শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » বাংলাদেশে মহামারীকালে চাকরি হারিয়েছেন ৮৭ শতাংশ শ্রমিক, ৭% বেকার, আয় কমেছে ৮%
বাংলাদেশে মহামারীকালে চাকরি হারিয়েছেন ৮৭ শতাংশ শ্রমিক, ৭% বেকার, আয় কমেছে ৮%
বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকাঃ করোনা মহামারীকালে লকডাউনে ঢাকা শহরের পরিবহন, দোকান-পাট এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে চাকরি হারিয়েছেন ৮৭ শতাংশ শ্রমিক। চাকরি হারানো শ্রমিকদের ৭ শতাংশ এখনও বেকার এবং গড়ে তাদের আয় কমেছে ৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিলস্ এর ‘ঢাকা শহরের পরিবহন, দোকান-পাট এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিকদের উপর সাম্প্রতিক লকডাউনের প্রভাব নিরূপণ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির বিলস্ সেমিনার হলে আয়োজিত গবেষণা ফলাফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন বিলস্ উপ-পরিচালক (গবেষণা) মো. মনিরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিলস্ ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল হক আমিন, পরিচালক কোহিনূর মাহমুদ এবং নাজমা ইয়াসমীন।
গবেষণায় দেখা গেছে, লকডাউনে (গত বছরের ৫ এপ্রিল থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত) চাকরি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৮৭ শতাংশ শ্রমিক। সবচেয়ে বেশি পরিবহন খাতের শ্রমিকদের ৯৫ শতাংশ, দোকান পাট শ্রমিকদের ৮৩ শতাংশ এবং হোটেল-রেস্তোরা খাতের শ্রমিকদের ৮২ শতাংশ কর্মসংস্থান হারান। লকডাউন পরবর্তী সময়ে ৯৩ শতাংশ শ্রমিক চাকরিতে পুনর্বহাল হয়েছেন, ৭ শতাংশ শ্রমিক এখনও বেকার রয়েছেন।
ফলো করুন-
তবে লকডাউন সময়ে এসব খাতে খণ্ডকালীন শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বেড়েছিল ২১৫ শতাংশ। এছাড়াও লকডাউনে তিনটি খাতে কার্যদিবস কমেছিল ৭৩ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি ৯২ শতাংশ কার্য দিবস কমেছে পরিবহন খাতে। লকডাউন পরবর্তী সময়ে অবশ্য কাজের চাপ বেড়েছে, কার্যদিবস এবং কর্মঘণ্টা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, লকডাউনে তিনটি খাতের শ্রমিকদের আয় গড়ে ৮১ শতাংশ কমেছে। সবচেয়ে বেশি পরিবহন খাতের শ্রমিকদের ৯৬ শতাংশ এবং হোটেল-রেস্তোরা খাতের শ্রমিকদের আয় কমেছে ৮৩ শতাংশ।
যেখানে লকডাউনের আগে মাসিক গড় আয় ছিল ১৩৫৭৮ টাকা, সেটা লকডাউন সময়ে নেমে এসেছিল ২৫২৪ টাকায় এবং লকডাউন পরবর্তী সময়ে আয় দাঁড়িয়েছে ১২৫২৯ টাকা। অর্থাৎ লকডাউন পরবর্তী সময়েও ৮ শতাংশ আয়ের ঘাটতি থাকছে।
লকডাউনে শ্রমিকদের পরিবারে আয় এবং ব্যয়ের ঘাটতি ছিল প্রায় ৭৭ শতাংশ, সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ পরিবহন খাতের এবং সর্বনিম্ন ৪৬ শতাংশ রয়েছে খুচরা দোকান বিক্রেতা খাতের শ্রমিক পরিবারের।
২০ শতাংশ শ্রমিক পরিবার সম্পত্তি বিক্রয়, খাবার কমিয়ে দেওয়া এবং সন্তানদের কাজে পাঠানোর মাধ্যমে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করেছেন। এছাড়া ৮০ শতাংশ শ্রমিক পরিবার ধার করে এবং সঞ্চয় কমিয়ে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করছেনলকডাউন পরবর্তী সময়ে সঞ্চয় কমেছে ৬৪ শতাংশ এবং সঞ্চয়কারীর সংখ্যা কমেছে ৫০ শতাংশ।
এছাড়া লকডাউনে উল্লেখিত তিনটি খাতের শ্রমিকদের মাত্র ১ শতাংশেরও নিচে সরকারি বিভিন্ন সহায়তা পেয়েছেন। তারমধ্যে রয়েছে কম মূল্যে খাদ্য সহায়তা এবং নগদ টাকা। গবেষণা অনুযায়ী ৩৬ শতাংশ শ্রমিক কোভিডের টিকা নিয়েছেন এবং ৬৪ শতাংশ শ্রমিক এখনো টিকার আওতার বাহিরে রয়েছেন।এসময় বেসরকারি খাতে কর্মরত শ্রমিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেস প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা; একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনার আওতায় বেসরকারিখাতের শ্রমিকদেরকে ক্রমান্বয়ে পেশা উল্লেখসহ পরিচয়পত্র প্রদান; দুর্যোগকালীন সময়ে বেসরকারিখাতে কর্মরত শ্রমিকদেরকে সহায়তার জন্য একটি সঠিক ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রণয়নসহ করোনা মহামারীর বাস্তবতায় বেসরকারিখাতে নিয়োজিত পরিবহন শ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরা শ্রমিক, এবং দোকান শ্রমিকদেরকে সুরক্ষার জন্য ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।




আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক
নির্বাচনী জোটে ১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি
মধ্যপ্রাচ্যের পথে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’
ইইউতে তৈরি পোশাকের বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ
ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে হামলা চালাতে সব প্রস্তুতি নিচ্ছে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র
গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার হাতে থাকলে ন্যাটো অনেক বেশি শক্তিশালী হবে: ট্রাম্প 