ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » অর্থ–শেয়ারবাজার » টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু
বুধবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক: দু’বছর আগেও বলা হতো, ‘জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন’।সেই টিকফার চতুর্থ বৈঠক আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে জিএসপি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না বলে জানা গেছে। মূলত টিকফার তৃতীয় বৈঠক থেকেই বিতাড়িত হয়েছে এই ইস্যু। গত বছর ১৭ মে ঢাকায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের আগ পর্যন্ত বলা হচ্ছিলো, জিএসপিই প্রধান ইস্যু। কিন্তু বৈঠক শেষে বাণিজ্য সচিব সুবাশীষ বসু জানালেন, জিএসপি নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনাই হয়নি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে বাজার সুবিধাই বাংলাদেশের অন্যতম স্বার্থ বলে এখনও মনে করে ব্যবসায়ী সমাজ।

২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৯৭ শতাংশ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) পেয়ে এসেছে। তবে এরমধ্যে পোশাক ছিল না। এজন্য জিএসপি সুবিধা নিয়ে রফতানির পরিমাণ সামান্যই ছিলো। কিন্তু ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসের দুই মাসের মাথায় ২৮ জুন জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে ধরিয়ে দেওয়া হয় ১৬টি শর্ত।

এর এক বছর পরে ২০১৪ সালে টিকফার প্রথম বৈঠকে জিএসপিই ছিল আলোচনার প্রথম বিষয়। এরপর ২০১৫ সালের দ্বিতীয় বৈঠকেও প্রাধান্য পায় জিএসপি। এ দু’টি বৈঠকেই বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৫ সালেই জিএসপি অ্যাকশন প্ল্যানের সব শর্ত পূরণ করে বাংলাদেশ। ওই বছরই বাণিজ্যমন্ত্রী একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন হয়ে যাবে।

এরপর গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময় বাণিজ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তখন বলেছিলেন, কেয়ামত পর্যন্ত কাজ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত শেষ হবে না। তারা একের পর এক শর্ত দিয়েই যাবে। পরে অবশ্য তিনি বলেছিলেন, আমরা আর জিএসপি চাইবো না।

গত ফেব্রুয়ারিতেও সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা করে না বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশ যতো শর্ত পূরণ করুক তারা দেবে না। তাদের জিএসপি আমাদের প্রয়োজন নেই। সারা পৃথিবীতে ৩৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি করে বাংলাদেশ।

জানা গেছে, বাংলাদেশ এখন বাজার সুবিধা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেদের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে বড় বিনিয়োগ চায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। এছাড়া পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডব্লিউটিও ধীরে ধীরে গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় বৃহৎ অর্থনীতির দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

আতিউর রহমান বলেন, আমি মনে করি, এবার টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশের দর কষাকষির ক্ষমতা অনেক বেশি থাকবে। জিএসপির সব শর্ত বাংলাদেশ পূরণ করেছে। জিএসপি না পেলেও বাংলাদেশ যেন অন্যান্য ইস্যুতে ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারে, সেই প্রত্যাশাই করছি।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তের অনেক বেশি পূরণ করেছি। বাংলাদেশে ৭২টি গ্রিন কারখানা আছে। এর অর্ধেক আছে এমন দেশ বিশ্বে আর একটি নেই। এই অবস্থায় জিএসপি আর চাইতে হবে কেন? যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব জিএসপিসহ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া।


খালেদার মুক্তির একটিই পথ, সেটি হল রাজপথ: মওদুদ

রাজধানীর গণপরিবহনে করে বাসায় ফিরলেন- তারানা হালিম


এ বিভাগের আরো খবর...

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বিনিয়োগ করবে নরওয়ের ফান্ড মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বিনিয়োগ করবে নরওয়ের ফান্ড
ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার
মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের নিম্নমুখি অব্যাহত মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের নিম্নমুখি অব্যাহত
চিনি উৎপাদন কম হতে পারে চিনি উৎপাদন কম হতে পারে
টালমাটাল শিল্প ধাতুর বাজার টালমাটাল শিল্প ধাতুর বাজার
মজুদ তিন বছরে দাম দুই মাসে সর্বোচ্চ মজুদ তিন বছরে দাম দুই মাসে সর্বোচ্চ
একমাসে রফতানি আয় কমেছে ৩৭ কোটি মার্কিন ডলার একমাসে রফতানি আয় কমেছে ৩৭ কোটি মার্কিন ডলার
তথ্য নেই খুলনা প্রিন্টিংয়ের তথ্য নেই খুলনা প্রিন্টিংয়ের
বস্ত্র খাতে মেশিনারিজ কিনবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল বস্ত্র খাতে মেশিনারিজ কিনবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

সর্বাধিক পঠিত

মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি আটক মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি আটক
১ অক্টোবর থেকে সভা-সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর থেকে সভা-সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া
ডিজিটাল আইনের নিবর্তনমূলক ধারা বাতিল চায়- সুজন ডিজিটাল আইনের নিবর্তনমূলক ধারা বাতিল চায়- সুজন
ছেলেবেলা থেকেই নেইমার আমার আদর্শ-রিশার্লিসন ছেলেবেলা থেকেই নেইমার আমার আদর্শ-রিশার্লিসন
ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে হামলায় নিহত ২৪ ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে হামলায় নিহত ২৪
অধিকার পুনোরুদ্ধার করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- কামাল অধিকার পুনোরুদ্ধার করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- কামাল
রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতিও নিতে হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতিও নিতে হবে
নরসিংদীতে ব্রহ্মপুত্রে নৌকা ডুবি, নিহত ৩ নরসিংদীতে ব্রহ্মপুত্রে নৌকা ডুবি, নিহত ৩
জিতের শহর কলকাতায় ‘নাকাব’৮৪টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে জিতের শহর কলকাতায় ‘নাকাব’৮৪টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে
ড. কামালের ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’র সমাবেশে ফখরুল ড. কামালের ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’র সমাবেশে ফখরুল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে
রোহিঙ্গা প্রশ্নে চীন-রাশিয়াকে-জাতিসংঘের কড়া হুুশিয়ারি!
খালেদা জিয়ার জামিন বহাল
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে নেপালে প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের জন্য যা পেয়েছি তা ভয়ংকর!
‘ট্যঁর দ্যে ফ্যাম’ রিপোর্ট: জার্মানিতে যৌনাঙ্গচ্ছেদে শিকার-৬৫হাজার নারী