শিরোনাম:
●   রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চান তারেক রহমান ●   জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির ●   বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন : প্রধানমন্ত্রী ●   ট্রাম্প-সি বৈঠকে যে-সব অর্জন হয়েছে ●   প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন ●   বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ●   পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়, বিদায়ী ভাষনে: গুতেরেস ●   আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের ●   নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’ ●   রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

BBC24 News
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » ঘরে খাবার নেই নিম্ন আয়ের মানুষের
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » ঘরে খাবার নেই নিম্ন আয়ের মানুষের
১৬৮৪ বার পঠিত
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঘরে খাবার নেই নিম্ন আয়ের মানুষের

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা:করোনাভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতে হামিদা বেগমের আয়ের পথ বন্ধ। সহায়তার আশায় অপেক্ষা করছেন তিনি। করোনাভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতে হামিদা বেগমের আয়ের পথ বন্ধ। সহায়তার আশায় অপেক্ষা করছেন তিনি। মানুষের উপার্জন ও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলেছে করোনাভাইরাস। দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে নেমে গেছেন ৮৯ শতাংশ মানুষ। ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে কোনো খাবারই নেই। উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের এক জরিপে এসব তথ্য উঠে আসছে।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্র্যাক জানায়, দেশের ৬৪ জেলায় ২ হাজার ৬৭৫ জন নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে জরিপ পরিচালনা করা হয়। গত ৩১শে মার্চ থেকে ৫ই এপ্রিলের মধ্যে এ জরিপ পরিচালিত হয়। করোনাভাইরাসের স্বাস্থ্যগত দিকগুলো সম্পর্কে নিম্নআয়ের মানুষের উপলব্ধি এবং এর অর্থনৈতিক সংকট সম্পর্কে ধারণা পেতে জরিপটি পরিচালিত হয়।

ব্র্যাকের জরিপে বলা হয়, নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধের পদক্ষেপের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৯ শতাংশ দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে নেমে গেছেন। করোনাভাইরাসের পূর্বে আয়ের ভিত্তিতে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২৪ শতাংশ ছিলেন দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে এবং ৩৫ শতাংশ ছিলেন দারিদ্র্যরেখার ঊর্ধ্বসীমার নিচে। অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতে চরম দারিদ্র্য আগের তুলনায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

করোনা মহামারির আগে জরিপে অংশ নেওয়া ২ হাজার ৬৭৫ জনের গড় আয় ছিল ১৪ হাজার ৫৯৯ টাকা। যাদের মধ্যে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছে এই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর তাদের আয় কমেছে। মার্চ ২০২০ এ এসে তাদের গড় আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৪২ টাকায়। অর্থাৎ তাদের পারিবারিক আয় ৭৫ শতাংশের মতো কমে এসেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম (৮৪ শতাংশ), রংপুর (৮১ শতাংশ) এবং সিলেট বিভাগের (৮০ শতাংশ) মানুষের আয় কমেছে সবচেয়ে বেশি।

সরকারি ছুটি বা সামাজিক দূরত্বের কারণে ৭২ শতাংশ মানুষ কাজ হারিয়েছেন বা তাঁদের কাজ কমে গেছে। ৮ শতাংশ মানুষের কাজ থাকলেও এখনো তারা বেতন পাননি। কৃষিকাজে সম্পৃক্তদের (৬৫ শতাংশ) তুলনায় অ-কৃষিখাতের দিনমজুর বেশি (৭৭ শতাংশ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫১ শতাংশ রিকশাচালক, ৫৮ শতাংশ কারখানা শ্রমিক, ৬২ শতাংশ দিনমজুর, ৬৬ শতাংশ হোটেল/রেস্তোরাঁকর্মী জানান- চলতি মাসে তাঁদের আয় নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে কোনো খাবারই নেই। ২৯ শতাংশের ঘরে আছে ১ থেকে ৩ দিনের খাবার।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় সে বিষয়েও ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতার স্পষ্ট ধারণা নেই। এ ছাড়া করোনা সংক্রমণের লক্ষণ (জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সরাসরি চলে না আসার যে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়েও ধারণা নেই অধিকাংশের। শতকরা ৫৩ জন উত্তরদাতা বলেছেন প্রতিবেশীর এসব লক্ষণ দেখা দিলে তাঁকে শহরের হাসপাতাল বা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেবেন। মাত্র ২৯ শতাংশ হেল্প লাইনে ফোন করার কথা বলেছেন।

করোনাভাইরাস সম্পর্কে শুনেছেন শতকরা ৯৯ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ। যার মধ্যে ৬৬ ভাগ মানুষ প্রথম বিষয়টি জেনেছেন টেলিভিশন থেকে। মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশন করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাব্য উপায়। আক্রান্ত হলে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে এ বিষয়ে নারীদের (৩৮ শতাংশ) চেয়ে পুরুষদের (৬০ শতাংশ) ধারণা বেশি। ৪৮ শতাংশ মানুষ মনে করে সরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯-এর রোগীর চিকিৎসা হয় না। এ ছাড়া ৯ শতাংশ মানুষ জানেনই না এই অবস্থায় কী করা উচিত।খাদ্য সহায়তার অপেক্ষায় এই দুই বৃদ্ধা। ব্র্যাকের এ জরিপে সরকারের পদক্ষেপের বিষয়েও মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ৬৮ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের সাধারণ ছুটির ঘোষণাকে সমর্থন করেন এবং শতকরা ৭ ভাগ তা সমর্থন করেন না। ছুটি বিষয়ে সাধারণ মতামত হলো, সরকারি ছুটি গড়ে ২২ দিন হতে পারে। এর মধ্যে ৬৪ ভাগ মানুষ ১৪ দিনের বেশি ছুটির পক্ষে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট বলে মনে করেন ৬৪ শতাংশ মানুষ। বাকিদের মধ্যে ৩১ শতাংশ গ্রামের মানুষ এবং ৪০ ভাগ শহরের মানুষ এই ধারণাকে সমর্থন করেননি। মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ (যাদের বেশির ভাগের বাস শহরে) জরুরি ত্রাণ পেয়েছেন বলে জানান (৫ এপ্রিল পর্যন্ত) । এ পরিস্থিতিতে সরকারের খাদ্য সহায়তা জরুরি বলে মনে করেন ৪৭ শতাংশ মানুষ। যেখানে শতকরা ২০ ভাগ চান নগদ অর্থ সহায়তা । শহরের মানুষের (৪৪ শতাংশ) চেয়ে গ্রামের মানুষেরাই (৫০ শতাংশ) খাদ্য সহায়তার পক্ষে বেশি মত দেন।

এই পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে তা জানে না ৩৬ শতাংশ মানুষ। ২৩ শতাংশ আশা করেন (যার মধ্যে নারী ৩৮%) এই পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হলে সরকার তাঁদের সহায়তা করবে। শহরের মানুষ গ্রামের মানুষের চেয়ে সরকারি সহায়তার ব্যাপারে বেশি আশাবাদী। যদি পরিস্থিতি খুব সহসাই স্বাভাবিক না হয়, তাহলে ধার দেনার চিন্তা করছেন ১৯ ভাগ মানুষ।

জরিপে উঠে আসা অবস্থার প্রেক্ষিতে ব্র্যাক কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে এর ব্যবস্থাপনার জন্য করণীয় সম্পর্কে পৃথক, বড় আকারের প্রচারাভিযান চালাতে হবে। সামাজিক দূরত্বের পদক্ষেপ সঠিক বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী খাদ্য সংকটে পড়া মানুষের কাছে দ্রুতই খাদ্য পৌঁছাতে হবে নয়তো তাঁদের ঘরে রাখা সম্ভব হবে না। জীবিকা অর্জনে তাঁরা বাইরে বের হতে বাধ্য হবেন। শহর থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ গ্রামে ফিরে গেছেন যাঁরা গ্রামকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত নন। তাঁদের কাছে জরুরি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি বোরো ধান কাটা শুরু হবে যা চলবে মে মাসের শেষ পর্যন্ত। এ সময় কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং সঠিক দাম পান সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আগাম ধান ক্রয় অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে। গ্রাম থেকে শহরে সবজি, দুধ-ডিম-মাছসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে গ্রামে এসবের দাম কমে গেছে। খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে স্বাভাবিক থাকে সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। এ ছাড়া সংকট পরবর্তী সময়ে গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের অধিবেশে আজ সভাপতি হিসেবে শপথ নেবেন ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের অধিবেশে আজ সভাপতি হিসেবে শপথ নেবেন ড. খলিলুর রহমান
বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ
জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
যে কারনে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশ যে কারনে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশ
জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা তারেক রহমানের বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা তারেক রহমানের
রূপপুরের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসবে নভেম্বরে রূপপুরের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসবে নভেম্বরে
নবম পে-স্কেলে: সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নবম পে-স্কেলে: সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

আর্কাইভ

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির
ট্রাম্প-সি বৈঠকে যে-সব অর্জন হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন
নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’
জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস
জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা