ঢাকা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » জলবায়ু পরিবর্তনে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা
বৃহস্পতিবার ● ২১ জুন ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

জলবায়ু পরিবর্তনে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা

---বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালাল,:জলবায়ু পরিবর্তনে ফলে বছরের পর বছর দেশের আবহাওয়া পরিবর্তনের ছাপ পড়তে শুরু করেছে।এমনটি লক্ষ্য করা গেছে ঝিনাইদহের পাট চাষিদের। এতে করে জেলায় পাট চাষ কমছে প্রত্যেক মৌসুমে। বাজারে দাম পড়ে যাওয়াকেও এর জন্য দায়ী করছেন চাষিরা।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে জানা যায়, গত বছর ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলা হরিণাকুন্ড, মহেশপুর, কোঁটচাদপুর, কালীগঞ্জ, শৈলকূপা ও সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল। কিন্তু এ বছর তা কমে হয়েছে ১৫ হাজার ৪৪৫ হেক্টর।সদর উপজেলার খাজুরা গ্রামের কৃষক বেলাল মোল্ল্যা জানান, এ বছর পানি জমে অনেক স্থানে পাট গাছ মরে গেছে। এছাড়া বৈরি আবহাওয়ার কারণে বপনকৃত পাটের ক্ষতি হয়েছে।

সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের পাটচাষি মানিক বিশ্বাস জানান, খেত থেকে পাট কাটা, বহন করে এনে বিল, খাল ও পুকুরে জাগ দিতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। সেই হিসাবে দাম পাওয়া যায় না। পাটের দাম দিনের পর দিন কমতেই আছে।ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের চাষি নাজির উদ্দিন জানান, এক বিঘা পাট চাষ করতে খরচ হয় ১২-১৫ হাজার টাকা। বিঘাতে পাট হয় ০৮/১২ মণ। প্রতি মণ পাট বিক্রি হয় ৮শ টাকা থেকে ১৪শ টাকা পর্যন্ত। এবার ১৬ কাঠায় চাষ করেছেন যা গত বছর ছিল ২৫ কাঠা।

চাষি এনামুল হক জানান, এ বছর শিলাবৃষ্টিতে পাটের ডগা ভেঙে গেছে। গাছের বাড়তি থেমে গেছে। কয়েক দিন অপেক্ষা করবেন। গাছ না বাড়লে খেত মেরে দিবেন। পাট পচানোর স্থান না পাওয়াও একটা কারণ বলে তিনি জানান।ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জিএম আব্দুর রউফ জানান, গত দু-তিন বছর ধরে পাট চাষ করে চাষির উৎপাদন খরচ উঠছে না। ফলে চলতি মৌসুমে পাটের আবাদ কমিয়ে অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।


অনলাইন প্রশ্নের নিরাপত্তা বাড়ানোর তাগিদ জেলা প্রশাসনের

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইউরোপের ১০০ কোম্পানি


এ বিভাগের আরো খবর...

জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ড. কামালকে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ড. কামালকে শিক্ষার্থীদের আহ্বান
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী গ্রেফতার! সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী গ্রেফতার!
ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে
ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
২২ ডিসেম্বরের পর প্রশাসন সরকারের কথা শুনবে না: কাদের সিদ্দিকী ২২ ডিসেম্বরের পর প্রশাসন সরকারের কথা শুনবে না: কাদের সিদ্দিকী
‘৩০ ডিসেম্বর আমরা কেউ ঘরে থাকব না’ ‘৩০ ডিসেম্বর আমরা কেউ ঘরে থাকব না’
বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
আজ গৌরবময় বিজয় দিবস আজ গৌরবময় বিজয় দিবস
ড. কামালের হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ড. কামালের হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
আমি পালিয়ে যাওয়ার মানুষ নই-কনকচাঁপা আমি পালিয়ে যাওয়ার মানুষ নই-কনকচাঁপা

সর্বাধিক পঠিত

জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ড. কামালকে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ড. কামালকে শিক্ষার্থীদের আহ্বান
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী গ্রেফতার! সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী গ্রেফতার!
ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে
ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন পরিণীতি! বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন পরিণীতি!
শাহরুখের ক্যাপশন ক্যাটরিনা হট! শাহরুখের ক্যাপশন ক্যাটরিনা হট!
রণবীর বাবা হচ্ছেন কবে? রণবীর বাবা হচ্ছেন কবে?
একসঙ্গে দীপিকা ও রাজকুমার একসঙ্গে দীপিকা ও রাজকুমার
জীবনকৃতি সম্মাননায় ভূষিত হলেন আবুল খায়ের জীবনকৃতি সম্মাননায় ভূষিত হলেন আবুল খায়ের
আজকের খেলা সূচি আজকের খেলা সূচি
জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বব্যাংক-আইএফসি ২২ বিলিয়ন ডলার দিবে
জলবায়ু পরিবর্তনের যুদ্ধে নারীর অংশগ্রহণ করতে হবে-প্যাট্রিসিয়া
বিএনপির দুটি আসনের পরিবর্তন
কলেজ শিক্ষক আলী হোসেন হত্যা দুইজনের ত্যুদণ্ড
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার