ঢাকা, নভেম্বর ২০, ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ন ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু » কলকাতায় মদ নিয়ে বিতর্ক এত বির্তক কেন?
সোমবার ● ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ন ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

কলকাতায় মদ নিয়ে বিতর্ক এত বির্তক কেন?

---বিবিসি২৪নিউজ,কলকাতা প্রতিনিধি:পশ্চিমবঙ্গ সরকার দু’ হাজারের বেশি মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক৷একদিকে চোলাই মদের রমরমা, রাজ্যের গরিব মানুষ বিষাক্ত মদ খেয়ে প্রাণ হারাচ্ছে৷

অন্যদিকে রাজ্যের ঋণ শোধের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা না পাওয়া৷ সব বিবেচনা করেই রাজ্য সরকার মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

প্রতি জেলায় প্রথমে একটি করে মদের রিটেল কাউন্টার খোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার৷ তারপরে নিজস্ব পানশালা নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে৷

অনেকেই ভ্রূ কুঁচকে প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি দক্ষিণের পথে হাঁটছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? অন্ধ্রপ্রদেশের আবগারি খাতে পশ্চিমবঙ্গের থেকে অনেক বেশি টাকা রাজস্ব আদায় হয় মদের জন্য৷

অন্ধ্রপ্রদেশে প্রতি লক্ষ মানুষের জন্য মদের দোকান সাড়ে ১০, এই সংখ্যাটা আরো বেড়েছে তামিলনাড়ুতে ও কর্নাটকে৷ তামিলনাড়ুতে ১১ এবং কর্নাটকে ১৫৷

দমদম বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দা পুষ্প সাহা অন্যের বাড়ি কাজ করেন৷ এমন সিদ্ধান্তের কথা শুনে পুষ্প রীতিমতো হতবাক৷

তিনি বলেন, ‘‘জানি না বাপু! আমার বর মদ খাবেই, তা সরকারি দোকান হোক বা না হোক!”

পুষ্পর স্বামী মাধবচন্দ্র সাহা, পেশায় রিকশাচালক৷ তিনি দিনান্তে দমদম রেলঝুপড়ির বস্তিতে বেআইনি মদের ঠেকে হাজির হন৷ তাঁর মতে, ‘‘দামটা কোথায় কম, আর কোন দোকানটা হাতের নাগালে, এ দুটোই আসল৷ সরকারি বা বেআইনি ওটা ব্যাপার না!

নিম্নআয়ের মানুষেরা কম খরচে নেশার ঝোঁকে চোলাইয়ের উপর নির্ভরশীল৷ ২০১১ সালের মগরাহাটের বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৭২-এ ঠেকেছিল৷

প্রশাসনের তরফে একের পর এক চোলাই মদের ভাটি ভাঙা হলেও ফের ছত্রাকের মতো গজিয়ে ওঠে এগুলি৷ এই ছবি রাজ্যের সর্বত্র৷

একটা সময় পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার মনে করত, কম দোকান থাকলেই মানুষের মদ খাওয়াটা আটকানো যাবে৷

কিন্তু ‘দ্য ব্যুরো অফ অ্যাপ্লায়েড ইকনমিক্স অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্স’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বৈধ দেশি মদের ক্রেতার চেয়ে প্রায় দেড়গুণ বেশি চোলাইয়ের ক্রেতা৷ কারণটাও স্বাভাবিক৷

মাধবের মতো প্রান্তিক সমাজের মানুষেরা সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর দূরের সরকারি মদের দোকানে যাওয়ার চেয়ে হাতের কাছে যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা অবৈধ দোকানই পছন্দ করেন৷

তাই কি এবার রাজ্যে যেখানে মদের দোকান নেই, সেই সব জায়গায় ২ হাজারের বেশি মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার? কিন্তু তাতেও কি সমস্যা মিটবে? নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্তা বললেন, ‘‘শুধুমাত্র মদের দোকান খুললেই সমস্যার সমাধান হবে না৷ বেআইনি মদের দামটাও কম৷

তাই থাকছে নাগালের মধ্যে৷ অন্যদিকে সরকারি দোকানে মদের সঙ্গে জুড়ছে সরকারি কর৷ তাই করের পরিমাণ কমিয়ে তা প্রান্তিক মানুষদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে৷ প্রতি বছর বাজেটে আবগারি কর বাড়িয়ে রাজ্য সরকার করছে এর উল্টোটা৷”

তৃণমূল নেতা নির্বেদ রায় বলেন, ‘‘কাছাকাছি বৈধ মদের দোকান না থাকায় গরিব মানুষ রেললাইনের পাশে বস্তিতে গিয়ে বেআইনি চোলাই মদ কিনে খান৷ এবার এটা সরকারি স্তরে খোলা হলে সেই প্রবণতা কতটা কমবে, সেটাই দেখার৷”

গতবছর এ রাজ্যে আবগারি শুল্ক থেকে আয় হয়েছিল ৭৮০০ কোটি টাকা, এই পরিসংখ্যান মাথায় রেখেই কি এবার এমন পরিকল্পনা?

বিশিষ্ট আইনজীবী ও কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষের মতে, ‘‘পাইকারি ব্যবসা নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে রাজ্য৷ খুচরো বিক্রেতারা যখন সরকারের থেকে মদ কিনছেন, তখন ঘুষ নিচ্ছেন সরকারি কর্মীরা৷ অথচ রাজ্য ভাবছে, মদের ব্যবসা গ্রামাঞ্চলে শুরু করা গেলে চার হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব মিলবে৷”

নির্বেদ রায় অবশ্য বলেন, ‘‘তিন লক্ষ কোটি টাকার ওপর সরকারের যে বিপুল ঋণ রয়েছে, সেটা মেটানোর জন্য রাজস্বের চেষ্টা তো করতে হবেই৷ তবে আমার মনে হয়, একটু সামাল দিয়ে তারপর এথিকস নিয়ে ভাবা উচিত৷

অরুণাভ ঘোষ এ ব্যাপারে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ কথাটা সরাসরিই জানালেন ডয়চে ভেলেকে৷ তিনি বলেন, ‘‘এই পদক্ষেপ সংবিধানের বিরুদ্ধে৷

আমাদের দেশে কোনো আইন সংবিধানের নির্দেশমূলক নীতির বিরুদ্ধে করা যায় না৷ রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত তাই অসাংবিধানিক৷ আমি পুজোর ছুটির পর এর বিরুদ্ধে মামলা করব৷”

শিক্ষামহলের অনেকেই মনে করছেন, ব্যাপারটা খুবই নেতিবাচক৷ ‘আমরা আক্রান্ত’ সংগঠনের মুখপাত্র অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র কিন্তু ব্যাপারটিকে একটা রাজনৈতিক পরিকল্পনা বলেছেন৷

তিনি বলেন, ‘‘নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার৷ বেকার যুবসমাজকে মদে মাতিয়ে রাখা হবে, তারা চাকরি চাইবে না৷

এই বাহিনীই বুথ দখল করে ভোটে জেতাবে শাসকদলকে৷ এর পরিণতিতে শুধু নৈরাজ্যই হবে না, রাজ্য ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে৷”

শিক্ষাবিদ তথা অধ্যাপিকা মিরাতুন নাহারের মতে, এটা একটা ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘যে দেশে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ভয়াবহ, সে দেশে নেশার জোগান দেওয়ার মতো প্রতিষ্ঠানের অভাব নেই৷

সরকারের উচিত ছিল সে সব নিয়ন্ত্রণ করা৷ সরকার যদি উদ্যোগ নিয়ে জেলায় জেলায় মদের জোগান দেয়, তাহলে বেকারত্ব, দারিদ্র্য ভুলতে মানুষ ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটবে৷

সরকার চাইছে মদের নেশায় বুঁদ হয়ে মানুষ জীবনের প্রধান চাহিদা, অধিকার ও অভাব ভুলে যাক এবং বিবেক, বুদ্ধি, হুঁশ হারিয়ে ফেলুক৷ এতে ক্ষমতাধারীদের সুবিধা, তারা আরো ক্ষমতা ভোগ করবে৷”

একই সুরে অধ্যাপক মহাপাত্র বলেন, ‘‘শিল্প, কারখানা, কর্মসংস্থান রাজ্য সরকারের কর্মসূচির মধ্যে নেই৷ শিক্ষার পরিকাঠামো যা আছে, সেগুলি ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে৷ মানুষকে বিভ্রান্ত করে মদের নেশায় মজিয়ে রাখতে চায় সরকার৷

এটা রাজ্যে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল৷ মদ খাইয়ে, ক্লাবগুলিকে টাকা দিয়ে সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হচ্ছে৷”

তাঁর মতে, ‘‘আগে পাইকারি ও খুচরো মদের ব্যবসা বেসরকারি সংস্থা চালাতো৷ এখন কমিটি গড়ে পাইকারি ব্যবসায় নেমেছে রাজ্য৷

এবার খুচরো ব্যবসায় নামছে৷ গ্রামে-গঞ্জে শাসকদল যুব সমাজকে মদের নেশায় বেঘোর করে রাখছে৷ নেশাগ্রস্ত মানুষকে বৈধতা দিতে খুচরো ব্যবসায় নামছে রাজ্য৷ কলকাতাকে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়, সেই গৌরব আর থাকবে না৷”

অরুণাভ ঘোষ মনে করিয়ে দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে নেশার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন৷ তিনি বলেন, ‘‘২০১১ সালে মমতা ক্ষমতায় এসেছেন৷

তিনি যখন বিরোধী নেত্রী ছিলেন, ২০১০ সালে অভিযোগ তুলেছিলেন, রাজ্যের বাম সরকার মদে ভাসিয়ে দিচ্ছে সমাজকে৷ তিনি ক্ষমতায় এলে এটা বন্ধ করবেন৷ অথচ এখন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বিপরীত কাজ করছেন৷”

এই প্রসঙ্গে আত্মসমালোচনার সুর শোনা যায় দীর্ঘদিন বামবিরোধী রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নির্বেদ রায়ের কথায়৷

তিনি বলেন, ‘‘বাম সরকার যখন বিজ্ঞাপন দিয়ে মদ বিক্রি করত, সে সময় আমরা সমালোচনা করেছি৷ কিন্তু এখন এটা বুঝি, লাইসেন্সহীন, বেআইনি মদের কারবার রুখতে একটা চেষ্টা চলছিল৷ সেটা সফল হয়নি৷”

সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর মত, ‘‘গ্রামের দিকে ছাত্র কম হলে স্কুল বন্ধ করে দিচ্ছে যে সরকার, সেই সরকার ঢালাও মদের দোকান খোলার বন্দোবস্ত করছে৷ মদের ব্যবসা সরকারি কাজ নয়৷

মদের ব্যবসা সরকারি কাজের মধ্যে দিয়ে সরকারের অকর্মণ্যতা স্পষ্ট করছে৷” তিনি আরো বলেন, ‘‘এখন পশ্চিমবাংলার চাইতে বিহার এগিয়ে গেল৷ হিংসা অথবা অপরাধ আটকাতে বিহার যেখানে মদ বন্ধ করে দিল, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ মদের বিক্রি বাড়াচ্ছে৷ এটা চূড়ান্তভাবে মানুষ-বিরোধী মনোভাব৷”

এই যুক্তি মানছেন না নির্বেদ৷ তাঁর বক্তব্য, ‘‘বিভিন্ন জায়গায় নিষেধ করলেও লুকিয়ে কাজটা হয়৷ বিহারেও তেমনই হয়৷ সেটা বিপজ্জনক৷ আমাদের পরিকাঠামো বা পুলিশ অপর্যাপ্ত৷ ফলে লুকিয়ে-চুরিয়ে কাজটা হচ্ছে, সেটা চিন্তার৷”

এভাবে ২০০০ দোকান খুলে সারা রাজ্যে মদ বিক্রি বাড়িয়ে দিলে সমাজে এর কী প্রভাব পড়তে পারে? সুজন চক্রবর্তীর মতে, ‘‘গ্রামের দিকে মহিলারা একজোট হয়ে মদের দোকান ভাঙতে চান৷

যেহেতু নেশার জেরে তাঁদের গার্হস্থ্য সঙ্কট বাড়ে৷ সরকার তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বদলে নেশায় প্রশ্রয় দিচ্ছে৷ মহিলাদের বিপদ আরও বাড়াচ্ছে৷”


ভোটের আগে সাঁড়াশি অভিযান-গায়েবি মামলা নিয়ে শঙ্কা

শরীরের ভেতরে গোপন ১২টি‘দেহঘড়ি’


এ বিভাগের আরো খবর...

কাঁকড়ার রক্ত ১১ লাখ টাকা প্রতি লিটার! কাঁকড়ার রক্ত ১১ লাখ টাকা প্রতি লিটার!
যে খাবার খেলে কমে আসে যৌন ক্ষমতা! যে খাবার খেলে কমে আসে যৌন ক্ষমতা!
বিবিসির ১০০ নারীর তালিকায় স্থান পেলেন বাংলাদেশের নারী! বিবিসির ১০০ নারীর তালিকায় স্থান পেলেন বাংলাদেশের নারী!
পশ্চিমবঙ্গের ‘‌বাংলা’‌ নাম বাংলাদেশের কারণে আটকে যাচ্ছে! পশ্চিমবঙ্গের ‘‌বাংলা’‌ নাম বাংলাদেশের কারণে আটকে যাচ্ছে!
এইডস এর ঝুঁকিতে ২৩ জেলা! এইডস এর ঝুঁকিতে ২৩ জেলা!
জামাল খাশোগি হত্যায় যুবরাজ সালমানের পরিণতি কী হতে পারে? জামাল খাশোগি হত্যায় যুবরাজ সালমানের পরিণতি কী হতে পারে?
যৌন মিলনের বিনিময়ে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি যৌন মিলনের বিনিময়ে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি
যে কারণে বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ে পুরুষরা যে কারণে বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ে পুরুষরা
যৌন হয়রানির মধ্যে কী কী পড়ে যৌন হয়রানির মধ্যে কী কী পড়ে
একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে! একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে চায় না মিয়ানমারে!

সর্বাধিক পঠিত

মা হতে চলেছেন অনুষ্কা শর্মা মা হতে চলেছেন অনুষ্কা শর্মা
নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ: ফখরুল নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ: ফখরুল
মেয়ের নাম জানালেন নেহা-অঙ্গদ মেয়ের নাম জানালেন নেহা-অঙ্গদ
ডিএমপি কমিশনার ও ইসি সচিবের শাস্তি দাবি- বিএনপির ডিএমপি কমিশনার ও ইসি সচিবের শাস্তি দাবি- বিএনপির
তেল দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল বাড়াতে চায় ভেনিজুয়েলা তেল দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল বাড়াতে চায় ভেনিজুয়েলা
পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১১ টাকা পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১১ টাকা
দীপিকা-রণবীর মুম্বইতে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, সহকর্মীদের জন্য পার্টি দেবেন দীপিকা-রণবীর মুম্বইতে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, সহকর্মীদের জন্য পার্টি দেবেন
ভারতের ৫৮ লাখ টন চাল রফতানি ৬ মাসে ভারতের ৫৮ লাখ টন চাল রফতানি ৬ মাসে
খালি গায়ে ঘর পরিষ্কার করে মাসিক আয় ৪ লাখ টাকা! খালি গায়ে ঘর পরিষ্কার করে মাসিক আয় ৪ লাখ টাকা!
কাঁকড়ার রক্ত ১১ লাখ টাকা প্রতি লিটার! কাঁকড়ার রক্ত ১১ লাখ টাকা প্রতি লিটার!
নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ-গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে