ঢাকা, জুলাই ১৯, ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » জাতীয় » আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়
বুধবার ● ২০ জুন ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদ উপলক্ষে গত কয়েকদিন ঢাকা রুপ নেয় কোলাহল মুক্ত শহরে। রাস্তায় ছিল না কোনো যানজট কিংবা অফিস-আদালতগামী মানুষের ভিড়।কয়েকদিন বিরতি দিয়ে আবারও ব্যস্ততম নগরী হতে চলেছে রাজধানী। নিজ নিজ কার্যালয়ে ফিরতে শুরু করেছে কর্মমুখী মানুষ। যদিও সরকারি অফিস আরও দু’দিন আগেই (সোমবার থেকে) খুলেছে।
আজ রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে রাজধানীমুখী মানুষের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী ট্রেনগুলোতে ছিল খুব ভিড়। এ যেনো ফাঁকা ঢাকা আবারও চিরচেনায় ফিরতে শুরু করেছে।আকবার আলী প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চাকরি করেন। তার অফিস সোমবার থেকে খুললেও তিনি এদিন ঢাকায় চলে এসেছেন।

তিনি বলেন, সোমবার সরকারি ছুটি শেষ হয়, আমার অন্য কলিগরা সোমবার থেকে অফিস শুরু করেছেন। আমি দু’দিন অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার থেকে আমি অফিস করবো। পরিবার নিয়ে ঝামেলা এড়াতে একদিন আগেই ঢাকায় চলে এলাম।

জামালপুর থেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরলেন রাজমিস্ত্রী শফিক। ঈদের ছুটি গ্রামে কেমন কাটলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঈদ মানে বাড়তি আনন্দ। গ্রামে সবার সঙ্গে ঈদ করায় এ আনন্দ আরও বেড়ে যায়। এ কয়দিন পরিবার, বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে খুব ভালো কাটল। মঙ্গলবার (১৯ জুন) রাতে যখন ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেবো তখন মনটা খারাপ ছিল।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করছিল না। তবুও আসতে হলো পরিবার ছেড়ে কাজের উদ্দেশে। আবারও কোরবানির ঈদে বাড়ি যাবো তখনও আনন্দ করবো।

মো. রবিন ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ছুটি কাটিয়ে বুধবার ঢাকায় ফিরলাম। আরও কিছুদিন থাকার ইচ্ছা ছিল কিন্তু কোচিং শুরু হওয়ায় সেটা হলো না। তিনি বলেন, এই কয়েকটা দিন পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অনেক ভালো কাটল। গ্রামে ঈদ করার মজাই আলাদা, সবার বাড়িতে যাওয়া হয়। আজ ঢাকায় এলাম এখন সবাইকে অনেক মিস করছি ।

হাসিনা বেগম যাত্রাবাড়ি এলাকায় একটি সাবকন্ট্রাক পোশাক কারখানায় কাজ করেন বুধবার থেকে তার অফিস শুরু। এজন্য সকালে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় আসলেন।

এবার তার ঈদ কেমন কাটলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব ভালো ঈদ কেটেছে। তবে বাড়ি ফেরার দিন খুব কষ্ট হয়েছিল।পরে প্রিয়জনদের মুখ দেখ সব কষ্ট দূর হয়েছে। আজ ঢাকায় এলাম কিন্তু পরিবারের জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে। তাদের কথা বার বার মনে পড়ছে। তবুও ঢাকায় আসা কাজ করতে হবে আয় করতে হবে।ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির শেষ দিন বেতন পেয়েছি, বোনাস পেয়েছিলাম আরও আগে।


বছরে ৭ কোটি মানুষ শরণার্থী হচ্ছে-ইইএনএইচসিআর

প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী


এ বিভাগের আরো খবর...

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত
হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন থাই কিশোররা হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন থাই কিশোররা

সর্বাধিক পঠিত

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শোনাল থাই কিশোররা
জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর জাপান-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের সমালোচনা করতে চাইছে - হোয়াইট হাউস
দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি দুদকের অভিযানে সিভিল সার্জনের ঘুষের ‘প্রমাণ’ দাবি
রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে- জাতিসংঘ
আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা আমেরিকার মূল টার্গেট হচ্ছে ইয়েমেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া! ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প ইরানে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন- ট্রাম্প
তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই তিন তালাক ফতোয়া: ইসলাম থেকে বের করার অধিকার কারও নেই
গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা! গুগলের ৫শ’ কোটি ডলার জরিমানা!
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া!
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে-গুতেরেস
শিশু মৃত্যু দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন?
প্রকল্প বাস্তবায়নে-দুর্নীতির দিকে নজর দিন?
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- আমলে নিন?
আর্জেন্টিনা ১-০ নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ০-০ আইসল্যান্ড
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?