ঢাকা, জুলাই ১৬, ২০১৮, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫
---
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » বিশেষ প্রতিবেদন » আমদানি প্রাধান্যে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ছে!
বুধবার ● ১১ জুলাই ২০১৮, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

আমদানি প্রাধান্যে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ছে!

---বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিনিধি:আমদানিনির্ভর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও উৎপাদন না করে জ্বালানির কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। সংকট মেটাতে আমদানি করা হচ্ছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। ফলে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্বালানির দাম। এ মহাপরিকল্পনা সংশোধন না করা হলে জ্বালানির মূল্য বাড়তেই থাকবে।গতকাল তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনে মুক্তি ভবনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ ও গবেষক আনু মুহাম্মদ। ‘গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: জাতীয় স্বার্থবিরোধী মহাপরিকল্পনা ও এলএনজির ওপর নির্ভরতা’ শীর্ষক এ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জরিপ বলছে বাংলাদেশে মোট গ্যাস মজুদের পরিমাণ ৩৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। আর দেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপের প্রতিবেদন বলছে তা ৪১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এখন পর্যন্ত ব্যবহার শেষে যে গ্যাস আছে, তাতে আগামী ২০৪০ সাল পর্যন্ত গ্যাসের সংকট দেখা দেয়ার কথা নয়। কিন্তু এসব গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা না করে সংকটের কথা বলে এলএনজি আমদানি করছে সরকার, যা দেশীয় গ্যাসের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ ব্যয়বহুল।

অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহে বিশেষ আইন নামে পরিচিত দায়মুক্তি আইনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে। এ আইনের আশ্রয় নিয়ে বিদ্যুৎ খাতের অর্থ লুটপাট হচ্ছে। গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের টাকা দিয়ে বাপেক্সকে শক্তিশালী করার কথা ছিল। তা না করে ওই টাকায় বিদেশী কোম্পানিকে ভাড়া করা হচ্ছে, যারা একটি শূন্য কূপ খনন করে ২০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। এভাবে পুরো অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। দায়মুক্তি আইন না থাকলে সরকার আদালতে আটকে যেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ২০১৭ সালে দুই দফায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে ২২ শতাংশ। এ বছর দাম আরো ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে বিদ্যুতের দাম বাড়বে, বাড়িভাড়া বাড়বে। দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের চাপ দেখা দেবে।বক্তারা বলেন, গত ১০ বছরে কোনো নতুন ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। বাপেক্সের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার অর্ধেক সময় চলে গেলেও ১০৮টির মধ্যে কূপ খনন হয়েছে মাত্র আটটি। তাড়াহুড়ো করে এতগুলো কূপ খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।


পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১৪!

নির্বাচনে অনিয়মে চার কর্মকর্তাকে ডাকা হচ্ছে ইসিতে


এ বিভাগের আরো খবর...

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা! ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা!
বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু
উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক
পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার
অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল? অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল?
বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি
মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন! হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন!
আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী
গাছ রক্ষায় রোহিঙ্গাদের দেওয়া হবে কয়লা- বনমন্ত্রী গাছ রক্ষায় রোহিঙ্গাদের দেওয়া হবে কয়লা- বনমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা! ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা!
বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু বিশ্বকাপে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের লড়াই শুরু
উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক উ’ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক
পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার পুতিনকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের জার্সি উপহার
অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল? অতীতে বাংলাদেশ-ক্রোয়েশিয়া ছিল একই মানের দল?
বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি বিএনপি রাজনীতি থেকে মাইনাস- দীপু মনি
মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাস্তবে নেই- প্রধানমন্ত্রী
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন! হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অাগুন!
১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল ১৯৯৮ বিশ্বকাপেরই পুনরাবৃত্তি যেন এই ফাইনাল
আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী আমাকে যারা নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত- প্রধানমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে-গুতেরেস
শিশু মৃত্যু দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন?
প্রকল্প বাস্তবায়নে-দুর্নীতির দিকে নজর দিন?
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- আমলে নিন?
আর্জেন্টিনা ১-০ নাইজেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ০-০ আইসল্যান্ড
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছেন?
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলার প্রকৌশলীদের জামিন মঞ্জুর
কাঙ্খিত ফল পেতে হলে,ভেজালবিরোধী অভিযান চালু রাখতে হবে?
মাদকযুদ্ধে কেন হারবে বাংলাদেশ?
টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩