শিরোনাম:
●   সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী ●   জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরমাণু আলোচনা: মার্কিন রণতরিগুলো ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির ●   পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন ●   তিন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সামলাবেন তারেক রহমান ●   জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ●   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ●   নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ●   রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা ●   প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান ●   আপাতত ঢাকায় থাকবেন প্রফেসর ইউনূস
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

BBC24 News
মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | রাজনীতি | শিরোনাম | সাবলিড » আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | রাজনীতি | শিরোনাম | সাবলিড » আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ
৫৭৩ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: ৭ মার্চ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে ১৯৭১ সালের এদিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী এবং যে কোনো সময় জাতিকে অস্ত্র হাতে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে হবে ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু সেটা স্পষ্ট করেছিলেন।

পরাধীনতা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি এক অনন্য সাধারণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। এ ভাষণের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতা অর্জনে যে গেরিলাযুদ্ধের প্রয়োজন তার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণটি আজ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবেও স্বীকৃত। এটি বিশ্বে সর্বাধিকবার প্রচারিত অলিখিত ভাষণ। ২০১৭ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি বিশ্ব ঐতিহ্যের (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্বীকৃতি দেয়।

এদিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। ’ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের এ ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। তার এ ভাষণ ছিল জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার চূড়ান্ত নির্দেশনা।
এদিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখ লাখ জনতার সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু তার এ ভাষণে শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে পরাধীন জাতিকে স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে তিনি কেন মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজন এবং মুক্তিযুদ্ধের জন্য জাতিকে কী করতে হবে সব দিক নির্দেশনায়ই দিয়ে দেন। তার ওই ভাষণের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠে স্বাধীনতার ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধের জন্য জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি…, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাক। ’ পাকিস্তানের শাসন-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত পর্বে বঙ্গবন্ধু এ ভাষণ দেন।

---স্বাধীনতার জন্য অদম্য স্পৃহা নিয়ে সংগ্রামরত মুক্তিকামী জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু সেদিন বজ্র কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। ’ বঙ্গবন্ধুর ওই নির্দেশের পর ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য সেভাবেই প্রস্তুতি নেয়।

১৯৪৭ সালে ধর্মভিত্তিক ভ্রান্ত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে চাপিয়ে দেওয়া অসম পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসন-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি দীর্ঘ দিন ধরে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যায়। ধাপে ধাপে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এড়িয়ে চলা বাঙালি পাকিস্তান রাষ্ট্র থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে। বাঙালির এ স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে নতুন মাত্রাযুক্ত হয়। এর পরই ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির বিজয় অর্জিত হয়।



এ পাতার আরও খবর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি
মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের

আর্কাইভ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি
মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের