ঢাকা, জুলাই ১৬, ২০১৮, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » জলবায়ু পরিবর্তনে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা
বৃহস্পতিবার ● ২১ জুন ২০১৮, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

জলবায়ু পরিবর্তনে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা

---বিবিসি২৪নিউজ,রত্না চৌধুরী:জলবায়ু পরিবর্তনে ফলে বছরের পর বছর দেশের আবহাওয়া পরিবর্তনের ছাপ পড়তে শুরু করেছে।এমনটি লক্ষ্য করা গেছে ঝিনাইদহের পাট চাষিদের। এতে করে জেলায় পাট চাষ কমছে প্রত্যেক মৌসুমে। বাজারে দাম পড়ে যাওয়াকেও এর জন্য দায়ী করছেন চাষিরা।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে জানা যায়, গত বছর ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলা হরিণাকুন্ড, মহেশপুর, কোঁটচাদপুর, কালীগঞ্জ, শৈলকূপা ও সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল। কিন্তু এ বছর তা কমে হয়েছে ১৫ হাজার ৪৪৫ হেক্টর।সদর উপজেলার খাজুরা গ্রামের কৃষক বেলাল মোল্ল্যা জানান, এ বছর পানি জমে অনেক স্থানে পাট গাছ মরে গেছে। এছাড়া বৈরি আবহাওয়ার কারণে বপনকৃত পাটের ক্ষতি হয়েছে।

সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের পাটচাষি মানিক বিশ্বাস জানান, খেত থেকে পাট কাটা, বহন করে এনে বিল, খাল ও পুকুরে জাগ দিতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। সেই হিসাবে দাম পাওয়া যায় না। পাটের দাম দিনের পর দিন কমতেই আছে।ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের চাষি নাজির উদ্দিন জানান, এক বিঘা পাট চাষ করতে খরচ হয় ১২-১৫ হাজার টাকা। বিঘাতে পাট হয় ০৮/১২ মণ। প্রতি মণ পাট বিক্রি হয় ৮শ টাকা থেকে ১৪শ টাকা পর্যন্ত। এবার ১৬ কাঠায় চাষ করেছেন যা গত বছর ছিল ২৫ কাঠা।

চাষি এনামুল হক জানান, এ বছর শিলাবৃষ্টিতে পাটের ডগা ভেঙে গেছে। গাছের বাড়তি থেমে গেছে। কয়েক দিন অপেক্ষা করবেন। গাছ না বাড়লে খেত মেরে দিবেন। পাট পচানোর স্থান না পাওয়াও একটা কারণ বলে তিনি জানান।ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জিএম আব্দুর রউফ জানান, গত দু-তিন বছর ধরে পাট চাষ করে চাষির উৎপাদন খরচ উঠছে না। ফলে চলতি মৌসুমে পাটের আবাদ কমিয়ে অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।


অনলাইন প্রশ্নের নিরাপত্তা বাড়ানোর তাগিদ জেলা প্রশাসনের

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইউরোপের ১০০ কোম্পানি


এ বিভাগের আরো খবর...

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা! ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা!
বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু
উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক
পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার
অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল? অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল?
বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি
মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন! হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন!
১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল ১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল
আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা! ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা!
বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু
উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক
পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার
অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল? অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল?
বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি
মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন! হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন!
১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল ১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল
আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে-গুতেরেস
শিশু মৃত্যু দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন?
প্রকল্প বাস্তবায়নে-দুর্নীতির দিকে নজর দিন?
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- আমলে নিন?
আর্জেন্টিনা ১-০ নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ০-০ আইসল্যান্ড
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?
টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩