ঢাকা, মার্চ ২৭, ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ » সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
মঙ্গলবার ● ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২ চৈত্র ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক:“আমাদের পলিটিক্সটা যদি পুরোপুরি ঠিক হত, তাহলে বাংলাদেশের সব সেক্টর ঠিক রাখা যেত। এখানে আমাদের মূল সমস্যা।”সড়কে শৃঙ্খলা আনতে না পারার জন্য দেশের রাজনীতি ও রাজনীতিকদেরই দায়ী করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বুদ্ধিজীবী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এসব কথা বলেন।

বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের মুখে নানা পদক্ষেপ সরকার নিলেও সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছে না, যার জন্য মন্ত্রী হিসেবে কাদেরও রয়েছেন সমালোচনায়।

দুর্ঘটনার খবরে নিজের বেদনার্ত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “রাতে টিভি স্ক্রলে দুর্ঘটনার খবর দেখে সকালে আর পত্রিকা পড়ি না। পরে পড়ি। মনের উপর প্রতিক্রিয়া হয়, মন্ত্রী কি মানুষ নয়? এগুলো কি আমাকে আলোড়িত করে না? আমার জীবনে কি এসবের প্রতিক্রিয়া নেই?

“প্রতিদিন এত লোক মারা যাচ্ছে কেন? ছোট ছোট ব্যাটারিচালিত রিকশা, এ নগরীতে চলছে নতুন উপদ্রব; তারপর মোটর সাইকেল… কয়েকদিন আগে দেখলাম ১০ জন মারা গেছে। তারা সবাই মোটরসাইকেল চালক।”

মহাসড়কে দুর্ঘটনার জন্য ব্যাটারিচালিত ছোট অবৈধ যানগুলোকে দায়ী করলেও সেগুলোকে তুলতে না পারার জন্য রাজনীতিকদের দায়ী করেন মন্ত্রী।

“দেশে কয়েকশ ইজিবাইক কারখানা আছে; উৎসমুখ বন্ধ করতে পারিনি। চিঠি দিয়েছি, কথা বলেছি, মিটিংও করেছি, কিন্তু বাস্তবায়ন জিরো। মাঝে মাঝে অসহায় বোধ করি এ রকম কেন হয়।”

ইজিবাইক ২২টি সড়কে পুরোপুরি বন্ধ করতে পারলেও পুরোপুরি সফল হতে না পারার জন্য রাজনীতিকদের দায়ী করে তিনি বলেন, ““অন্যান্য (সড়কে) সরানো যেত, আমরা যদি জনপ্রতিনিধিরা… আমাদের দেশের অনেক পলিটিশিয়ান এসবের পেছনে আছে। তারা পেছনে থেকে মদদ দেন।”সড়কে শৃঙ্খলা অমান্যেও রাজনীতিকরা এগিয়ে বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

“ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডার দিয়ে কী হবে? উল্টা দিকে গ্যাপ থাকলে মা তার বাচ্চা নিয়ে লাফ দেয়। কেউ কথা শোনে না। ঢাকা সিটিতে কেউ নিয়ম কানুন মানে না। রেইকলেস চালকের সাথে রেইকলেস পথচারীরাও দায়ী।”

নিয়ম না মানার মানসিকতার পরিবর্তন না হলে মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু কিংবা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও তার সুফল পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা শহরে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে কাদের বলেন, “বাংলাদেশ বিশ্বে সমৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় আছে। তার সঙ্গে ঢাকা শহরের চিত্র.. এটা যে কী ভয়ঙ্কর!

“এত গরিব গরিব চেহারা, ছাল-বাকল উঠে গেছে, মা-বাবার দোয়া, আল্লার নামে চলিলাম; চলিতে চলিতে পদচারীর গায়ের উপর… এই তো অবস্থা হচ্ছে।”

ঢাকা শহরেরসহ দেশের অনেক সড়ক নিজের মন্ত্রণালয়ের অধীন না হলেও তার জন্য সমালোচনা শুনতে হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

অনেক হতাশা প্রকাশের পরও মন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি কিন্তু হাল ছাড়িনি, শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব, যতক্ষণ আমার হাতে দায়িত্ব আছে।”

সভায় লেখক-কলামনিস্ট আবুল মকসুদ বলেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইনটি পুনঃবিবেচনা করার পরামর্শ দেন।

“সেখানে অনেক ফাঁকফোকর আছে। সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। গত দুই বছরে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা কেন বাস্তবায়ন হয়নি, তা পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া উচিত।”

বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সোহাগ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক তালুকদার সোহেল বলেন, “ঢাকা শহরে গণপরিবহনে কোম্পানি করতে হবে, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে না পারার একটি কারণ প্রতিযোগিতা। ঢাকায় বৈধ পার্কিং স্থান, গণপরিবহনে হাইড্রলিক ডোর, রিকশায় লুকিং গ্লাস রাখতে হবে।”

নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, “লাইসেন্সধারী চালকরা ওভারটেকসহ আইন অমান্যের কারণে দুর্ঘটনা ঘটালে ১০ বছরের জেল দেওয়ার কথা বলছি।

“জানার পরও ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানো কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বা ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী চালক দুর্ঘটনা ঘটালে ৩০২ ধারার মামলার বিধান রাখার জন্য বলছি আমরা। এখানে ইনটেনশন আছে, জেনেশুনেই এটা করা হচ্ছে।”

সংসদের এই অধিবেশনেই আইন পাসের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা এ অধিবেশনে আইনটা পাস করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটাই শেষ অধিবেশন। আমি আশাবাদী।”


কেন বারবার কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করছে-বিএনপি?

মিস ইংল্যান্ড প্রতিযোগিতার ফাইনালে- হিজাব পরা নারী


এ বিভাগের আরো খবর...

জনবল নিয়োগ দেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি মন্ত্রণালয় জনবল নিয়োগ দেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি মন্ত্রণালয়
অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ! অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়োগ !
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির যোগ্যতা এইচএসসি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির যোগ্যতা এইচএসসি
যশোরে প্রথম সন্তানের ২৬ দিন পর জন্ম দিল আরও দুই সন্তান যশোরে প্রথম সন্তানের ২৬ দিন পর জন্ম দিল আরও দুই সন্তান
অপিতে বাংলাদেশের ২৫ মার্চ এর ইতিহাস অপিতে বাংলাদেশের ২৫ মার্চ এর ইতিহাস
কোন রাশির ছেলে মেয়ে কেমন? কোন রাশির ছেলে মেয়ে কেমন?
আজ কি আছে আপনার ভাগ্যচক্রে? আজ কি আছে আপনার ভাগ্যচক্রে?
বিটাকে চাকরি জন্য কিভাবে আবেদন করবেন? বিটাকে চাকরি জন্য কিভাবে আবেদন করবেন?
এপ্রিলেই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এপ্রিলেই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
কেকেআর কেড়ে নিলো সাকিবের জন্মদিনের উপহার কেকেআর কেড়ে নিলো সাকিবের জন্মদিনের উপহার

সর্বাধিক পঠিত

ঝড়ো হাওয়াসহ সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভবনা ঝড়ো হাওয়াসহ সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভবনা
মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুঃখজনক: তথ্যমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুঃখজনক: তথ্যমন্ত্রী
পাকিস্তানে আরও একবার হামলা চালাতে পারে- ভারত’ পাকিস্তানে আরও একবার হামলা চালাতে পারে- ভারত’
অন্যায়ের মাত্রা চরম আকার ধারণ করলে ছাত্ররা বসে থাকবে না: ভিপি নুর অন্যায়ের মাত্রা চরম আকার ধারণ করলে ছাত্ররা বসে থাকবে না: ভিপি নুর
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিরিয়ার বিক্ষোভ! ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিরিয়ার বিক্ষোভ!
স্বাধীনতার লক্ষ্য থেকে দেশ ষোলআনাই পথভ্রষ্ট : মান্না স্বাধীনতার লক্ষ্য থেকে দেশ ষোলআনাই পথভ্রষ্ট : মান্না
ট্রাম্পের উদ্যোগ বিশ্বকে অশান্ত করে তুলবে- সৌদি আরব ট্রাম্পের উদ্যোগ বিশ্বকে অশান্ত করে তুলবে- সৌদি আরব
কক্সবাজারে সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে শুটিংয়ে সব্যসাচী কক্সবাজারে সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে শুটিংয়ে সব্যসাচী
বঙ্গবন্ধুর স্বরণ করে কাঁদলেন ইসি- মাহবুব তালুকদার বঙ্গবন্ধুর স্বরণ করে কাঁদলেন ইসি- মাহবুব তালুকদার
জনবল নিয়োগ দেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি মন্ত্রণালয় জনবল নিয়োগ দেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি মন্ত্রণালয়
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করতে পারছে না কেন?
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্বে একটি রোল মডেল?
সীমাহীন দুর্নীতিগ্রস্ত বিমান
নানা সমস্যায় জর্জরিত ব্যাংকিং খাত!
উত্তপ্ত কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন!
দেশকে দ্রুত উন্নতির জন্য কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই!
প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর উন্নয়ন- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হবে!
খেলাপি ঋণে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই
৫ জনই ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকৃত অর্থেই নিতে হবে জিরো টলারেন্স