ঢাকা, নভেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » বিশ্বের মানবতাবাদী -এক কূটনৈতিকের মহাপ্রয়াণ!
রবিবার ● ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

বিশ্বের মানবতাবাদী -এক কূটনৈতিকের মহাপ্রয়াণ!

---এম ডি জালাল:জাতিসংঘের প্রথম কৃঞ্চাঙ্গ ও সপ্তম মহাসচিব কফি আনান আজ ১৮ আগস্ট, ২০১৮ সালে পৃথিবী থেকে বিদেয় নিলেন। ১৯৩৮ সালের ৮ এপ্রিল, আফ্রিকার ঘানার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কুমাসিতে জন্মগ্রহণ করেন। আনান ২০০১ সালে জাতিসংঘের সাথে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরষ্কার লাভ করেন।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের দেওয়া ৮৮ দফা সুপারিশমালা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপের মুখে পড়ে খানিকটা দেরিতে হলেও টনক নড়েছে মিয়ানমার সরকারের। যা পরর্বতীতে অং সান সু চি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিন নাই ।

এই কমিটি গঠনের ব্যাপারে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক বিষয়াদির উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পষিদে রাখাইন নিয়ে জরুরি বৈঠকের আগে আকস্মিক এই কমিটি গঠনের কথা জানায় প্রেসিডেন্ট দফতর।
কফি আনান জন্মগ্রহণ করেছিলেন গোল্ড কোস্ট (বর্তমান ঘানা) এর সবেচেয়ে প্রভাবশালি ফান্টে পরিবারে যারা ঐতিহ্যগতভাবে গোত্রপ্রধান ছিলেন। আনানের বাবা ছিলেন দেশটির একজন প্রাদেশিক গভর্নর। কফি আনানের স্কুলিং শুরু হয় কেপ কোস্টের মেথোডিস্ট বোর্ডিং স্কুলে আনানের মতে যেখান থেকে তিনি শিখেছিলেন – “suffering anywhere concerns people everywhere”। আনানের সারা জীবনের কর্ম এবং দর্শনে এই শিক্ষার যথার্থই প্রতিফলন হয়েছে বলা যায়।

১৯৫৮ সালে ঘানার কাউমি নক্রুমা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিতে অর্থনীতি পড়ার জন্য ভর্তি হন।পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের বৃত্তি নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকালেস্টার কলেজে গমন করেন এবং সেখান থেকে স্নাতক সমাপ্ত করেন। ১৯৬১ থেকে ১৯৬২ সালে তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজ থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭১-৭২ সালে তিনি এমআইটি’র স্লোয়ান স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ‘স্লোয়ান ফেলো’ প্রোগ্রামের অধীনে ম্যানেজমেন্টে মার্স্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৬২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট অফিসার হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ এই দুই বছর তিনি ঘানার পর্যটন ব্যুরোর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০ সালে তিনি জেনেভাস্থ জাতিসংঘ রিফ্যুজি কমিশনের পার্সোনেল প্রধান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন দায়িত্বে কর্মরত থেকে ১৯৯৭ সালে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান হিসেবে জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিবের দ্বায়িত্ব নেন কফি আনান।

জাতিসংঘের মহাসচিব থাকাকালে ইরাক যুদ্ধ ও এইডস মহামারি- এ দুটি সংকটে পড়েছিল বিশ্ব। মহাসচিব থাকা অবস্থায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন আনান। দায়িত্ব নিয়ে প্রথমেই তিনি জাতিসংঘকে পুনর্গঠনের জন্য সুপারিশ করেন। ২০০৫ সালের সাধারণ সভায় তিনি সিকিউরিটি কাউন্সিল বিবর্ধিতকরণের সুপারিশ করেন। তাছাড়া আনান প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ যেটিকে সংক্ষেপে এমডিজি গোল বলে আখ্যায়িত করা হয়।

বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার পৃথক পৃথক বার্তায় জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব এবং শান্তিতে নোবেল জয়ী কফি আনানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ কফি আনানকে বিশ্বের অন্যতম একজন খ্যাতিমান কূটনীতিক হিসেবে উল্লেখ করেন ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: কফি আনানকে জাতিসংঘের সহজাত দক্ষতা সম্পন্ন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।


নির্বাচনী বছর হওয়ায় ৩০ লাখ পশু বেশি কোরবানি হবে

২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণ হবে- সাঈদ খোকন


এ বিভাগের আরো খবর...

একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে! একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে!
নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে? নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে?
জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে! জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে!
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন? মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন?
বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন? বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন?
কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে! কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে!
৮৩ বছরের বৃদ্ধকে নার্সের চড়? ৮৩ বছরের বৃদ্ধকে নার্সের চড়?
৬ হাজার বছর আগের বিড়ালের মমির সন্ধান! ৬ হাজার বছর আগের বিড়ালের মমির সন্ধান!
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে করা যাবে গাঁজা সেবন! বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে করা যাবে গাঁজা সেবন!

সর্বাধিক পঠিত

#মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে #মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে
বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের
একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময় একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময়
রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন
ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব
পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’ পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’
এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে
৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে ৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে
প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ছড়িয়ে দিল অন্য প্রবাসী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ছড়িয়ে দিল অন্য প্রবাসী
দীপবীরের বিয়ের ছবির অপেক্ষায় স্মৃতির খানিকটা মজা দীপবীরের বিয়ের ছবির অপেক্ষায় স্মৃতির খানিকটা মজা
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে