ঢাকা, জানুয়ারী ২১, ২০১৯, ৮ মাঘ ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » অর্থ–শেয়ারবাজার » টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু
বুধবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ মাঘ ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক: দু’বছর আগেও বলা হতো, ‘জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন’।সেই টিকফার চতুর্থ বৈঠক আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে জিএসপি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না বলে জানা গেছে। মূলত টিকফার তৃতীয় বৈঠক থেকেই বিতাড়িত হয়েছে এই ইস্যু। গত বছর ১৭ মে ঢাকায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের আগ পর্যন্ত বলা হচ্ছিলো, জিএসপিই প্রধান ইস্যু। কিন্তু বৈঠক শেষে বাণিজ্য সচিব সুবাশীষ বসু জানালেন, জিএসপি নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনাই হয়নি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে বাজার সুবিধাই বাংলাদেশের অন্যতম স্বার্থ বলে এখনও মনে করে ব্যবসায়ী সমাজ।

২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৯৭ শতাংশ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) পেয়ে এসেছে। তবে এরমধ্যে পোশাক ছিল না। এজন্য জিএসপি সুবিধা নিয়ে রফতানির পরিমাণ সামান্যই ছিলো। কিন্তু ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসের দুই মাসের মাথায় ২৮ জুন জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে ধরিয়ে দেওয়া হয় ১৬টি শর্ত।

এর এক বছর পরে ২০১৪ সালে টিকফার প্রথম বৈঠকে জিএসপিই ছিল আলোচনার প্রথম বিষয়। এরপর ২০১৫ সালের দ্বিতীয় বৈঠকেও প্রাধান্য পায় জিএসপি। এ দু’টি বৈঠকেই বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৫ সালেই জিএসপি অ্যাকশন প্ল্যানের সব শর্ত পূরণ করে বাংলাদেশ। ওই বছরই বাণিজ্যমন্ত্রী একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন হয়ে যাবে।

এরপর গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময় বাণিজ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তখন বলেছিলেন, কেয়ামত পর্যন্ত কাজ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত শেষ হবে না। তারা একের পর এক শর্ত দিয়েই যাবে। পরে অবশ্য তিনি বলেছিলেন, আমরা আর জিএসপি চাইবো না।

গত ফেব্রুয়ারিতেও সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা করে না বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশ যতো শর্ত পূরণ করুক তারা দেবে না। তাদের জিএসপি আমাদের প্রয়োজন নেই। সারা পৃথিবীতে ৩৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি করে বাংলাদেশ।

জানা গেছে, বাংলাদেশ এখন বাজার সুবিধা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেদের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে বড় বিনিয়োগ চায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। এছাড়া পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডব্লিউটিও ধীরে ধীরে গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় বৃহৎ অর্থনীতির দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

আতিউর রহমান বলেন, আমি মনে করি, এবার টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশের দর কষাকষির ক্ষমতা অনেক বেশি থাকবে। জিএসপির সব শর্ত বাংলাদেশ পূরণ করেছে। জিএসপি না পেলেও বাংলাদেশ যেন অন্যান্য ইস্যুতে ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারে, সেই প্রত্যাশাই করছি।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তের অনেক বেশি পূরণ করেছি। বাংলাদেশে ৭২টি গ্রিন কারখানা আছে। এর অর্ধেক আছে এমন দেশ বিশ্বে আর একটি নেই। এই অবস্থায় জিএসপি আর চাইতে হবে কেন? যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব জিএসপিসহ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া।


খালেদার মুক্তির একটিই পথ, সেটি হল রাজপথ: মওদুদ

রাজধানীর গণপরিবহনে করে বাসায় ফিরলেন- তারানা হালিম


এ বিভাগের আরো খবর...

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে এ মাসেই মামলা- অর্থমন্ত্রী রিজার্ভ চুরির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে এ মাসেই মামলা- অর্থমন্ত্রী
জনতা ব্যাংক বিদেশে অর্থ পাচারের সাথে জড়ালো জনতা ব্যাংক বিদেশে অর্থ পাচারের সাথে জড়ালো
আন্তর্জাতিক বাজারে  চালের দাম কমতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে
কোম্পানির ফিলিং স্টেশন ওজনে কম  দিয়ে গ্রাহক ঠকাচ্ছে কোম্পানির ফিলিং স্টেশন ওজনে কম দিয়ে গ্রাহক ঠকাচ্ছে
ব্যাক টু ব্যাক এলসির তথ্য অনলাইনে ব্যাক টু ব্যাক এলসির তথ্য অনলাইনে
বিএসইসি : পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে বিডিংয়ের অনুমোদন বিএসইসি : পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে বিডিংয়ের অনুমোদন
জিম্বাবুয়েতেবিশ্বের সর্বোচ্চ দামে গ্যাসোলিন জিম্বাবুয়েতেবিশ্বের সর্বোচ্চ দামে গ্যাসোলিন
সভায় পাটমন্ত্রী : পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে সভায় পাটমন্ত্রী : পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে
দেশে যথেষ্ট উদ্বৃত্ত ও চালের মজুত আছে- বাণিজ্যমন্ত্রী দেশে যথেষ্ট উদ্বৃত্ত ও চালের মজুত আছে- বাণিজ্যমন্ত্রী
খেলাপি ঋণ বাড়বে না জানালেন নতুন: অর্থমন্ত্রী খেলাপি ঋণ বাড়বে না জানালেন নতুন: অর্থমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ- তথ্যমন্ত্রী এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ- তথ্যমন্ত্রী
শোয়েব মালিক বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন শোয়েব মালিক বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন
পাঁচ প্রতিষ্ঠানের পানি ‘মানহীন’ আদলতকে- বিএসটিআই পাঁচ প্রতিষ্ঠানের পানি ‘মানহীন’ আদলতকে- বিএসটিআই
নবম ওয়েজবোর্ড গঠনে ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে কমিটি নবম ওয়েজবোর্ড গঠনে ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে কমিটি
নোয়াখালীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষ নিহত ৪ নোয়াখালীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষ নিহত ৪
প্রতিবন্ধী কোটা আগের মতই আছে- শফিউল আলম প্রতিবন্ধী কোটা আগের মতই আছে- শফিউল আলম
রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে- মন্ত্রীসভা রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে- মন্ত্রীসভা
তালেবানের গাড়িবোমা হামলায় নিহত ১২ তালেবানের গাড়িবোমা হামলায় নিহত ১২
প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- ফখরুল প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- ফখরুল
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য পরিদর্শক নিহত হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য পরিদর্শক নিহত
বেআইনি ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিন
খাদ্যে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাটের কারণে, প্রতি বছর বিশ্বে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার ‘মন্ত্রীশূন্য’ কিশোরগঞ্জ
মন চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে!
সৈয়দ আশরাফ যে কবরে সমাহিত হবেন
ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের বাধা দূর করতে হবে?
মহাজোটের মহাজয়ে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ করুন!
নেইমারের সমালোচনায় পেলে
জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বব্যাংক-আইএফসি ২২ বিলিয়ন ডলার দিবে