ঢাকা, জানুয়ারী ২২, ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » আমেরিকা » পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরুর অঙ্গীকার- কিমের
মঙ্গলবার ● ১২ জুন ২০১৮, ৯ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরুর অঙ্গীকার- কিমের

---বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক:কোরীয় উপদ্বীপে পূর্ণাঙ্গ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া একসঙ্গে কাজ শুরুর অঙ্গীকার করেছে। আজ দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর এই সংক্রান্ত একটি নথিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন।প্রথম পর্বের একান্ত বৈঠকের পর ট্রাম্প নিজেই সাংবাদিকদের ঐতিহাসিক সমঝোতার আভাস দিয়েছিলেন। সিএনএন প্রথমে সেই সমঝোতামূলক নথি স্বাক্ষরের খবর জানায়। পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ট্রাম্প ও কিমকে উদ্ধৃত করে এ খবরটি নিশ্চিত করা হয়।

১২ জুন, আজ সকালে কিমের সঙ্গে ৩৫ মিনিটের একান্ত বৈঠক শেষে দ্বিতীয় পর্বে দুই দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তারা। বৈঠক শেষে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে তার দেশ। দিনের শুরুতে দুই নেতার মধ্যে কোনো চুক্তির আগাম আভাস না পাওয়া গেলেও স্থানীয় সময় সাড়ে বেলা ১১টায় দুপুরের খাবারের পরে বিরতির একপর্যায়ে কিছু সময় কিমের সঙ্গে হোটেলের আঙিনায় হাঁটেন ট্রাম্প।

সে সময় তিনি ঘোষণা দেন, দুপুরের পর একটি নথি সই হতে পারে। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের সামনে নথি নিয়ে আসেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখান থেকেই ছবি তোলেন সাংবাদিকরা। সেই ছবি থেকে সমঝোতার ৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে এনেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সেগুলো হলো:

১. দুই দেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধির স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া নতুন ধারার সম্পর্কের সূচনা করবে। ২. কোরীয় উপদ্বীপে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে দুই দেশ। ৩. ২৭ এপ্রিলের পানজামুন ঘোষণা অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করবে দুই দেশ। ৪. যুদ্ধবন্দিদের উদ্ধারের অঙ্গীকার করেছে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে যাদের শনাক্ত করা গেছে তাদের নিজ নিজ দেশে শিগগিরই প্রত্যাবাসন।

ট্রাম্পের সঙ্গে হাঁটার সময় কিমকে প্রেসিডেন্টের লিমুজিন গাড়ির ভেতরটা দেখতে দেওয়া হয়। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা ‘বিস্ট’ নামের গাড়ি দেখান।কিছুক্ষণ বাদে অপেক্ষারত সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি সই করছি। একটি দুর্দান্ত বিস্তারিত দলিল।’ এতে কী আছে, তা পৃথক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হবে। এটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম বলেছেন, বৈঠক আয়োজন করার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চান তিনি। অনুবাদকের সাহায্য কিম বলেন, ‘ঐতিহাসিক এক বৈঠক হয়েছে। অতীতকে পেছনে ঠেলে ঐতিহাসিক একটি নথিতে সই করতে যাচ্ছি।’ বিশ্ববাসীর চাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাপক একটি পরিবর্তন দেখবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, নথিতে সইয়ের অর্থ দাঁড়ায় আলোচনার অগ্রগতি হয়েছে এবং এর গতি বজায় থাকবে।

বৈঠক শুরুর আগে থেকেই ট্রাম্প বলেছিলেন, এটা দুর্দান্ত বৈঠক হবে। আর কিম বলেন, ‘এমন অবস্থায় আসা সহজ ছিল না।’ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শান্তির জন্য বড় এক ঘটনা ছিল আজকের দিনটি। দুই নেতার একান্ত বৈঠকের পর এখন দ্বিতীয় পর্বের বৈঠকে তাদের সঙ্গে মিলিত হন দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এর আয়োজনে মূল ভূমিকা পালনকারী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন। মুন বলেছেন, ‘গত রাতে ঘুমাতে পারিনি।’ কেবিনেটের এক বৈঠকে মুন বলেন, ‘আশা করি বৈঠক সফল হবে এবং নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হবে।’ এর আগে সব জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে সেন্টাসা দ্বীপে বৈঠক শুরু করেন দুই নেতা। প্রথমেই দুই দেশের পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে হাত মেলান ট্রাম্প-কিম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, বৈঠক শুরুর আগে ১২ সেকেন্ড সময় ধরে করমর্দন করেন তারা।


বিএনপি চাইলে খালেদার চিকিৎসা সিএমএইচে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এমপিরা ৩ সিটিতে প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন না


এ বিভাগের আরো খবর...

বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী
রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪ রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪
ওবায়দুল কাদের সর্বকালের ব্যর্থ একজন সড়কমন্ত্রী- রিজভী ওবায়দুল কাদের সর্বকালের ব্যর্থ একজন সড়কমন্ত্রী- রিজভী
ছিন্নমূল শিশুরা শিক্ষার অধিকার কতটা পাচ্ছে ! ছিন্নমূল শিশুরা শিক্ষার অধিকার কতটা পাচ্ছে !
ডিএনসিসির মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বিকালে- সিইসি ডিএনসিসির মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বিকালে- সিইসি
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
এরশাদ সুস্থ আছেন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে- জাপা এরশাদ সুস্থ আছেন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে- জাপা
প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছে- প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছে- প্রধানমন্ত্রী
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ বাড়িতে র‌্যাবের অভিযান, আটক ১ জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ বাড়িতে র‌্যাবের অভিযান, আটক ১

সর্বাধিক পঠিত

ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল ওস্তাদের মার শেষ রাতেকিন্তু ‘ওস্তাদ’ হতে পারলেন না গেইল
কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা ফুঁসে উঠলেন
ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন ব্র্যাড পিট-থেরন প্রেম করছেন
শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত শান্ত আজ হঠাৎ করেই একটু অশান্ত
বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে বাংলাদেশের কেউ নেই আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে
বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের বিএনপি জয়নুলের কাদায় আটকে পড়া গরুর গাড়ি: কাদের
আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব আইসিসিও মেনে নিচ্ছে কোহলির শ্রেষ্ঠত্ব
অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনো ভালো ফল পাওয়া যায় না- শিক্ষামন্ত্রী
রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪ রাশিয়ার উপকূলে ২ জাহাজে আগুন, নিহত ১৪
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে- আদালত
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে