ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
রবিবার ● ২৪ জুন ২০১৮, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?

---এম ডি জালাল: রাজনীতি ও কূটনীতি উভয় ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞ ও অপরিপক্ব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। ক্ষমতা গ্রহণ করার পর থেকে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন।সর্বশেষ তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন (ইউএনএইচআরসি) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করিয়ে নিলেন এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ভণ্ড এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবিরাম পক্ষপাতদুষ্টতার কথা বলে।
ট্রাম্প তার বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য একের পর এক গণমাধ্যমে আলোচিত ও সমালোচিত হচ্ছেন। ক্ষমতা গ্রহণের কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, যা মার্কিন আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।
এরপর তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে মরিয়া হয়ে ওঠেন, যা কংগ্রেস এখনও অনুমোদন করেনি। তিনি ওবামা কেয়ার নামে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় স্বাস্থ্যসেবা বাতিলের ঘোষণা দেন, যা মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল।

তিনি প্যারিস প্রটোকল নামে পরিচিত আন্তর্জাতিক জলবায়ু সংক্রান্ত চুক্তি থেকে আমেরিকাকে প্রত্যাহার করে নেন। তিনি ইসরাইলের দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের বহুল বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেন, যা সমগ্র বিশ্বের মুসলমান ও ফিলিস্তিনিদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে।

তিনি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় জাতির পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে আমেরিকাকে একতরফাভাবে প্রত্যাহার করিয়ে নেন। শুধু নিজেদের প্রত্যাহার করেই ক্ষান্ত হননি, তিনি আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্রদের ওপরও এ চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছেন।

ইয়েমেন ও সিরিয়া ইস্যুতে ইসরাইল ও সৌদি আরব বর্তমানে ইরানের চরম শত্রু। তাই ইসরাইল ও সৌদি আরবের প্ররোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার নারী কেলেঙ্কারি ও নির্বাচনের সময় রাশিয়ার সঙ্গে কথিত আঁতাত থেকে মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় জাতির পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে গেছেন বলে অনেকে মনে করেন এবং ইসরাইলই একমাত্র রাষ্ট্র, যারা ট্রাম্পের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বের হয়ে আসার পর এখন যদি ইরান পরমাণু অস্ত্রের পথে অগ্রসর হয়, তাহলে আমেরিকা ও তার মিত্রদের হুমকি-ধমকি দেয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না। পাকিস্তান ও ভারত যখন পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়, তখন শক্তিধর অনেক রাষ্ট্রকে হুমকি-ধমকি ও অবরোধের মতো অনেককিছু করতে দেখেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ও ভারতের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি তারা।

এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রত্যাহারে ইরানই কূটনৈতিকভাবে লাভবান হবে এবং পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির পথে এগিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অত্যন্ত সহজ হবে।

ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, তিনি সকালের সিদ্ধান্ত বিকালে পরিবর্তন করেন। নিজের বিশ্বস্ত বন্ধুকে কয়েকদিনের মধ্যেই শত্রুতে পরিণত করেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ কয়েক দফা পরিবর্তন এনেছেন, যা মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানদের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। তিনি গণমাধ্যমকে শত্রু মনে করেন।

ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় জাতির চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রত্যাহার বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মার্কিন কূটনীতি। প্রশ্নবিদ্ধ হবে আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি।


আর্জেন্টিনা শিবিরে বিদ্রোহ!

ফের পেছাচ্ছে ‘২০ মিনিটে ঢাকা-গাজীপুর’ প্রকল্প


এ বিভাগের আরো খবর...

প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর উন্নয়ন- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হবে! প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর উন্নয়ন- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হবে!
খেলাপি ঋণে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই খেলাপি ঋণে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই
জনতা ব্যাংকে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে জনতা ব্যাংকে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে
খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান রোধে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ! খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান রোধে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ!
৫ জনই ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা ৫ জনই ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা
পুলিশ সপ্তাহের পর প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিফলন কতটুকু ঘটবে? পুলিশ সপ্তাহের পর প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিফলন কতটুকু ঘটবে?
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি: আমলে নিতে হবে? স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি: আমলে নিতে হবে?
নতুন মুদ্রানীতিতে কি হতে পারে? নতুন মুদ্রানীতিতে কি হতে পারে?
কর্মস্থলে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি শাস্তিযোগ্য আপরাধ! কর্মস্থলে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি শাস্তিযোগ্য আপরাধ!
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স

সর্বাধিক পঠিত

গেইলের ছক্কার বিশ্বরেকর্ড আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে গেইলের ছক্কার বিশ্বরেকর্ড আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে
আজহার, সৌরভ, কেউই ক্রিকেট চায় না পাকিস্তানের সঙ্গে আজহার, সৌরভ, কেউই ক্রিকেট চায় না পাকিস্তানের সঙ্গে
শাপলা-শালুক জামদানী শাপলা-শালুক জামদানী
সেন্টমার্টিনে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ, আটক ১১ সেন্টমার্টিনে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ, আটক ১১
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার এভ্রিলকে সঙ্গে নিয়ে আসিফ মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার এভ্রিলকে সঙ্গে নিয়ে আসিফ
অভিনেতা প্রতীক বব্বর স্ত্রীর সঙ্গে অর্ধনগ্ন ছবি পোষ্ট করে বিপাকে অভিনেতা প্রতীক বব্বর স্ত্রীর সঙ্গে অর্ধনগ্ন ছবি পোষ্ট করে বিপাকে
আমাদের প্রিয় ‘আই আর’…চৌধুরী মনজুর লিয়াকত (রুমি) আমাদের প্রিয় ‘আই আর’…চৌধুরী মনজুর লিয়াকত (রুমি)
কিম কার্দাশিয়ান উন্মুক্ত দেহে ঝড় তুললেন! কিম কার্দাশিয়ান উন্মুক্ত দেহে ঝড় তুললেন!
বাংলাদেশের অগ্নিকান্ডে - মমতার সমবেদনা বাংলাদেশের অগ্নিকান্ডে - মমতার সমবেদনা
এবার ইয়ামিকে দেখা যাবে বিকিনিতে এবার ইয়ামিকে দেখা যাবে বিকিনিতে
প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর উন্নয়ন- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হবে!
খেলাপি ঋণে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই
৫ জনই ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?