শিরোনাম:
●   বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ●   পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়, বিদায়ী ভাষনে: গুতেরেস ●   আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের ●   নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’ ●   রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের ●   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ●   জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ●   রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ ●   জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস ●   জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

BBC24 News
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » আইইডিসিআরে কল এসেছে ৫ লাখ, পরীক্ষার অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা !
প্রথম পাতা » সম্পাদকীয় » আইইডিসিআরে কল এসেছে ৫ লাখ, পরীক্ষার অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা !
১৬৮৫ বার পঠিত
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আইইডিসিআরে কল এসেছে ৫ লাখ, পরীক্ষার অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা !

---আশরাফ আলী:  স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সেবা পেতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআরের নির্ধারিত ফোন নম্বরে কল এসেছে প্রায় ৫ লাখ । এ পর্যন্ত আইইডিসিআরে মাত্র অল্পসংখ্যাক জনের মতো ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ রোগ সংক্রমণের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাচ্ছে না। বর্তমানে দেশে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটে (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাস নির্ণয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে করোনা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অধিকাংশই পরীক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

অর্থাৎ এদের একটি ক্ষুদ্র অংশেরই কেবল পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়েছে। বাকি বিশাল অংশ রয়ে গেছে পরীক্ষার বাইরে। ফলে এমন ধারণা করা অমূলক হবে না যে, সারা দেশে আরও অনেক করোনা সংক্রমিত রোগী রয়েছেন, যাদের রোগ নির্ণয় করাই সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এসব ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে আরও অনেকে করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন।

বস্তুত এভাবেই রোগটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাই যারা করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসেন, তাদের প্রত্যেককেই পরীক্ষার আওতায় আনা প্রয়োজন। কিন্তু দেশে যদি করোনাভাইরাসের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে কীভাবে তা সম্ভব হবে? এ কারণে আমরা আগেই বলেছিলাম, দেশে করোনাভাইরাস নির্ণয়ের ব্যবস্থা আরও বাড়াতে হবে এবং তা জরুরিভিত্তিতে।

আশার কথা, দেশে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে একটি কিট উদ্ভাবন করেছে। এটি তৈরির কাঁচামাল আমদানির অনুমোদনও দিয়েছে সরকার। তবে তা আসতে আরও হয়তো সপ্তাহখানেক লেগে যাবে। আসার পর সরকার সেটা যাচাই-বাছাই করবে। এরপর তা বাজারে ছাড়তে ছাড়তে হয়তো মাসখানেক লেগে যাবে। ততদিনে দেশে করোনা পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা কারও জানা নেই।

মনে রাখতে হবে, করোনা মোকাবেলায় সবার আগে দরকার রোগটি নির্ণয়ের ব্যবস্থা। দেশজুড়ে এ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তাই করোনা পরীক্ষার বিকল্প ব্যবস্থারও অনুসন্ধান করা উচিত বলে মনে করি আমরা। ইতিপূর্বে চীন এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহায়তা করার কথা বলেছিল। চীন, রাশিয়াসহ যেসব দেশ দক্ষতার সঙ্গে করোনা মোকাবেলায় সক্ষম হচ্ছে, সরকার তাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে।



আর্কাইভ

নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’
জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস
জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ৬জি জোটে যোগ দিল ভারত
বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়াসহ আরও কী কী করা যাবে না