ঢাকা, নভেম্বর ১৩, ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
---
bbc24news.com
প্রথম পাতা » অর্থ–শেয়ারবাজার » খুলনা টেক্সটাইল পল্লী : প্লটের ক্রেতা পাবেন
সোমবার ● ২২ অক্টোবর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

খুলনা টেক্সটাইল পল্লী : প্লটের ক্রেতা পাবেন

---বিবিসি২৪নিউজ,অর্থনৈতিকপ্রতিবেদক:দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় বন্ধ থাকা খুলনা টেক্সটাইল মিলসের জমিতে একটি টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের উদ্যোগ অনেক দিনের। মামলাসহ বিভিন্ন  জটিলতায় বছরের পর বছর এ উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। দেড় যুগের বেশি সময় পর গত বছরের শেষের দিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে অগ্রগতি দেখা যায়।

নভেম্বরে পল্লীর ২৪টি প্লট বরাদ্দের জন্য দরপত্র আহ্বান করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন কিন্তু চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সাতটি দরপত্র বিক্রি হলেও সেগুলোর একটিও জমা দেয়া হয়নি।

এবার সেই ২৪টি প্লটই ‘যেখানে যে অবস্থায় আছে’ ভিত্তিতে বিক্রির জন্য গত মাসে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র কেনার শেষ দিন ছিল গতকাল।

আর সেগুলো জমা দেয়ার শেষ দিন আজ। আজই দুপুর সাড়ে ১২টায় উপস্থিত দরদাতাদের সামনে দরপত্র বাক্স এবং আগামীকাল দুপুর ১২টায় সিলমোহরকৃত দরপত্র খাম খোলার কথা।

মামলার কারণে খুলনা টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের প্রাথমিক উদ্যোগের পর দীর্ঘ ১৮ বছর প্রকল্পের কাজ ঝুলে ছিল। গত বছরের আগস্টে উচ্চ আদালতের আদেশে আইনি জটিলতা নিরসন হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে খুলনা টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের মাঠপর্যায়ের কাজ শুরুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

১৯৩১ সালে খুলনা নগরীর ছোট বয়রা এলাকায় ২৫ দশমিক ৬৩ একর জমির ওপর আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র কটন মিলের যাত্রা হয়। ১৯৬০ সালে এর নামকরণ হয় খুলনা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়।

১৯৯৯ সালে বন্ধ থাকা খুলনা টেক্সটাইল মিলসের জমিতে একটি টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পর ২০০১ সালে তত্কালীন সরকার প্রকল্পটি স্থগিত করে।

তবে ২০০৯ সালে বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে আবারো টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের কাজ শুরু হয়। কিন্তু মামলার কারণে তাও স্থগিত হয়ে যায়।

মিলের সঙ্গে রূপালী ব্যাংকের সোলেনামা মূলে বিরোধ নিষ্পত্তির পর প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত হয়। ব্যাংকের সমুদয় ঋণের অর্থ এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।

এর পরই মিলের প্রায় ২৬ একর জমির মধ্যে ১৮ দশমিক শূন্য ২ একরকে ৩৬টি শিল্প প্লটে ভাগ করে টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত ৪ দশমিক ৬১ একর জমি রাস্তা, মসজিদ, বিদ্যালয়, কবরস্থান, পার্ক ও ইউটিলিটি সার্ভিসের জন্য রাখা হয়। মিলের অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয় সাড়ে ৫ কোটি টাকা। ঠিক এমন সময় ২০১০ সালে মাহমুদ আলী মৃধা নামে ঢাকার এক ব্যবসায়ী মিলের কোটি টাকার শেয়ার দাবি করে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন (নম্বর ৯৮৮০/ ২০১০)।

ওই রিটের বিপরীতে ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খুলনা টেক্সটাইল মিলের শেয়ার হস্তান্তর করা থেকে সরকারকে বিরত থাকার অন্তর্বর্তী আদেশ দেন।

এর দীর্ঘদিন পর মামলাটি হাইকোর্টে বিচারপতি রেফাত আহমেদের বেঞ্চে পাঠানো হয়। সেখানে ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নতুন করে শুনানি শুরু হয়।

বাদীপক্ষের একাধিকবার সময় প্রার্থনার পর শুনানির একপর্যায়ে আবারো বেঞ্চ ভেঙে যাওয়ায় বিচারকাজ বিলম্বিত হয়। গত বছরের আগস্টে উচ্চ আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। পরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় ।


যুদ্ধজাহাজের ওপর ভেঙে পড়েছে হেলিকপ্টার

খাশোগি হত্যার সত্য ঘটনা প্রকাশ করবেন- এর্দোগান


এ বিভাগের আরো খবর...

কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু
পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই
বিনিয়োগকারী সব স্টেকহোল্ডারের আলাদা আলাদা দায়িত্ব —বিএসইসি চেয়ারম্যান বিনিয়োগকারী সব স্টেকহোল্ডারের আলাদা আলাদা দায়িত্ব —বিএসইসি চেয়ারম্যান
হোন্ডার নতুন কারখানা উদ্বোধন মোনেম ইকোনমিক হোন্ডার নতুন কারখানা উদ্বোধন মোনেম ইকোনমিক
প্রথম ৯ মাসে : ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি রুপির চা রফতানি ভারতের প্রথম ৯ মাসে : ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি রুপির চা রফতানি ভারতের
জাপান-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদী জাপান-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদী
আগামীকাল থেকে আয়কর মেলা শুরূ আগামীকাল থেকে আয়কর মেলা শুরূ
১৩০% নগদ লভ্যাংশ ঘোসনা - পদ্মা অয়েলের ১৩০% নগদ লভ্যাংশ ঘোসনা - পদ্মা অয়েলের
প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিতে জাপানকে টপকে শীর্ষে - চীন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিতে জাপানকে টপকে শীর্ষে - চীন
৯ হাজার টন চা রফতানি করছে - ইরান ৯ হাজার টন চা রফতানি করছে - ইরান

সর্বাধিক পঠিত

তৃতীয় দিন প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করছে জিম্বাবুয়ে তৃতীয় দিন প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করছে জিম্বাবুয়ে
বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের দুরবস্থা বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের দুরবস্থা
কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু
৩০ ডিসেম্বরের পর নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি ৩০ ডিসেম্বরের পর নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: সিইসি
পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই পুলিশ প্লাজায় ফ্লোর কিনবে এসিআই
বিএনপির কাছে যে ১০০ আসন চায় ঐক্যফ্রন্ট বিএনপির কাছে যে ১০০ আসন চায় ঐক্যফ্রন্ট
খাসোগির হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করবে- আমেরিকা খাসোগির হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করবে- আমেরিকা
সৎমায়ের কাছ থেকে পেশাদারত্ব শিখতে চাই-সারা সৎমায়ের কাছ থেকে পেশাদারত্ব শিখতে চাই-সারা
সৌদির বাদশাহ হচ্ছেন আহমেদ! সৌদির বাদশাহ হচ্ছেন আহমেদ!
পাকিস্তানের আসিয়া বিবিকে আশ্রয় দিতে চায়- কানাডা পাকিস্তানের আসিয়া বিবিকে আশ্রয় দিতে চায়- কানাডা
বহুল প্রত্যাশিত সংলাপে কি ছিল?
একটি অর্থবহ ও সফল সংলাপের প্রত্যাশা করছি
শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের: প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে কি?
নদীশাসনের দুর্বলতা বিঘ্নিত হচ্ছে নৌপথে চলাচল
শিল্পে গ্যাস সংযোগ না দেওয়া, আর্থিক ক্ষতির মুখে-সরকার
গুদামের খাদ্যদ্রব্য পাচারে-সক্রিয় চোর সিন্ডিকেট
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ৩০০ পৃষ্ঠার খসড়া অনুমোদন করেছে-ব্যাংকক
সড়ক শৃঙ্খলা-মূল সমস্যাটা রাজনীতিতেই: কাদের
বিশ্বের ভয়াবহ আবহাওয়া নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলছে
রোহিঙ্গা প্রশ্নে চীন-রাশিয়াকে-জাতিসংঘের কড়া হুুশিয়ারি!