ঢাকা, নভেম্বর ১৮, ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » রোগীদের মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান দিয়ে অস্ত্রোপচার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?
মঙ্গলবার ● ১০ জুলাই ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

রোগীদের মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান দিয়ে অস্ত্রোপচার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

---এম ডি জালাল: চট্টগ্রামে ম্যাক্স হাসপাতালে অনিয়ম ও জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন।র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বক্তব্য উদ্ধৃত করে উল্লেখ করা হয়েছে, অখ্যাত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে সেগুলো ম্যাক্স হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে প্রিন্ট করিয়ে রোগীদের দেয়া হতো এবং এর জন্য বাড়তি অর্থ নেয়া হতো।স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিনিধি এবং ওষুধ প্রশাসনের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পারিচালনাকালে ম্যাক্স হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে অনুমোদনহীন ওষুধ পেয়েছেন।এছাড়া অস্ত্রোপচারের কাজে ব্যবহৃত মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু সার্জিক্যাল আইটেমও পেয়েছেন।এর কারনে চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কিছু অসাধু ব্যবসায়িরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়।

চট্টগ্রামে এক সাংবাদিকের শিশুকন্যার মৃত্যুতে অভিযুক্ত ম্যাক্স হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার প্রতিবাদে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল।মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান দিয়ে অস্ত্রোপচার করা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা সহজেই অনুমান করা যায়। প্রশ্ন হল, মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান দিয়ে অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকরা প্রতিবাদ করেননি কেন? এতে এটাই স্পষ্ট, এর সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক উভয়েই জড়িত।

দুঃখজনক হল, র‌্যাবের অভিযানের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে ‘বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সমিতি’ ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। যেখানে এ ঘটনার জন্য চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের লজ্জা পাওয়া উচিত, সেখানে তারা রোগীদের জিম্মি করে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেন কীভাবে? এতে চট্টগ্রামের রোগীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। টানা ২০ ঘণ্টা রোগীদের ভুগিয়ে ধর্মঘট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রের মালিকরা।

আমরা মনে করি, দেশের অন্যান্য চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানেও রোগীদের পরীক্ষার নামে জালিয়াতির আশ্রয় নেয়া হয় কিনা, তা জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে দেখা দরকার। তা না হলে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে রোগীদের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। দেশের চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা মানসম্মত সেবা প্রদান করছে, তা যাচাই করার জন্য বছরব্যাপী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা দরকার।

সেবার কথা বলে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতারণার আশ্রয় নেয় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিত। মনে রাখা দরকার, কোনো চিকিৎসক সামান্য অমনোযোগী হলে কিংবা সেবামূলক কোনো প্রতিষ্ঠানে সামান্য ত্র“টি থাকলে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে।

চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো অজুহাতেই কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি পালন করা উচিত নয়। সেবার প্রতিশ্র“তি দিয়েই প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও প্রত্যেক ব্যক্তি চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কাজেই কথায় কথায় কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি ঘোষণার আগে তাদের ভাবা উচিত এতে দ্রুত পরির্বতন আনতে হবে।


ফ্রান্সের ফুটবলার অঁরি বেলজিয়ামের বেঞ্চে!

২০১৯ সাল থেকে পূর্বাচলে বাণিজ্যমেলা


এ বিভাগের আরো খবর...

যৌন মিলনের বিনিময়ে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি যৌন মিলনের বিনিময়ে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি
যে কারণে বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ে পুরুষরা যে কারণে বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ে পুরুষরা
যৌন হয়রানির মধ্যে কী কী পড়ে যৌন হয়রানির মধ্যে কী কী পড়ে
একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে! একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে!
নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে? নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে?
জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে! জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে!
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন? মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন?
বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন? বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন?
কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে! কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে!

সর্বাধিক পঠিত

বাণিজ্যযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে বাংলাদেশকে বাণিজ্যযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে বাংলাদেশকে
শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক শীর্ষ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা প্রকাশে ব্যর্থ- এপেক
আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং আগামী বছর উত্তর কোরিয়া সফরে যাবেন-শি জিন পিং
শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা শিগগিরই খাসোগি হত্যাকারীদের নাম জানাবে- আমেরিকা
বগুড়ায় মেলায় বিশালাকৃতির মাছের পসরা বসেছে বগুড়ায় মেলায় বিশালাকৃতির মাছের পসরা বসেছে
ভারতে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে ১৭.৪ টন ভারতে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে ১৭.৪ টন
টেস্টে ক্যাপ্টেন হওয়ার পর ধোনির কৃর্তী ফাঁস করলেন লক্ষ্মণ! টেস্টে ক্যাপ্টেন হওয়ার পর ধোনির কৃর্তী ফাঁস করলেন লক্ষ্মণ!
চিলিতে তামা উৎপাদন ৭.৩% চিলিতে তামা উৎপাদন ৭.৩%
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশের অভিযান
“জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাঁচতে চাই” “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাঁচতে চাই”
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে