<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>BBC24 News</title>
	<link>https://www.bbc24news.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 22:26:40 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চান তারেক রহমান</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111462</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111462#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111462</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_182400.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর থেকে: রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চাইলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে একথা বলেন তিনি।
এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা তার সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_182400.jpg" alt="20260925_182400.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর থেকে: রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চাইলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে একথা বলেন তিনি।</p>
<p>এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা তার সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8220;একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়&#8221;।</p>
<p>ভাষণের শুরুতে সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।</p>
<p>তিনি বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত এবং &#8220;চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে&#8221;।</p>
<p>ভাষণে তিনি তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অতীতে জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেয়ার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণও করেন।</p>
<p>রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমর্থন<br />
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যু তুলে ধরে বলেন, প্রায় ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসায় দেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।</p>
<p>তার ভাষায়, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, তাই সমাধানও সেখানেই নিহিত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111462/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111460</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111460#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111460</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181851.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভাষণে ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ ছড়িয়ে নিজের অপরাধ ঢাকতে চেয়েছেন নেতানিয়াহু। গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপরই এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
এর আগে থেকেই নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত মামদানি গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181851.jpg" alt="20260925_181851.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভাষণে ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ ছড়িয়ে নিজের অপরাধ ঢাকতে চেয়েছেন নেতানিয়াহু। গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপরই এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।</p>
<p>এর আগে থেকেই নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত মামদানি গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ টেনে তাকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘের ভাষণে ৩৪ বছর বয়সী মুসলিম মেয়র মামদানিকে সরাসরি আক্রমণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, তার দায়িত্ব গ্রহণের পর নিউইয়র্কে ইহুদিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না।</p>
<p>পাল্টা বিবৃতিতে মামদানি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো গণহত্যাকে বৈধতা দিতেই জাতিসংঘ মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। তবে কোনো মিথ্যাই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সত্যতা মুছে ফেলতে পারবে না। ভাষণে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে নেতানিয়াহু এটিকে ‘শ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া তার ভাষণে মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পুরনো প্রসঙ্গও টেনে আনা হয়।</p>
<p>জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় মামদানি উপস্থিত না থাকলেও, ওই সময় নিজের সরকারি বাসভবনে জলপাইগাছের চারা রোপণ ও গাজার কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারের সঙ্গে নৈশভোজের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। যার ক্যাপশনে ছিল, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ যেন শান্তির হয়।’</p>
<p>এদিকে মামদানিকে ঘিরে নেতানিয়াহুর এই আক্রমণ শুধু জাতিসংঘেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও বেশ আলোচনায় রয়েছে। লিকুদ পার্টির নির্বাচনী প্রচারণায় মামদানির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নেতানিয়াহুর এমন রাজনৈতিক কৌশল মার্কিন ও ইসরায়েলি ইহুদিদের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকিতে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন মামদানির মিত্র ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111460/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন : প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111458</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111458#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111458</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181529.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &#8216;তাঁর সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ&#8217; উল্লেখ করে বলেছেন, &#8216;আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার- বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।&#8217;
রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, &#8216;সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181529.jpg" alt="20260925_181529.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &#8216;তাঁর সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ&#8217; উল্লেখ করে বলেছেন, &#8216;আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার- বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।&#8217;</p>
<p>রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, &#8216;সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন।&#8217;</p>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দপ্তর ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে একথা বলেন।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের আয়োজক জেপি মর্গান এবং অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, &#8216;ওয়াল স্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশি এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন &#8216;ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাঁদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন, আর তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূলনীতি একই-সাফল্য নিশ্চিত করা।&#8217;</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন। আজ তিনি দেশের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগগুলো সরাসরি তুলে ধরতে চান।&#8217;</p>
<p>তারেক রহমান বলেন, &#8216;বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। দেশটির রয়েছে তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন, &#8216;বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। এটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং তা অব্যাহত থাকবে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে।&#8217;</p>
<p>জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন,  &#8216;এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও সহজ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা, বিধিবিধান সহজ করা, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নয়ন, মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।&#8217;</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় তাঁর সরকার। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্বের উদ্যোগ এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা তুলে ধরেন তিনি।&#8217;</p>
<p>বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গ্যানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট পেয়েছেন এবং দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন, &#8216;বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তব্যের পর কী ঘটে, তার ভিত্তিতেই একটি দেশকে মূল্যায়ন করেন। বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত, মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তর করা যায় এবং মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত নেওয়া যায়-এসব তাঁদের যৌক্তিক প্রশ্ন।&#8217;</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;নীতির মাধ্যমে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা তৈরি করাই সরকারের দায়িত্ব। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেন নয়, উভয় পক্ষের জন্য মূল্য সৃষ্টি করবে এমন দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব চায়।&#8217;</p>
<p>ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।&#8217;</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন এবং তাঁদের স্বার্থ ও সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন, &#8216;সরকারের লক্ষ্য অত্যন্ত সরল- আরও বিনিয়োগ, আরও বাণিজ্য, আরও কর্মসংস্থান, আরও প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব।&#8217;</p>
<p>বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &#8216;আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে, আপনাদের কথা শুনতে এবং যেখানে সম্ভব বাধা দূর করতে আমরা প্রস্তুত। আশা করি, আপনাদের অনেককেই শিগগিরই বাংলাদেশে দেখতে পাব।&#8217;বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111458/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্প-সি বৈঠকে যে-সব অর্জন হয়েছে</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111456</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111456#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111456</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181054.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বৈঠক করেছেন। ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার এ বৈঠকে দুই নেতা উপহার বিনিময় করেছেন, একে অপরকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, বাড়িয়েছেন বাণিজ্য নিয়ে সমঝোতার মেয়াদ। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিকাশের কারণে দেখা দেওয়া ঝুঁকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন।
মাস চারেক আগে সর্বশেষ একসঙ্গে বসেছিলেন ট্রাম্প–সি। ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_181054.jpg" alt="20260925_181054.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বৈঠক করেছেন। ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার এ বৈঠকে দুই নেতা উপহার বিনিময় করেছেন, একে অপরকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, বাড়িয়েছেন বাণিজ্য নিয়ে সমঝোতার মেয়াদ। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিকাশের কারণে দেখা দেওয়া ঝুঁকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন।</p>
<p>মাস চারেক আগে সর্বশেষ একসঙ্গে বসেছিলেন ট্রাম্প–সি। আর সির এবারের সফরের মধ্য দিয়ে এক দশকের বেশি সময় পর চীনের কোনো নেতা ওয়াশিংটন গেলেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক শক্তির মধ্যে উত্তেজনা কমাতে আয়োজিত এ বৈঠকে যদিও উল্লেখযোগ্য কিছু হয়নি। সির উচ্চাকাঙ্ক্ষার দিক দিয়ে দেখলে, এর বেশি কিছু চীনের প্রয়োজনও ছিল না।বৈঠকের রাতেই হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সেখানে ওয়াশিংটন–বেইজিং সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন সি। নৈশভোজে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে এটাই উঠে এসেছে যে চীনের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি নয়, বরং উপকারী হতে পারে। সি বলেন, ‘দুই দেশের বন্ধুত্বের সামনে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। আসুন আমরা হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাই।’</p>
<p>বৈঠকে দুই নেতার বক্তব্যের সুর মোটামুটি একই ছিল। ট্রাম্পের যে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগান রয়েছে, তার সঙ্গে নিজের ‘চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ’ পরিকল্পনার তুলনা করেন সি। এটি কয়েক দশকের একটি পরিকল্পনা। এর লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের সামরিক বাহিনী, শিল্প ও প্রযুক্তি সক্ষমতা তৈরি করা, আর এর মাধ্যমে চীনকে একটি বৈশ্বিক শক্তির কেন্দ্রে পরিণত করা।যেসব বিষয়ে বিরোধ<br />
সি চিন পিংয়ের অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো তাইওয়ানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কমিয়ে আনা। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে। এই দ্বীপ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণে আনাটা সির ‘চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ’ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি এসেছে বলে জানিয়েছে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া।</p>
<p>বৈঠকে ট্রাম্পকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন সি—এমনটাই বলছে সিনহুয়া। আসলে তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বের বিষয়ে ইচ্ছা করেই দীর্ঘদিন ধরে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ নামে যে আইন রয়েছে, সে অনুযায়ী তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য দ্বীপটির কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে বাধ্য ওয়াশিংটন।উন্নত এআই মডেল তৈরির প্রতিযোগিতায় রাশ টানার বিষয়ে একমত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় এআই প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের নেতারা। তবে ট্রাম্প বলেছেন, এআই নিয়ে যে ভয় তৈরি করা হচ্ছে, তা একটি ‘ভাঁওতা’। আর এর মাধ্যমে চীনই লাভবান হচ্ছে। এআই খাতে চীন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আসলেই মাকিন কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p>
<p>মার্কিন কর্মকর্তারা চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তাঁদের এআই মডেল নকল করার অভিযোগ তুলেছেন। চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথাও বলছেন তাঁরা। চীনও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার সি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে পরিস্থিতি সে পর্যন্ত গড়াবে না বলেই মনে হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান বজায় রাখা উচিত।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111456/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিবের অভিনন্দন</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111454</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111454#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111454</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_180526.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ফরিদা ইয়াসমিন, ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৭টায় ‘জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মিডিয়া চত্বরে’ প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260925_180526.jpg" alt="20260925_180526.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ,ফরিদা ইয়াসমিন, ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৭টায় ‘জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মিডিয়া চত্বরে’ প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ এবং তৃতীয় দিনের কার্যক্রম নিয়ে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।</p>
<p>মাহ্‌দী আমিন বলেন, সফরের তৃতীয় দিনে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের শুরুতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। জবাবে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন পর একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারার অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে যে ঐতিহাসিক মঞ্চে একসময় তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন, সেখানে দাঁড়িয়ে নিজের গভীর আবেগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, বহুপক্ষীয় কূটনীতি, বিশ্ব শান্তি রক্ষা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অনন্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।</p>
<p>বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সংহতি ও যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার রয়েছে, তাকে ধারণ করেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের এই ধারাবাহিকতায় আমরা আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে বিশ্ব মঞ্চে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো।<br />
সফরসূচির তৃতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ৭টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন জানিয়ে মাহ্‌দী আমিন বলেন, সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানমালাকে মূলত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে- দ্বিপক্ষীয়, বহুপক্ষীয় এবং উচ্চপর্যায়।</p>
<p>আরও পড়ুন:<br />
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দূরদর্শী<br />
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সমতা, ন্যায্যতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ককে বহুমাত্রিক পর্যায়ে রূপ দেয়ার পাশাপাশি ‘পিপল টু পিপল টাইজ’ বা জনগণের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া, সফরসূচিতে দু’টি উচ্চপর্যায়ের কনফারেন্স ছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, যেখানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা অংশ নেন। এর একটি ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি তথা পরিবেশ বিষয়ক এবং অন্যটি ছিল মিডওয়াইফারি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক। দ্বিতীয় সম্মেলনটি বাংলাদেশ সরকার আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতায় আয়োজন করেছে।সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনিসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যবৃন্দ ও জাতিসংঘ মিশনের কর্মকর্তারা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111454/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111452</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111452#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111452</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_201152.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যের শুরুতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
লুলা দা সিলভা বলেন, ‘২০০৩ সালে প্রথমবার এই মঞ্চে বক্তব্য দেয়ার পর এবার দশমবারের মতো আমি এই অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_201152.jpg" alt="20260922_201152.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যের শুরুতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন।</p>
<p>লুলা দা সিলভা বলেন, ‘২০০৩ সালে প্রথমবার এই মঞ্চে বক্তব্য দেয়ার পর এবার দশমবারের মতো আমি এই অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের সূচনা করছি। নিঃসন্দেহে জাতিসংঘের জন্য এটি সবচেয়ে সংকটময় সময়। আর আজ আমাকে যে অনুভূতিটি তাড়িত করছে, তা হলো ক্ষোভ।’</p>
<p>তিনি উপস্থিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, ‘জাতিসংঘ তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। সেই দায়িত্ব হলো মানবজাতিকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111452/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়, বিদায়ী ভাষনে: গুতেরেস</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111450</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111450#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111450</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_200716.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের থেকে:  বৈশ্বিক সংকটের গভীর ফাটলগুলো এখন অতল খাদে পরিণত হয়েছে। আর পরাশক্তিগুলো প্রমাণ করেছে, একা সামরিক, অর্থনৈতিক কিংবা প্রযুক্তিগত শক্তি দিয়ে বৈশ্বিক সংকট সমাধান সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে এ কথা বলেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
হতাশায় ঘেরা ওই ভাষণে ৭৭ বছর বয়সী পর্তুগিজ এ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_200716.jpg" alt="20260922_200716.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের থেকে:  বৈশ্বিক সংকটের গভীর ফাটলগুলো এখন অতল খাদে পরিণত হয়েছে। আর পরাশক্তিগুলো প্রমাণ করেছে, একা সামরিক, অর্থনৈতিক কিংবা প্রযুক্তিগত শক্তি দিয়ে বৈশ্বিক সংকট সমাধান সম্ভব নয়।</p>
<p>মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে এ কথা বলেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।</p>
<p>হতাশায় ঘেরা ওই ভাষণে ৭৭ বছর বয়সী পর্তুগিজ এ কূটনীতিক বলেন, ‘আমার ১০ বছরের দায়িত্বকালে বিশ্বজুড়ে ধ্বংসাত্মক পরিণতি নিয়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, তা দীর্ঘায়িত হয়েছে। বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হয়েছে। ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সেবাদানকারীরা প্রাণ হারিয়েছেন। আর আন্তর্জাতিক আইন ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা হয়েছে।’</p>
<p>গুতেরেস বলেন, ‘ভূ-রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর হয়েছে। বৈষম্য তীব্র রূপ নিয়েছে। ধসে পড়েছে পারস্পরিক আস্থা। জলবায়ু সংকট এখন আর দূরবর্তী কোনো সতর্কবার্তা নয়, প্রতিদিনের নির্মম বাস্তবতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এমন অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে চলেছে, যা নির্মাতাদেরও দিশেহারা করে দিয়েছে।’</p>
<p>ইসরায়েলের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করে তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের আক্রমণের পর গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর এমন এক হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে, যা মহাসচিব হিসেবে আমার দায়িত্ব পালনকালে আগে দেখিনি।’</p>
<p>পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গুতেরেস মনে করেন, পুনর্গঠিত ও সর্বজনীন জাতিসংঘের অধীনে নতুন বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাই কেবল বর্তমান সংকট মোকাবিলার একমাত্র পথ। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘মানবজাতি যখন অভূতপূর্ব এক সংকটের মুখোমুখি, ঠিক তখন আমাদের সম্মিলিত সুরক্ষাকাঠামো মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে।’</p>
<p>ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম না নিয়ে গুতেরেস বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পরাশক্তিগুলোর এখন অনুধাবন করা উচিত, তাদের ক্ষমতা আসলে অসীম নয়। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করে দিয়েছে- কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে শান্তি নিশ্চিত করা যায় না, অর্থনৈতিক শক্তি দিয়ে স্থিতিশীলতা আনা যায় না। কেবল প্রযুক্তিগত শক্তি দিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।’</p>
<p>ভাষণে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ব্লকে বিভক্তি এবং আধিপত্যবাদী প্রবণতা এড়ানোর ওপর জোর দেন গুতেরেস। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থার মূল চ্যালেঞ্জ হলো- ক্ষমতার কাঠামো যেভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, শাসনব্যবস্থা তার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছে না। রাষ্ট্রগুলোর হাত থেকে ক্ষমতার স্থানান্তর ঘটেছে গুটিকয়েক বেসরকারি কর্পোরেশন ও ধনকুবের ব্যক্তির হাতে। রাজনীতি, অর্থনীতি, তথ্যের প্রবাহ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি নাগরিক পরিসরে তাদের প্রভাব বিস্তার লাভ করেছে। মানুষ দিন দিন যন্ত্রের হাতে ক্ষমতা সঁপে দিচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্টরা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠছে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির অস্ত্র এখন সামরিক সত্যে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে গুতেরেস প্রশ্ন তোলেন— বিশ্ব কি ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা আর সঙ্কুচিত সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বিভক্ত হবে, নাকি জাতিসংঘের নেতৃত্বে এক সুষম বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার দিকে মোড় নেবে?</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে আসল পরীক্ষা হলো, ক্ষমতা কী আইনের অধীনে পরিচালিত হবে, নাকি আইনের বাইরে? দ্বিমুখী নীতি বাদ দিয়ে আন্তর্জাতিক সনদ রক্ষা এবং ব্যতিক্রম ছাড়া বেসামরিক সব মানুষকে সুরক্ষা দিতে হবে।’</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ত্রাণ সরবরাহের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়ে মনে করিয়ে দেন- গাজায় জাতিসংঘকে কাজ করতে দেওয়ার জন্য গত বছর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।</p>
<p>গুতেরেস বলেন, ‘অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা, ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও ইহুদি বসতি স্থাপন শান্তির পথকে গুড়িয়ে দিচ্ছে। জাতিগত নিধনের ভয়াবহ শঙ্কা তৈরি করছে। চোখের সামনে এই সংকটের সমাধান বিলীন হতে দেওয়া যায় না।’</p>
<p>ইউক্রেন প্রসঙ্গে গুতেরেস বলেন, ‘রাশিয়ার আগ্রাসন জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন ঘটিয়ে একটি স্বাধীন দেশের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। এখন রাশিয়ার কিছু অঞ্চলে ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলাকে হুমকির মুখে ফেলছে।’</p>
<p>২১ শতকের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব না থাকাকে ‘অন্যায়’ আখ্যা দিয়ে গুতেরেস বলেন, ‘তহবিল সংকট ও নানা সমালোচনার মধ্যেও জাতিসংঘই একমাত্র জায়গা যেখানে শক্তিশালী পক্ষগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায়।’ জাতিসংঘের ইতিহাসে এই প্রথম শীর্ষ নেতৃত্ব, প্রধান কার্যালয় ও পেশাদার পদে পুরুষের পাশাপাশি সমসংখ্যক নারী নিয়োগ নিশ্চিত করা গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p>‘সমতা কোনো স্বপ্ন নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত’ উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন ‘জাতিসংঘ যদি বদলে যেতে পারে, তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পার্লামেন্ট, সরকার ও শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়াতেও বদল সম্ভব।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111450/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111448</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111448#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111448</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/5gumplfwkfo55cio7otssj2wfu.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর (নিউইয়র্ক) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসিকে একটি ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যা দিয়ে এর সব সদস্যকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক বাহিনী বা অন্য কাউকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা তদন্ত বা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/5gumplfwkfo55cio7otssj2wfu.jpg" alt="5gumplfwkfo55cio7otssj2wfu.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ, এম ডি জালাল, জাতিসংঘের সদর দপ্তর (নিউইয়র্ক) যুক্তরাষ্ট্রের থেকে: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসিকে একটি ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যা দিয়ে এর সব সদস্যকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক বাহিনী বা অন্য কাউকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা তদন্ত বা বিচারের সম্মুখীন হতে দেবে না, যেটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো এখতিয়ার নেই।জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোরও সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, তারা বিশ্বের প্রকৃত নৃশংসতার দিকে মনোযোগ না দিয়ে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি এবং অভিবাসন প্রয়োগ সংক্রান্ত মার্কিন নীতির সমালোচনা করছে।</p>
<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_195925.jpg" align="left" alt="20260922_195925.jpg" />ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, বিশ্বজুড়ে ‘খ্রিস্টানদের ওপর নিপীড়ন’ চললেও এই বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ নীরব রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111448/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111445</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111445#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111445</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_194356.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে ৪৫ বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের পা পড়ল। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সেখানে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠক শেষে মামদানির প্রতি বেশ ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মামদানি ‘দারুণ মেয়র’ হবেন বলে তিনি আশা করেন।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_194356.jpg" alt="20260922_194356.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে ৪৫ বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের পা পড়ল। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সেখানে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠক শেষে মামদানির প্রতি বেশ ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মামদানি ‘দারুণ মেয়র’ হবেন বলে তিনি আশা করেন।</p>
<p>ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানিকে আক্রমণ করে আসছিলেন ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান মিত্ররা। মামদানিকে তারা ডেমোক্রেটিক পার্টির ‘কমিউনিজমের দিকে ঝুঁকে পড়ার’ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।</p>
<p>তবে সোমবার গ্রেসি ম্যানশনে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকের পর দুই নেতার আচরণে সেই রাজনৈতিক বিরোধের তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি। বরং সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের দুজনকেই বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে কথা বলতে দেখা যায়।</p>
<p>বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে মামদানি বলেন, তাদের মধ্যে ‘বিস্তৃত পরিসরে’ আলোচনা হয়েছে। সাশ্রয়ী আবাসন, অভিবাসন এবং নিউইয়র্কবাসীর নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় এসেছে। তবে যেসব বিষয়ে তাঁদের মতপার্থক্য রয়েছে, সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।</p>
<p>মামদানি বলেন, নিউইয়র্কের মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন এমন যে কারও সঙ্গে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে নতুন করে শত শত আবাসন ইউনিট নির্মাণের বিষয়েও তাঁদের দুজনের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>বৈঠকে অভিবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন মামদানি। তার ভাষায়, নিউইয়র্কে বসবাসকারী অভিবাসীদের নিরাপদ রাখা এবং বিশেষ করে হাইতিয়ান সম্প্রদায়ের মানুষের গুরুত্ব নিয়ে তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। শহরের সামাজিক কাঠামোর পাশাপাশি অর্থনীতিতেও অভিবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>মামদানি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ও আমি, আমাদের মধ্যে থাকা নানা মতপার্থক্য নিয়ে সব সময়ই খোলামেলা আলোচনা করেছি।</p>
<p>ট্রাম্পের কাছে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও নিজের অবস্থান জানিয়েছেন মামদানি। হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে তিনি সংবাদমাধ্যমের সব সদস্যকে উপস্থিত থাকার সুযোগ দিতে চান।</p>
<p>ট্রাম্পও এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের নিয়ে রসিকতা করেন। তিনি বলেন, তাকে বয়কট করার কথা বলা হলেও সাংবাদিকেরা শেষ পর্যন্ত তাঁকে বয়কট করেননি।</p>
<p>বৈঠক শেষে ট্রাম্প মামদানির প্রশংসা করে বলেন, তার মধ্যে ‘দারুণ সম্ভাবনা’ রয়েছে। একই সঙ্গে নিউইয়র্কের জন্য যা ভালো, তিনি সেটাই চান বলেও মন্তব্য করেন।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, আমি অবশ্যই আশা করি, তিনি একজন দারুণ মেয়র হবেন। আপনাকে বুঝতে হবে, আমি নিউইয়র্কের জন্য যা ভালো, সেটাই চাই। আমি দেশের জন্য যা ভালো, সেটাই চাই। আমি চাই, তিনি একজন দারুণ মেয়র হোন।</p>
<p>দুই নেতার বৈঠকের সময় তাদের শরীরী ভাষাতেও সৌহার্দ্যের ছাপ দেখা যায়। মামদানি বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার সময় ট্রাম্প মামদানির বাহুতে দুবার হাত রাখেন।</p>
<p>সোমবারের বৈঠকে ট্রাম্প ও মামদানি ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস এবং মামদানির চিফ অব স্টাফ এল বিসগার্ড-চার্চ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>মামদানির সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্পের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে ভাষণ দেবেন তিনি।</p>
<p>গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্পের সফরটি ঐতিহাসিকও বটে। ১৯৮১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান নিউইয়র্কের মেয়র এড কোচের সঙ্গে বৈঠক করতে সেখানে গিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ ৪৫ বছরে আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেখানে যাননি।</p>
<p>৩৪ বছর বয়সী মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র। উগান্ডায় জন্ম নেওয়া এই ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নেতা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। অন্যদিকে ট্রাম্প সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্যে ডেমোক্র্যাটদের কঠোরভাবে সমালোচনা করে আসছেন।</p>
<p>তবু সোমবারের বৈঠকে দুই নেতার বক্তব্যে নিউইয়র্কের আবাসন, অভিবাসন ও নিরাপত্তার মতো বাস্তব ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনার বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111445/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111442</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111442#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111442</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_194423.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ইইউ প্রতিনিধি: ইউক্রেনের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে সদস্য দেশগুলো সমঝোতাচেষ্টার মধ্যেই সোমবার তিনি এ আহ্বান জানান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের কাজা কালাস বলেন, ‘রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো নিষেধাজ্ঞা।’ এর মাধ্যমে মস্কোর ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/09/20260922_194423.jpg" alt="20260922_194423.jpg" />বিবিসি২৪নিউজ,ইইউ প্রতিনিধি: ইউক্রেনের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে সদস্য দেশগুলো সমঝোতাচেষ্টার মধ্যেই সোমবার তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p>ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের কাজা কালাস বলেন, ‘রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো নিষেধাজ্ঞা।’ এর মাধ্যমে মস্কোর অর্থের জোগান বন্ধ রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।</p>
<p>কাজা কালাস বলেন, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর দ্রুতই এর মেয়াদ বাড়ানো হবে।</p>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কালাস বলেন, ‘আমাদের এই স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।’ তাই নিষেধাজ্ঞাগুলো আরো দীর্ঘ সময় বহাল রাখতে হবে।</p>
<p>কালাস জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার বিষয়ে ইইউ’র অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, ‘এ কারণেই আমরা নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ নিয়েও কাজ করছি।’</p>
<p>তবে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। কারণ, কয়েকটি সদস্য দেশ ইইউ’র কালো তালিকা থেকে কিছু ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111442/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
