ঢাকা, নভেম্বর ১৮, ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » জাতীয় » আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়
বুধবার ● ২০ জুন ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদ উপলক্ষে গত কয়েকদিন ঢাকা রুপ নেয় কোলাহল মুক্ত শহরে। রাস্তায় ছিল না কোনো যানজট কিংবা অফিস-আদালতগামী মানুষের ভিড়।কয়েকদিন বিরতি দিয়ে আবারও ব্যস্ততম নগরী হতে চলেছে রাজধানী। নিজ নিজ কার্যালয়ে ফিরতে শুরু করেছে কর্মমুখী মানুষ। যদিও সরকারি অফিস আরও দু’দিন আগেই (সোমবার থেকে) খুলেছে।
আজ রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে রাজধানীমুখী মানুষের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী ট্রেনগুলোতে ছিল খুব ভিড়। এ যেনো ফাঁকা ঢাকা আবারও চিরচেনায় ফিরতে শুরু করেছে।আকবার আলী প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চাকরি করেন। তার অফিস সোমবার থেকে খুললেও তিনি এদিন ঢাকায় চলে এসেছেন।

তিনি বলেন, সোমবার সরকারি ছুটি শেষ হয়, আমার অন্য কলিগরা সোমবার থেকে অফিস শুরু করেছেন। আমি দু’দিন অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার থেকে আমি অফিস করবো। পরিবার নিয়ে ঝামেলা এড়াতে একদিন আগেই ঢাকায় চলে এলাম।

জামালপুর থেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরলেন রাজমিস্ত্রী শফিক। ঈদের ছুটি গ্রামে কেমন কাটলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঈদ মানে বাড়তি আনন্দ। গ্রামে সবার সঙ্গে ঈদ করায় এ আনন্দ আরও বেড়ে যায়। এ কয়দিন পরিবার, বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে খুব ভালো কাটল। মঙ্গলবার (১৯ জুন) রাতে যখন ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেবো তখন মনটা খারাপ ছিল।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করছিল না। তবুও আসতে হলো পরিবার ছেড়ে কাজের উদ্দেশে। আবারও কোরবানির ঈদে বাড়ি যাবো তখনও আনন্দ করবো।

মো. রবিন ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ছুটি কাটিয়ে বুধবার ঢাকায় ফিরলাম। আরও কিছুদিন থাকার ইচ্ছা ছিল কিন্তু কোচিং শুরু হওয়ায় সেটা হলো না। তিনি বলেন, এই কয়েকটা দিন পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অনেক ভালো কাটল। গ্রামে ঈদ করার মজাই আলাদা, সবার বাড়িতে যাওয়া হয়। আজ ঢাকায় এলাম এখন সবাইকে অনেক মিস করছি ।

হাসিনা বেগম যাত্রাবাড়ি এলাকায় একটি সাবকন্ট্রাক পোশাক কারখানায় কাজ করেন বুধবার থেকে তার অফিস শুরু। এজন্য সকালে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় আসলেন।

এবার তার ঈদ কেমন কাটলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব ভালো ঈদ কেটেছে। তবে বাড়ি ফেরার দিন খুব কষ্ট হয়েছিল।পরে প্রিয়জনদের মুখ দেখ সব কষ্ট দূর হয়েছে। আজ ঢাকায় এলাম কিন্তু পরিবারের জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে। তাদের কথা বার বার মনে পড়ছে। তবুও ঢাকায় আসা কাজ করতে হবে আয় করতে হবে।ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির শেষ দিন বেতন পেয়েছি, বোনাস পেয়েছিলাম আরও আগে।


বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর

প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী


এ বিভাগের আরো খবর...

শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক
আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং
শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান
এবার কোথাও থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন করা যাবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার কোথাও থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন করা যাবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তারেক এর ভিডিও কনফারেন্স বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়- ফকরুল তারেক এর ভিডিও কনফারেন্স বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়- ফকরুল
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ: সোহাগ গ্রেফতার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ: সোহাগ গ্রেফতার
সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল
কক্সবাজারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে- আইজিপি কক্সবাজারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে- আইজিপি
আব্বাস দম্পতির আগাম জামিন আব্বাস দম্পতির আগাম জামিন

সর্বাধিক পঠিত

বাণিজ্যযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে বাংলাদেশকে বাণিজ্যযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে বাংলাদেশকে
শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক
আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং
শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা
বগুড়ায় মেলায় বিশালাকৃতির মাছের পসরা বসেছে বগুড়ায় মেলায় বিশালাকৃতির মাছের পসরা বসেছে
ভারতে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে ১৭.৪ টন ভারতে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে ১৭.৪ টন
টেস্টে ক্যাপ্টেন হওয়ার পর ধোনির কৃর্তী ফাঁস করলেন লক্ষ্মণ! টেস্টে ক্যাপ্টেন হওয়ার পর ধোনির কৃর্তী ফাঁস করলেন লক্ষ্মণ!
চিলিতে তামা উৎপাদন ৭.৩% চিলিতে তামা উৎপাদন ৭.৩%
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান
“জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাঁচতে চাই” “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাঁচতে চাই”
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে