ঢাকা, নভেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখুন-জাতিসংঘ
রবিবার ● ২৬ আগস্ট ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখুন-জাতিসংঘ

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতিসংঘের ঢাকায় আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো বলেন,রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নজরদারি কার্যক্রম জারি রাখতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখুন।তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা কেন সীমানা পেরিয়ে এলো এবং তার জন্য মানবাধিকার বিষয়ে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার কথাটি বিশ্বমহলের কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

রোহিঙ্গা সংকটের বর্ষপূর্তিতে বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া সেপ্পো বলেন, এ সংকটকে ভুলে না যাওয়া নিশ্চিত করতে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে সব ধরনের সুযোগের সদ্ব্যবহার করা জরুরি।

কক্সবাজারে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা বাংলাদেশের কাঁধের ভার ভাগাভাগি করতে শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জীবিকা নির্বাহমূলক কর্মকাণ্ডে রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ত করতে রেডক্রসের মধ্যবর্তী পরিকল্পনার আহ্বানের সঙ্গে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তার মুখাপেক্ষী ১০ লাখ মানুষের চাহিদা অব্যাহতভাবে মিটিয়ে যাওয়া কঠিন।

তবে এই মধ্যবর্তী পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গে সংকটের সমাধান খুঁজতে এবং রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নজরদারি কার্যক্রম জারি রাখতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন তিনি।

‘রোহিঙ্গাদের যে ঘরে ফেরার অধিকার রয়েছে, সেটি ভুলে যাওয়া চলবে না। কক্সবাজারে ১০ লাখ রোহিঙ্গা নতুন একটি স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে না।’

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে শুরু হওয়া ব্যাপক সহিংসতা শুরু হয়, যাকে ‘জাতিগত নিধন অভিযান’ বলছে জাতিসংঘ। হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে সাত লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে।

ওই সংকট শুরুর দুই মাস পর অক্টোবরে জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয়ে যোগদানকারী নতুন সমন্বয়ক বলেন, সরকারের নেতৃত্বে জাতিসংঘ সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং স্থানীয় সংস্থাগুলোর সহায়তায় ‘ব্যাপক’ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলতে দেখেছেন তিনি।

‘যা অর্জিত হয়েছে তা যুগান্তকারী। শিবিরে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রাণহানি ঘটেনি; কোনো বড় মহামারী ছড়িয়ে পড়েনি। এখন পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমরা সফল হয়েছি। এটি আসলেই প্রশংসাযোগ্য।’

শরণার্থী শিবিরগুলো এখন অনেকটা সুসংগঠিত মন্তব্য করে জাতিসংঘ সমন্বয়ক বলেন, ‘সরকার বাস্তবেই শিবিরগুলোর ব্যবস্থাপনা কব্জায় আনতে শুরু করেছে।’

তবে এ শিবিরগুলো এখনও আন্তর্জাতিক মানবিক মানদণ্ডে পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন তিনি। তরুণ ও বয়স্কদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও জোর দেন তিনি, যাতে তারা যেখানেই থাকুক একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পারে।

তিনি বলেন, শিবিরগুলোতে অনেক গাদাগাদি করে মানুষ বাস করায় পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও সড়ক- সব ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

‘বাংলাদেশের এখন খুব দরকার বিশ্বমহলের অধিক সমর্থন। শরণার্থীর বোঝা ভাগাভাগি করার বিষয়ে আলোচনা এখনই দরকার।’

তবে সবার আগে সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে মিয়ানমারে, যেটিতে অব্যাহত নজর দিতে হবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শরণার্থীর বোঝা ভাগাভাগি করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারি।’

‘তবে তার বদলে কোনোভাবেই মিয়ানমারের ওপর চাপপ্রয়োগ থেকে সরে যাওয়া যাবে না। কারণ সমস্যার গোড়া সেখানে, সমাধান সেখানেই খুঁজতে হবে।’

কিছু রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পুনর্বাসনের সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মিয়া সেপ্পো বলেন, তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছেন, কীভাবে স্বেচ্ছায় এসব পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে এবং চরে তাদের জীবনযাত্রার সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


বাংলাদেশের খুব দরকার বিশ্বমহলের অধিক সমর্থন- জাতিসংঘ

৪ ওভারে ১ রান দিয়ে ইরফানের বিশ্বরেকর্ড


এ বিভাগের আরো খবর...

একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে! একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে!
নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে? নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামী কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে?
জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে! জলবায়ু পরিবর্তন পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাচ্ছে!
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন? মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই কেন?
বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন? বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন?
কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে! কুকুর মৃত মালিকের জন্য জন্য ৮০ দিন ধরে রাস্তায় বসে আছে!
৮৩ বছরের বৃদ্ধকে নার্সের চড়? ৮৩ বছরের বৃদ্ধকে নার্সের চড়?
৬ হাজার বছর আগের বিড়ালের মমির সন্ধান! ৬ হাজার বছর আগের বিড়ালের মমির সন্ধান!
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে করা যাবে গাঁজা সেবন! বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে করা যাবে গাঁজা সেবন!

সর্বাধিক পঠিত

ইউনাইটেড পাওয়ার ও  ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত ইউনাইটেড পাওয়ার ও ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত
#মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে #মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে
বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের
একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময় একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময়
রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন
ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব
পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’ পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’
এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে
৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে ৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে
প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ছড়িয়ে দিল অন্য প্রবাসী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ছড়িয়ে দিল অন্য প্রবাসী
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে