
আর্জেন্টিনা ১-০ নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ০-০ আইসল্যান্ড
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?