ঢাকা, নভেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » অর্থ–শেয়ারবাজার » টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু
বুধবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

টিকফাতে নেই জিএসপি ইস্যু

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক: দু’বছর আগেও বলা হতো, ‘জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন’।সেই টিকফার চতুর্থ বৈঠক আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে জিএসপি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না বলে জানা গেছে। মূলত টিকফার তৃতীয় বৈঠক থেকেই বিতাড়িত হয়েছে এই ইস্যু। গত বছর ১৭ মে ঢাকায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের আগ পর্যন্ত বলা হচ্ছিলো, জিএসপিই প্রধান ইস্যু। কিন্তু বৈঠক শেষে বাণিজ্য সচিব সুবাশীষ বসু জানালেন, জিএসপি নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনাই হয়নি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে বাজার সুবিধাই বাংলাদেশের অন্যতম স্বার্থ বলে এখনও মনে করে ব্যবসায়ী সমাজ।

২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৯৭ শতাংশ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) পেয়ে এসেছে। তবে এরমধ্যে পোশাক ছিল না। এজন্য জিএসপি সুবিধা নিয়ে রফতানির পরিমাণ সামান্যই ছিলো। কিন্তু ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসের দুই মাসের মাথায় ২৮ জুন জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে ধরিয়ে দেওয়া হয় ১৬টি শর্ত।

এর এক বছর পরে ২০১৪ সালে টিকফার প্রথম বৈঠকে জিএসপিই ছিল আলোচনার প্রথম বিষয়। এরপর ২০১৫ সালের দ্বিতীয় বৈঠকেও প্রাধান্য পায় জিএসপি। এ দু’টি বৈঠকেই বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৫ সালেই জিএসপি অ্যাকশন প্ল্যানের সব শর্ত পূরণ করে বাংলাদেশ। ওই বছরই বাণিজ্যমন্ত্রী একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, জিএসপি না পেলে টিকফা অর্থহীন হয়ে যাবে।

এরপর গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময় বাণিজ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তখন বলেছিলেন, কেয়ামত পর্যন্ত কাজ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত শেষ হবে না। তারা একের পর এক শর্ত দিয়েই যাবে। পরে অবশ্য তিনি বলেছিলেন, আমরা আর জিএসপি চাইবো না।

গত ফেব্রুয়ারিতেও সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা করে না বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশ যতো শর্ত পূরণ করুক তারা দেবে না। তাদের জিএসপি আমাদের প্রয়োজন নেই। সারা পৃথিবীতে ৩৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি করে বাংলাদেশ।

জানা গেছে, বাংলাদেশ এখন বাজার সুবিধা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেদের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে বড় বিনিয়োগ চায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। এছাড়া পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডব্লিউটিও ধীরে ধীরে গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় বৃহৎ অর্থনীতির দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

আতিউর রহমান বলেন, আমি মনে করি, এবার টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশের দর কষাকষির ক্ষমতা অনেক বেশি থাকবে। জিএসপির সব শর্ত বাংলাদেশ পূরণ করেছে। জিএসপি না পেলেও বাংলাদেশ যেন অন্যান্য ইস্যুতে ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারে, সেই প্রত্যাশাই করছি।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তের অনেক বেশি পূরণ করেছি। বাংলাদেশে ৭২টি গ্রিন কারখানা আছে। এর অর্ধেক আছে এমন দেশ বিশ্বে আর একটি নেই। এই অবস্থায় জিএসপি আর চাইতে হবে কেন? যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব জিএসপিসহ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া।


খালেদার মুক্তির একটিই পথ, সেটি হল রাজপথ: মওদুদ

রাজধানীর গণপরিবহনে করে বাসায় ফিরলেন- তারানা হালিম


এ বিভাগের আরো খবর...

ইউনাইটেড পাওয়ার ও  ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত ইউনাইটেড পাওয়ার ও ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত
বিনিয়োগকারীরা ২৭ ক্যাটাগরিতে ১২৩টি সেবা পাবেন বিনিয়োগকারীরা ২৭ ক্যাটাগরিতে ১২৩টি সেবা পাবেন
ঋণখেলাপির তালিকায় নাম থাকায় সংসদ সদস্য হতে চান ঋণখেলাপির তালিকায় নাম থাকায় সংসদ সদস্য হতে চান
কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু
পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই
বিনিয়োগকারী সব স্টেকহোল্ডারের আলাদা আলাদা দায়িত্ব —বিএসইসি চেয়ারম্যান বিনিয়োগকারী সব স্টেকহোল্ডারের আলাদা আলাদা দায়িত্ব —বিএসইসি চেয়ারম্যান
হোন্ডার নতুন কারখানা উদ্বোধন মোনেম ইকোনমিক হোন্ডার নতুন কারখানা উদ্বোধন মোনেম ইকোনমিক
প্রথম ৯ মাসে : ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি রুপির চা রফতানি ভারতের প্রথম ৯ মাসে : ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি রুপির চা রফতানি ভারতের
জাপান-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদী জাপান-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদী
আগামীকাল থেকে আয়কর মেলা শুরূ আগামীকাল থেকে আয়কর মেলা শুরূ

সর্বাধিক পঠিত

জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল
ইউনাইটেড পাওয়ার ও  ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত ইউনাইটেড পাওয়ার ও ইউনাইটেড এনার্জি লি: ৯৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত
#মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে #মিটু অভিযোগ পেয়েই আমাজন শো থেকে বাদ দিল গুরসিমরান খাম্বাকে
বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে- কাদের
একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময় একনজরে জেনে টিভি পর্দার খেলার সময়
রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন রিশাদ,রবিউল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন
ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব ভোটের ২ থেকে ১০ দিন আগে সেনা মোতায়েন- ইসি সচিব
পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’ পুলিশের গাড়িতে আগুন: ২ যুবক ‘শনাক্ত’
এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি মুখ থুবড়ে পড়ল বিশ্বকাপে
৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে ৪৪৩ রানের লক্ষ্যে পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে