শিরোনাম:
●   রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চান তারেক রহমান ●   জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির ●   বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন : প্রধানমন্ত্রী ●   ট্রাম্প-সি বৈঠকে যে-সব অর্জন হয়েছে ●   প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন ●   বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ●   পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়, বিদায়ী ভাষনে: গুতেরেস ●   আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের ●   নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’ ●   রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের
ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

BBC24 News
বুধবার, ১৮ মে ২০২২
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে পর্যটনে সুবিধা হোক, সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে পর্যটনে সুবিধা হোক, সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী
৮৬৪ বার পঠিত
বুধবার, ১৮ মে ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশে পর্যটনে সুবিধা হোক, সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী

---বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের পর্যটন এলাকাগুলোতে পর্যটকদের জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন।

বুধবার কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত বহুতল ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই ভূখণ্ড রক্ষায় সবার দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি বাংলাদেশের দিকে তাকাই, তাহলে এই সমুদ্রসীমা, পাহাড় সবকিছু মিলিয়ে অত্যন্ত চমৎকার একটি ভুখণ্ড আমরা পেয়েছি, যেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন।

“এই ভূখণ্ডকে আকর্ষণীয় করা, উন্নত করা এবং এর প্রাকৃতিক পরিবেশটা রক্ষা করা- এটা আমাদের সকলেরই একান্তভাবে প্রয়োজন।”

কোভিড মহামারীতে পর্যটনের ক্ষতি হলেও ওই সময়ে কক্সবাজারের ভিড় কমায় প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ভালো কিছু্ও যে হয়েছে, সে কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “একটা উপকার আমরা পেয়েছি। যেহেতু কোনো পর্যটক সেখানে যেতে পারে নাই, কক্সবাজারে হারিয়ে যাওয়া লাল কাঁকড়া, সেগুলো যেমন ফিরে এসেছে, কিছুদিন ডলফিনও দেখা গেছে, আমাদের কাছিমগুলো, তাদের প্রজনন ক্ষেত্র ছিল সেগুলোও কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছিল।”

সৈকতে লাল কাঁকড়ার বসবাসের জায়গা এবং কাছিমের প্রজননক্ষেত্রগুলো বেড়া দিয়ে সংরক্ষণ করতে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও অনুষ্ঠানে জানান প্রধানমন্ত্রী।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পর্যটকদের জন্য ব্যবস্থা থাকবে, সাথে সাথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো যেন নষ্ট না হয়।”

ছোটবেলায় সৈকতে লাল কাঁকড়ার পেছনে ছোটার গল্প অনুষ্ঠানে শুনিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কোনোদিন ধরতে পারিনি। এরা এত চালাক থাকত, দৌড়াতে দৌড়াতে কখন যে গর্তে ঢুকে যেত…। চেষ্টা করেছি বের করতে, কিন্তু কখনো পারিনি। এই স্মৃতিগুলো ভুলব কি করে!”

কক্সবাজারকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারবাসীর উদ্দেশে বলেন, “যেখানে সেখানে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে কোনো স্থাপনা আপনারা করবেন না।”

কক্সবাজারের সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগ ও পরিকল্পনার কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরো কক্সবাজারকে ঢেলে সাজাতে ‘মাস্টারপ্ল্যান’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “এর উন্নয়নটা অপরিকল্পিতভাবে না হয়ে যেন মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী হয়, আর আমাদের এই যে বিশাল সমুদ্রসীমা রয়েছে, এটাতে পর্যটনের ক্ষেত্রটা আরও প্রসারিত করা, আমার দেশি পর্যটকদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা পাশপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকের জন্যও আকর্ষণীয় করা। এই উদ্যোগটাই আমরা নিতে চাচ্ছি।”

সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ঘরহারা বহু মানুষ কক্সবাজারের একটা বস্তিতে বসবাস করা শুরু করেছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষগুলোর পুনর্বাসনের জন্য সরকার তাদের খুরুশকুলে বহুতল ভবন নির্মাণ করে দেয়।কক্সবাজারের মৎস্যজীবীদের জন্য আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও উন্নতমানের শুঁটকির হাট করার পরিকল্পনার কথাও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন।

কক্সবাজারে লবণ চাষ এবং চাষীদের জন্য সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারই ক্ষমতায় এসে প্রথমবারের মত লবণ চাষীদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করেছে, তাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

“লবণের চাহিদা কোনো দিন ফুরাবে না। বিদেশে বরফ গলানোর জন্য অপরিশোধিত লবণ ব্যবহার করা হয়।… আমরা যদি সেভাবে লবণ উৎপাদন বাড়াতে পারি, রপ্তানিও করতে পারব। দেশের চাহিদাও মেটাতে পারব, যেটা পরিশোধিত লবণ…।”

তাই লবণ উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং চাষিদের উন্নয়নে ‘বিশেষ দৃষ্টি রাখার’ জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি তাগিদ দেন সরকারপ্রধান।

ঝড়, জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পেতে কক্সবাজারের পুরো সমুদ্র সৈকত ঘন ঝাউবন দিয়ে ঘিরে দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে সমুদ্রসীমা আইন করে দিয়ে যান। বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর যারা একের পর এক ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা বাংলাদেশের যে সমুদ্রসীমায় অধিকার রয়েছে, এই বিষয়টা নিয়ে কখনোই কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।”

আওয়ামী লীগ সরকারে ফেরার পর সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “এখন এই সমুদ্র সম্পদ আমাদেরকে ব্যবহার করে আমাদের অর্থনীতিতে যাতে অবদান রাখতে পারি, সেই ব্যবস্থাটা আমরা করতে চাই। তাই আমরা ব্লু ইকোনমি অর্থাৎ সুনীল অর্থনীতি আমরা গ্রহণ করেছি এবং এরই ভিত্তিতে আমরা উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে চাই।”

কক্সবাজারের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে এ অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ফোরকান আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



এ পাতার আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের অধিবেশে আজ সভাপতি হিসেবে শপথ নেবেন ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের অধিবেশে আজ সভাপতি হিসেবে শপথ নেবেন ড. খলিলুর রহমান
বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ
জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
যে কারনে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশ যে কারনে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশ
জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা তারেক রহমানের বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা তারেক রহমানের
রূপপুরের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসবে নভেম্বরে রূপপুরের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসবে নভেম্বরে
নবম পে-স্কেলে: সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নবম পে-স্কেলে: সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

আর্কাইভ

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির
ট্রাম্প-সি বৈঠকে যে-সব অর্জন হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন
নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’
জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস
জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা