ঢাকা, মার্চ ২৩, ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » নির্বাচন » প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী
বুধবার ● ২০ জুন ২০১৮, ৯ চৈত্র ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

প্রচারণায় মুখরিত গাজীপুর নগরী

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক:২৬ জুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের বাকি মাত্র কয়েকদিন। সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে মেয়র প্রার্থীরা বিশাল আয়তনের এ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।এবারও দুই প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা গাজীপুরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে এসে নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। দুপুরের পর থেকে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাইকে প্রচারণা চলছে। ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেমে বিভিন্ন গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রার্থীদের প্রতীকের পক্ষে অটোরিকশা, সিএনজি ও বাইসাইকেল যোগে ভোটারদের কাছে ভোট চাচ্ছেন।মেয়র প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও পথ সভায় বক্তব্য রাখছেন। এসব সভায় দলীয় বক্তব্য ছাড়াও উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

জাহাঙ্গীর আলমের প্রচারণা

আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম নগরীর ১নং থেকে ১২নং ওয়ার্ডের স্কয়ার গেট, লতিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, তুরাগ ঈদগাহ মাঠ, হাতিমারা ঈদগাহ মাঠ, কালের ভিটা, মেঘলাল, নছর মার্কেট, মিতালী ক্লাব, নাদের স্কুলের পাশে, আমবাগ পূর্বপাড়া, মন্ত্রী মার্কেট, আনোয়ার মোল্লার বাড়ির পাশে, জেলখানা রোড, কেয়া স্পিনিং, নোয়াব আলী মার্কেটসহ ১৫টি পথ সভায় বক্তব্য রাখেন।

এসব স্থানে পথ সভায় জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এবং ভোটারদের ওপর আস্থা আছে, আগামী নির্বাচনে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে আমাকে এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন। এখানে আমরা সবাই এক। কেউ যেন বিভ্রান্তিমূলক কথা বা সংঘর্ষে না জড়ান বা কেউ কাউকে ছোট করে কথা বলবেন না। যারা কাউন্সিলর থাকবেন আপনাদের মূল্যায়িত করেই এখানে সব কাজ করা হবে। এটি স্থানীয় নির্বাচন, স্থানীয় মানুষ এবং ভোটারদের নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই অংশগ্রহণ করবে এটাই আমার প্রত্যাশা। সবার সহযোগিতা এবং নৌকা মার্কায় ভোট চাই।

এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. রেজাউল করিম রাসেল, আশরাফুল আলম আসকর, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আক্কাছ আলী মো. শরবেশ আলী, আঃ রহমান মাস্টার, মো. খলিলুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, মো. জামাল উদ্দিন, শামসুল আলম গায়েন, সোহরাব উদ্দিন সরকার, মো. সায়মন সরকার, মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ২০ দলীয় জোট মেয়র পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে নগরীর গাছা (পূর্ব) অঞ্চলের ৩২, ৩৩, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইশড্ডা, জাঝর, অ্যারাবিয়ান গার্মেন্ট, বটতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং অপরাহ্নে নগরীর টঙ্গী (পূর্ব) এলাকার টিঅ্যান্ডটি, শিলমুন, মরকুনসহ সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।

পথসভায় হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী অতিরিক্ত মাত্রায় ওয়াদা দিচ্ছেন। তিনি ডাবল রেল লাইন ও চলমান বিআরটিসহ জাতীয় প্রকল্পগুলোকে স্থানীয় সরকারের প্রকল্প হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা, পরিধি ও স্থানীয় সরকার আইন সম্পর্কে ধারণা থাকলে তিনি এসব ওয়াদা দিতেন না।

এসব পথসভা ও গণসংযোগে হাসান উদ্দিন সরকারের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, যুগ্ম সম্পাদক শিল্পপতি মো. সোহরাব উদ্দিন, জেলা হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন, মোশরাফ হোসেন খান, সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, মনিরুজ্জামান লাবলু, ফারুক হোসেন খান, ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস খান, জাহাঙ্গীর হাজারী, মোশারফ হোসেন ভূইয়া, মাহবুবুল আলম শুক্কুর, প্রভাষক বসির উদ্দিন আহমেদ, আরিফ হোসেন হাওলাদার, জসিম উদ্দিন বাট, আব্দুর রহিম খান কালা, কসিম উদ্দিন প্রমুখ।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

এদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন হাসান উদ্দিন সরকার। মঙ্গলবার তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগে বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী ও তার সমর্থকেরা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করছেন।


আবারও কমলাপুরে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়

মালয়েশিয়ার রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ


এ বিভাগের আরো খবর...

২৮ বছর পর অভিষেক হলো ডাকসু কমিটির ২৮ বছর পর অভিষেক হলো ডাকসু কমিটির
চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত
জাসিন্ডা আরডার্নের নোবেল পুরস্কারের পক্ষে পিটিশন জাসিন্ডা আরডার্নের নোবেল পুরস্কারের পক্ষে পিটিশন
টাইগারেদর হুট করে বিয়ের রহস্য উদঘাটন টাইগারেদর হুট করে বিয়ের রহস্য উদঘাটন
ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন পাওয়ার রহস্য কী? ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন পাওয়ার রহস্য কী?
নুরুল ডাকসুর ভিপির  দায়িত্ব নিচ্ছেন আজ নুরুল ডাকসুর ভিপির দায়িত্ব নিচ্ছেন আজ
আপত্তি নেই জাতিসংঘের রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে আপত্তি নেই জাতিসংঘের রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে
কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি
ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারল আর্জেন্টিনা ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারল আর্জেন্টিনা
বরিশালে বাস-মাহেন্দ্র সংঘর্ষে কলেজছাত্রীসহ নিহত ৫ বরিশালে বাস-মাহেন্দ্র সংঘর্ষে কলেজছাত্রীসহ নিহত ৫

সর্বাধিক পঠিত

কিভাবে আগুনে পোড়া ক্ষত সারায় তেলাপিয়া? কিভাবে আগুনে পোড়া ক্ষত সারায় তেলাপিয়া?
শ্রদ্ধা এবার বিয়ের পিঁড়িতে! শ্রদ্ধা এবার বিয়ের পিঁড়িতে!
ফায়ার সার্ভিস ৫৮৩ জনকে নিয়োগ দিচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ৫৮৩ জনকে নিয়োগ দিচ্ছে
কী করবেন নাকে অ্যালার্জি হলে? কী করবেন নাকে অ্যালার্জি হলে?
স্বাস্থ্য অধিদফতরে নিয়োগ! স্বাস্থ্য অধিদফতরে নিয়োগ!
বিমানবন্দরে ময়লার ঝুড়িতে মিলল ৪৮ স্বর্ণের বার বিমানবন্দরে ময়লার ঝুড়িতে মিলল ৪৮ স্বর্ণের বার
যশোরে টাকা নিয়ে বিরোধে ছেলরে হাতে বাবা খুন যশোরে টাকা নিয়ে বিরোধে ছেলরে হাতে বাবা খুন
২৮ বছর পর অভিষেক হলো ডাকসু কমিটির ২৮ বছর পর অভিষেক হলো ডাকসু কমিটির
চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত
বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রীসহ নিহত ৭ বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রীসহ নিহত ৭
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করতে পারছে না কেন?
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্বে একটি রোল মডেল?
সীমাহীন দুর্নীতিগ্রস্ত বিমান
নানা সমস্যায় জর্জরিত ব্যাংকিং খাত!
উত্তপ্ত কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন!
দেশকে দ্রুত উন্নতির জন্য কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই!
প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর উন্নয়ন- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হবে!
খেলাপি ঋণে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই
৫ জনই ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স