শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

BBC24 News
সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১
প্রথম পাতা » আইন-আদালত | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » কক্সবাজারে প্রশাসন একাডেমির ৭০০ একর বনভূমি বরাদ্দ স্থগিত
প্রথম পাতা » আইন-আদালত | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » কক্সবাজারে প্রশাসন একাডেমির ৭০০ একর বনভূমি বরাদ্দ স্থগিত
১৩০ বার পঠিত
সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কক্সবাজারে প্রশাসন একাডেমির ৭০০ একর বনভূমি বরাদ্দ স্থগিত

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণ করতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন ঝিলংজায় ‘রক্ষিত বনভূমির’ ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়া তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনটি করেন আইনজীবী শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির। বাংলানিউজকে তিনি বলেন, তিনটি জাতীয় দৈনিকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেখি।

এর মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকে ‘৭০০ একর বনভূমি প্রশাসন একাডেমির জন্য বরাদ্দ’ শীর্ষক প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনি। আদালত তখন রিট করতে বলেন।

এরপর প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করি। ওই রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার আদালত রুল জারি করেছেন।
রুলে ওই বরাদ্দের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ভূমি সচিব ও জনপ্রশাসন সচিবকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তিন মাসের জন্য ওই বরাদ্দ স্থগিত করেছেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণ করতে ‘রক্ষিত বনভূমির’ ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন ঝিলংজা বনভূমির ওই এলাকা প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন। বন বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির আপত্তি উপেক্ষা করে ভূমি মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ দিয়েছে। বন বিভাগের দাবি, এই জমি তাদের।

১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ সরকার একে রক্ষিত বন ঘোষণা করে। বন বিভাগ এত বছর ধরে এটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে। বিপন্ন এশীয় বন্য হাতিসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্য প্রাণীর নিরাপদ বসতি এই ঝিলংজা বনভূমি। বন আইন অনুযায়ী, পাহাড় ও ছড়াসমৃদ্ধ এই বনভূমির ইজারা দেওয়া বা না দেওয়ার এখতিয়ার কেবল বন বিভাগের।

কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এ বনভূমিতে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা নিষেধ। এ কারণে বন বিভাগ থেকে ‘এই ভূমি বন্দোবস্তযোগ্য নয়’ উল্লেখ করে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দপত্রে দেশের অন্যতম জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বনভূমিকে অকৃষি খাসজমি হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় বলেছে, বরাদ্দ দেওয়া জমির ৪০০ একর পাহাড় ও ৩০০ একর ছড়া বা ঝরনা। তারা জমির মূল্য ধরেছে ৪ হাজার ৮০৩ কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা। কিন্তু একাডেমির জন্য প্রতীকী মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র ১ লাখ টাকা।

ভূমি মন্ত্রণালয় এলাকাটিকে অকৃষি খাসজমি দেখালে বন বিভাগ, বন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়ে আপত্তি তোলে। তারা জানায়, বন আইন অনুযায়ী ওই জমি বন বিভাগের আওতাধীন ‘রক্ষিত বনভূমি’ হিসেবে চিহ্নিত। ‘ওই জমি বন্দোবস্তযোগ্য নয়’ বলে একটি চিঠিও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরকে দেয় বন বিভাগ। ২০০১ সালে দেশের বনভূমির যে তালিকা করা হয়, তাতেও ঝিলংজা মৌজা বনভূমি হিসেবে আছে। সরকারের এই বিভাগ বিসিএস বন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত।

নথিপত্রে দেখা যায়, ২০১৮ সালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বঙ্গবন্ধু একাডেমি অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্টেশনের (বাপা) কার্যালয় নির্মাণের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে অনাপত্তিপত্র চায়। সংস্থাটি ওই বছরই ১৪টি শর্তে অনাপত্তিপত্র দেয়। পরিবেশ অধিদপ্তর মূলত প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এর মহাপরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর পরিচালকেরা প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য।

কিন্তু বন বিভাগ ভূমি মন্ত্রণালয়কে লেখা তাদের চিঠিতে বলেছে, ১৯৯০ সালে জারি করা ভূমি মন্ত্রণালয়েরই একটি পরিপত্রে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড় ও পাহাড়ের ঢাল বন্দোবস্তযোগ্য নয় এবং ওই জমি মূলত বন বিভাগ বনায়নের জন্য ব্যবহার করবে। বন আইন অনুযায়ী, এ ধরনের রক্ষিত বনে কোনো ধরনের স্থাপনা করা নিষিদ্ধ।

কক্সবাজারভিত্তিক পরিবেশ সংগঠন ইয়েস ওই বনভূমি ইজারা না দেওয়ার দাবি জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দিয়েছিল। তাতে বলা হয়, সেখানে ৫৮ প্রজাতির বৃক্ষ আছে। এর মধ্যে আছে গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, মোস, কড়ই, বাটনা, ভাদি, বহেরাসহ অনেক দুর্লভ প্রজাতি। এছাড়া বন্য প্রাণীর মধ্যে আছে এশীয় বন্য হাতি, বানর, বন্য শূকর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও পাখি।

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকার কাছে সাভারে বাংলাদেশ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার (বিপিএটিসি) আছে।



আর্কাইভ

বিশ্বে অস্ত্র প্রতিযোগিতার নতুন সংকেত দিচ্ছে চীন?
সুদানে সেনাঅভ্যুত্থান, প্রধানমন্ত্রী গৃহবন্দী
ভারতকে ১০ উইকেটে হারালেন পাকিস্তান
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘তড়িৎ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে-আইনমন্ত্রী
স্বামীকে হত্যার পর শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে পাতিলে রাখেন স্ত্রী
আমেরিকাসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু তুরস্কের
মিয়ানমার আবারও রাখাইনে অভিযান চালানো পরিকল্পনা করছে-জাতিসংঘ
বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে পৃথিবীর নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রংপুরে সাম্প্রদায়িক হামলা-অগ্নিসংযোগের অন্যতম হোতা গ্রেফতার
মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বিদেশি শ্রমিকেরা