<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>BBC24 News</title>
	<link>https://www.bbc24news.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 17:36:36 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>ইরানের একটি ‘ভালো’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111196</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111196#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111196</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_233420.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। তারা চাইলে একটি ভালো ও চৌকস চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ডান কেইনের সঙ্গে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে হেগসেথ একথা বলেন। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত পেন্টাগনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
পাকিস্তানের তিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_233420.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। তারা চাইলে একটি ভালো ও চৌকস চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ডান কেইনের সঙ্গে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে হেগসেথ একথা বলেন। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত পেন্টাগনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>পাকিস্তানের তিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা খুব শিগগিরই শুরু হতে পারে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘ইরান জানে যে, আলোচনার টেবিলে তাদের বিচক্ষণভাবে চুক্তির পথ বেছে নেওয়ার দ্বার এখনও খোলা আছে&#8230;তাদেরকে যা করতে হবে তা হল, পারমাণবিক অস্ত্রের পথ অর্থবহভাবে পরিহার করা।’</p>
<p>হেগসেথ জানান, ইরানি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৪টি জাহাজকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অবরোধ আরও কঠোর হচ্ছে। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। এখন আর কোনো কিছুই (ইরানের বন্দরের) ভেতরে ঢুকবে না বা বাইরে আসবে না।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এই অবরোধ কেবল বিস্তৃত হচ্ছে না, বরং এটি এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে।’</p>
<p>হেগসেথ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধ বজায় থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে অফুরন্ত সময় আছে এবং আমরা চুক্তি করার জন্য মোটেও উদ্বিগ্ন বা তাড়াহুড়ো করছি না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111196/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইইউ’র সাত প্রতিষ্ঠানে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা দিল চীন</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111194</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111194#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111194</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_232914.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাতটি প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় যুক্ত করেছে চীন। শুক্রবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দেয়। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘দ্বৈত ব্যবহার’ পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এফএন হেরস্টাল, ফাব্রিক ন্যাশনালি ডি হেরস্টাল, অমনিপোল এ.এস, হেনসোল্ড এজি, ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_232914.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল রিপোর্ট: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাতটি প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় যুক্ত করেছে চীন। শুক্রবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দেয়। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘দ্বৈত ব্যবহার’ পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p>চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এফএন হেরস্টাল, ফাব্রিক ন্যাশনালি ডি হেরস্টাল, অমনিপোল এ.এস, হেনসোল্ড এজি, এক্সক্যালিবার আর্মি স্পল.এস.আর.ও, স্পেসকনো আইএনসি, ওদস্তেপনি জাভোদ এস.আর.ও, ভিজেডএলইউ অ্যারোস্পেস এ.এস এবং এফএন ব্রাউনিং।</p>
<p>চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে কোনো বিদেশি সংস্থা বা ব্যক্তি এসব প্রতিষ্ঠানে দ্বৈত ব্যবহারের পণ্য সরবরাহ বা স্থানান্তর করতে পারবে না। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চলমান সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও বন্ধ করতে হবে।</p>
<p>‘দ্বৈত ব্যবহার’ পণ্য বলতে এমন প্রযুক্তি, পণ্য বা সেবাকে বোঝানো হয় যা বেসামরিক ও সামরিক—দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য হতে পারে, বিশেষ করে গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রেও যার প্রয়োগ থাকতে পারে।</p>
<p>মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, চীনের আইন ও বিধি মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ইউরোপীয় পক্ষকে আগেই জানানো হয়েছিল। তার দাবি, এই পদক্ষেপ কেবল নির্দিষ্ট কিছু সামরিক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রযোজ্য, যারা তাইওয়ানের সঙ্গে অস্ত্র বাণিজ্য বা সহযোগিতায় জড়িত ছিল।</p>
<p>তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত চীন-ইইউ স্বাভাবিক বাণিজ্য সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111194/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111192</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111192#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[ছুটির দিনে]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<category><![CDATA[স্বাস্থ্যকথা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111192</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_151926.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়ানো, বিশালসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, টিকাদানের অভাবে এ রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটির গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন করা হয়।
২০২৬ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_151926.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।</p>
<p>বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়ানো, বিশালসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, টিকাদানের অভাবে এ রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটির গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন করা হয়।</p>
<p>২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের জাতীয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি বা আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায়, দেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বৃদ্ধি হয়েছে দেশের ভেতরে চলমান সংক্রমণের কারণে। জানুয়ারি থেকেই বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা স্পষ্টভাবে বাড়তে দেখা যাচ্ছে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন মূল্যায়নের পর সংস্থাটির সাবেক পরামর্শক ও জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন আজ শুক্রবার বলেন, ‘সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকায় আমরা বলেছিলাম, হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা করা হোক। এখন সরকারের উচিত জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা এবং টিকাদান এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ১৬১ সন্দেহভাজন হাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত রোগী পাওয়া গেছে ২ হাজার ৮৯৭।</p>
<p>তবে পরিস্থিতির বিস্তারিত বিবরণে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৯৭৩ উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের। মৃত্যুহার বা সিএফআর ০ দশমিক ৯ শতাংশ। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম-সম্পর্কিত মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। এ ক্ষেত্রে মৃত্যুহার ১ দশমিক ১ শতাংশ।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২ হাজার ৩১৮ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯ হাজার ৭৭২ জন।সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, বস্তির রোগী বেশি</p>
<p>হাম রোগীর সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যাচ্ছে ঢাকা বিভাগে। ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে ৮ হাজার ২৬৩। এরপর রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৩ হাজার ৭৪৭, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ হাজার ৫১৪ এবং খুলনা বিভাগে ১ হাজার ৫৬৮ জন।</p>
<p>ঢাকায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায়। এর মধ্যে রয়েছে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকা।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দেশের আট বিভাগেই রোগী শনাক্ত হয়েছে। ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায়, অর্থাৎ ৯১ শতাংশ জেলায় রোগী পাওয়া গেছে। এটি দেখাচ্ছে, সংক্রমণ এখন জাতীয়ভাবে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
<p>দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তথ্য বলছে, দেশের ৬১টি জেলায় হাম ছড়িয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের ৮৩ শতাংশের বয়স ৫ বছরের নিচে।</p>
<p>সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকায় আমরা বলেছিলাম, হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা করা হোক। এখন সরকারের উচিত জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা এবং টিকাদান এগিয়ে নিয়ে যাওয়াআক্রান্তদের বেশির ভাগই শিশু</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এই হার ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে দুই বছরের কম বয়সী শিশু ৬৬ শতাংশ এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশু ৩৩ শতাংশ।</p>
<p>মোট ১৬৬ শিশুর সন্দেহভাজন মৃত্যুর তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয় প্রতিবেদনে। তারা প্রধানত টিকা না পাওয়া দুই বছরের কম বয়সী শিশু।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের একটি বড় উদ্বেগ হলো, অনেক শিশু হয় টিকা পায়নি, নয়তো হামপ্রতিরোধী টিকার মাত্র এক ডোজ পেয়েছে। আবার কিছু শিশু ৯ মাস বয়সে টিকার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছানোর আগেই আক্রান্ত হয়েছে। অধিকাংশ রোগী, অর্থাৎ ৯১ শতাংশ, ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু। এটি এই বয়সী শিশুদের মধ্যে বড় ধরনের রোগ প্রতিরোধঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।হাম কীভাবে ছড়ায়</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সব বয়সী মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। বিশ্বজুড়ে অল্প বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হিসেবে হাম এখনো বিবেচিত হয়।</p>
<p>এই রোগ বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক, মুখ বা গলা থেকে বের হওয়া ড্রপলেটের মাধ্যমেও সংক্রমণ হতে পারে।</p>
<p>সংক্রমণের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে প্রাথমিক উপসর্গ দেখা যায়। তবে এই সময়সীমা ৭ থেকে ২৩ দিন পর্যন্ত হতে পারে। উপসর্গের মধ্যে থাকে উচ্চ জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, কাশি এবং মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ।</p>
<p>সাধারণত সংক্রমণের ১০ থেকে ১৪ দিন পর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। ফুসকুড়ি প্রথমে মাথায় শুরু হয়, এরপর ধীরে ধীরে শরীরের মাঝের অংশ এবং পরে নিচের অংশে ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন পর পর্যন্ত একজন রোগী অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারে। হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। বেশির ভাগ মানুষ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে।জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি</p>
<p>সাধারণভাবে হাম মৃদু বা মাঝারি মাত্রার রোগ। তবে এটি গুরুতর জটিলতাও তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কানের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস, অন্ধত্ব ও মৃত্যু।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণের পর এনসেফালাইটিস প্রতি এক হাজার রিপোর্ট হওয়া রোগীর মধ্যে প্রায় একজনের হতে পারে। আর প্রতি এক হাজার রিপোর্ট হওয়া রোগীর মধ্যে দুই থেকে তিনজনের মৃত্যু হতে পারে।</p>
<p>ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে হাম গুরুতর অসুস্থতা তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, বিশেষ করে যাদের ভিটামিন এ ঘাটতি আছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল।</p>
<p>মৃত্যু সবই হামে, উপসর্গে নয়<br />
টিকাদানে ঘাটতি, আগের অগ্রগতিতে ধাক্কা</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে এই প্রাদুর্ভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল। হামপ্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০০০ সালে ছিল ৮৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ১১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ দেশব্যাপী চালুর পর ২০১২ সালে কভারেজ ছিল ২২ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয় ১২১ শতাংশ। একই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীর হার দ্রুত কমে এসেছিল।</p>
<p>তবে ২০২৪-২৫ সালে দেশে এমআর টিকার জাতীয় পর্যায়ের ঘাটতির কারণে টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বা এমআর১ ও এমআর২ কভারেজ কমে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়মিত টিকাদানের ফাঁক এবং ২০২০ সালের পর নিয়মিত দেশব্যাপী সম্পূরক হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি না থাকা। এসব কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা শিশুর সংখ্যা বেড়েছে এবং বর্তমান প্রাদুর্ভাব তৈরি হয়েছে।</p>
<p>জাতীয় পর্যায়ে ঝুঁকি ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ, একাধিক বিভাগে সংক্রমণ চলমান, বিপুলসংখ্যক শিশু সংক্রমণের ঝুঁকিতে, রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি নথিভুক্ত এবং হাম-সম্পর্কিত সন্দেহভাজন মৃত্যু ঘটেছে।</p>
<p>টিকা না পাওয়া ও আংশিক টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে রোগীর সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে এমন শিশুরাও আছে, যাদের বয়স টিকা পাওয়ার জন্য এখনো যথেষ্ট হয়নি। এটি অব্যাহত সংক্রমণ এবং গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।</p>
<p>সামগ্রিকভাবে এই প্রাদুর্ভাব দেখাচ্ছে যে হাম নির্মূলে বাংলাদেশের আগের অগ্রগতিতে ধাক্কা লেগেছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করছে, দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এখন আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছে। জরুরি ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণ আরও ছড়াতে পারে। তাই নজরদারি শক্তিশালী করা, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও মোকাবিলা করা এবং ভালো মানের টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি পূরণ করা জরুরি।টিকাদান অভিযান শুরু</p>
<p>জাতীয় টিকাদান কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি বা এনআইটিএজি ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ দেশব্যাপী হাম-রুবেলা বা এমআর টিকাদান কর্মসূচি অনুমোদন করে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৮ মাস বয়সী শিশুদেরও বিস্তৃত আওতায় আনা হয়েছে।</p>
<p>২০২৫ সালের ১৫ মার্চ সারা দেশে ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। চলমান প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত সব হাম রোগীকে ভিটামিন এ দেওয়া হচ্ছে। এটি নিয়মিত চিকিৎসা ও রোগী ব্যবস্থাপনার একটি জরুরি অংশ।</p>
<p>জেলা পর্যায়ের দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল বা আরআরটি সক্রিয় করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত টিকা সংগ্রহের ব্যবস্থাও করেছে।</p>
<p>প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার অন্যান্য ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে নিয়মিত টিকাদান জোরদার করা, হাসপাতালের প্রস্তুতি বাড়ানো, ভিটামিন এ সরবরাহ নিশ্চিত করা, রোগী আলাদা রাখার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্তিশালী করা।</p>
<p>দেশজুড়ে নজরদারি ও রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ জোরদারের কাজও চলছে। রোগ শনাক্ত ও রিপোর্টিং উন্নত করতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুবিধার্থে সাপ্তাহিক পরিস্থিতি প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে।সীমান্ত পেরিয়ে ছড়ানোর ঝুঁকি</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মানুষের চলাচলের কারণে সীমান্ত পেরিয়ে সংক্রমণ ছড়ানোর উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের মতো বড় নগরকেন্দ্র আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও ট্রানজিটের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে দেশের ভেতরে ও বাইরে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ে, বিশেষ করে যারা টিকা নেয়নি বা পুরোপুরি টিকা পায়নি, এমন ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে।</p>
<p>দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে হাম স্থানীয়ভাবে বিদ্যমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে ঝুঁকিকে ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্ত দিয়ে মানুষের চলাচল চলমান সংক্রমণকে আরও বাড়াতে পারে। মিয়ানমারে টিকা না পাওয়া বা শূন্য ডোজ শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে সেখানে নজরদারি ও প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা সীমিত।</p>
<p>ভারত উচ্চ টিকাদান কভারেজ অর্জন করলেও গত ছয় মাসে সেখানে হাম রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো বেশি সংক্রমণপ্রবণ শহর ভারতের সঙ্গে ব্যস্ত স্থলবন্দর ভাগ করে। এতে সীমান্তের ওপার থেকে সংক্রমণ প্রবেশের ঝুঁকি বাড়ে।</p>
<p>বিশ্ব পর্যায়ে ঝুঁকি ‘মধ্যম’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।</p>
<p>কী পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব পৌর এলাকায় হামপ্রতিরোধী টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে অন্তত ৯৫ শতাংশ সমান ও টেকসই কভারেজ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে হাম ও রুবেলা সংক্রমণের ওপর নজরদারি জোরদার করতে বলেছে, যাতে সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সব সন্দেহভাজন রোগী দ্রুত শনাক্ত করা যায়।</p>
<p>সংস্থাটি উচ্চ যাতায়াতপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছে। এতে সন্দেহভাজন হাম রোগী দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে আসা হাম রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে আবার স্থানীয় সংক্রমণ স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়।</p>
<p>হাম মোকাবিলায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। সব পর্যায়ের মধ্যে স্থায়ী ও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা থাকতে হবে।</p>
<p>প্রাদুর্ভাব চলাকালে হাসপাতাল পর্যায়ে যথাযথ রোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের ভেতরে সংক্রমণ ঠেকাতে রোগীকে আলাদা কক্ষে রাখা এবং হাসপাতালের অন্য রোগীদের সংস্পর্শে না আসাটা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে, যদি তাদের টিকা নেওয়া বা হাম-রুবেলার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার প্রমাণ না থাকে। এর মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মী, পর্যটন ও পরিবহন খাতে কর্মরত ব্যক্তি, হোটেল, বিমানবন্দর, সীমান্ত পারাপার, গণপরিবহন–সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারী।</p>
<p>উচ্চ যাতায়াতপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত অভিবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দিলে জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে।</p>
<p>সংক্রমণের সংস্পর্শে আসা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের তিন দিনের মধ্যে হামপ্রতিরোধী টিকা দেওয়া উচিত। যাঁদের টিকা দেওয়া যায় না বা তিন দিনের মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাঁদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ছয় দিনের মধ্যে বিশেষ ইনজেকশন দেওয়ার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। শিশু, গর্ভবতী নারী এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম—এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111192/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হরমুজ পারাপারে বন্ধুপ্রতিম দেশের ফি মওকুফ করছে ইরান</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111190</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111190#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111190</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_150613.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য ফি বা মাশুল মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি এই খবর জানিয়েছে।
মস্কোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য ইরান এই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ভবিষ্যতের পরিস্থিতি কী ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_150613.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য ফি বা মাশুল মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি এই খবর জানিয়েছে।</p>
<p>মস্কোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য ইরান এই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ভবিষ্যতের পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে সে সম্পর্কে তিনি এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলেননি, তবে বর্তমানে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলো যাতে কোনো বাধা বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই এই কৌশলগত জলপথ ব্যবহার করতে পারে, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।</p>
<p>ইরানি রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি সংবাদ মাধ্যমটিকে আরও জানিয়েছেন, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে এই বিশেষ ছাড়ের আওতায় থাকা দেশগুলোর তালিকা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি তদারকি করছে।</p>
<p>উদাহরণ হিসেবে তিনি রাশিয়ার নাম উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়ার মতো বন্ধুরাষ্ট্রগুলো যেন হরমুজ প্রণালি দিয়ে তাদের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পায়, সে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের মাঝে তেহরানের এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।</p>
<p>হরমুজ প্রণালি বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশের প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত। এই পথে জাহাজ চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা মাশুল আরোপের মাধ্যমে ইরান প্রায়শই বিশ্ব বাজারে তার প্রভাব জাহির করে থাকে।</p>
<p>বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যখন ইরানের ওপর বিভিন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চলছে, তখন রাশিয়া বা অন্যান্য মিত্র দেশের জন্য এই ফি মওকুফের সিদ্ধান্ত মূলত একটি পাল্টা কূটনৈতিক চাল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরান তার মিত্র বলয়কে আরও শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমিয়ে আনতে চাইছে।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে এই একতরফা মাশুল মওকুফের ঘোষণা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ এর ফলে প্রণালিটির ওপর ইরানের একক কর্তৃত্ব আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p>বিশেষ করে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ওই অঞ্চলে নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে, সেখানে ইরান কার কাছ থেকে মাশুল নেবে আর কাকে ছাড় দেবে, সেটি নির্ধারণের মাধ্যমে জলপথটিতে নিজের সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত আধিপত্য নতুন করে জানান দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয় হলো, মিত্র দেশগুলোর বাইরে অন্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ইরান ভবিষ্যতে কী ধরনের কঠোর নীতি গ্রহণ করে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111190/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সন্তান জন্ম দিয়ে মার্কিন নাগরিকত্ব জন্য আসে’, ট্রাম্পের খোঁচার কড়া জবাব দিলো ভারত</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111188</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111188#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111188</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_150003.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, অমিত ঘাষ, দিল্লি থেকে: ভারত ও চীন থেকে মানুষ কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে আসে যাতে তারা জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এমন বিতর্কিত মন্তব্যকে অযৌক্তিক ও রুচিহীন বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260424_150003.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, অমিত ঘাষ, দিল্লি থেকে: ভারত ও চীন থেকে মানুষ কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে আসে যাতে তারা জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এমন বিতর্কিত মন্তব্যকে অযৌক্তিক ও রুচিহীন বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।</p>
<p>শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।</p>
<p>রণধীর বলেন, মন্তব্যটি স্পষ্টতই তথ্যভিত্তিক নয়, অনুপযুক্ত এবং রুচিহীন। এই বক্তব্য ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে না, যা দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</p>
<p>ট্রাম্পের এমন মন্তব্যটিকে ঘৃণামূলক ও বর্ণবাদী বলে নিন্দা জানিয়েছে  হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন।</p>
<p>এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প একটি পোস্ট শেয়ার করেন, যেখানে ভারতকে হেলহোল বা নিকৃষ্ট স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়েও নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়।</p>
<p>এদিকে ট্রাম্পের এমন বিতর্কিত মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী মাসে ভারত সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111188/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>টেকনাফে অপহরণের পর তিনজনকে গলা কেটে হত্যা</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111186</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111186#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জেলার খবর]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111186</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_124350.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিনিধি: কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণের পর তিনজনকে পিটিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে পাহাড়ি ডাকাত দল।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের শীলখালী এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহতদের মধ্যে শীলখালীর বাসিন্দা রবি আলমের পরিচয় জানা গেছে। তবে বাকি দুইজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কাদের জানান, মঙ্গলবার সকালে শীলখালী ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_124350.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিনিধি: কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণের পর তিনজনকে পিটিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে পাহাড়ি ডাকাত দল।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের শীলখালী এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহতদের মধ্যে শীলখালীর বাসিন্দা রবি আলমের পরিচয় জানা গেছে। তবে বাকি দুইজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p>
<p>বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কাদের জানান, মঙ্গলবার সকালে শীলখালী পাহাড় সংলগ্ন এলাকা থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে অথবা ভোরের দিকে তাদের অপহরণ করা হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে একজন তার আত্মীয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া আরও দুইজন নিখোঁজ রয়েছে, তাদের খোঁজ চলছে।ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস। তিনি জানান, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111186/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111184</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111184#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111184</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_123359.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অসদাচরণের অভিযোগ ও তদন্তের মুখে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী লরি শ্যাভেজ-ডেরেমা। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তরুণী নারী কর্মীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে অভিযোগসহ একাধিক কেলেঙ্কারির মধ্যেই তার এই বিদায় ঘটছে।
ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চুং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শ্রমমন্ত্রী লরি শ্যাভেজ-ডেরেমা প্রশাসন ছেড়ে বেসরকারি খাতে যোগ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_123359.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অসদাচরণের অভিযোগ ও তদন্তের মুখে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী লরি শ্যাভেজ-ডেরেমা। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>তরুণী নারী কর্মীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে অভিযোগসহ একাধিক কেলেঙ্কারির মধ্যেই তার এই বিদায় ঘটছে।</p>
<p>ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চুং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শ্রমমন্ত্রী লরি শ্যাভেজ-ডেরেমা প্রশাসন ছেড়ে বেসরকারি খাতে যোগ দিচ্ছেন। মার্কিন শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং সুষ্ঠু শ্রম আইন বাস্তবায়নে তিনি অসাধারণ কাজ করেছেন।</p>
<p>পদত্যাগের পর দেওয়া বিবৃতিতে শ্যাভেজ-ডিরেমার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আমেরিকান শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।</p>
<p>উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে লোরি শ্যাভেজ-ডিরেমারের আগে মন্ত্রিসভার আরও দুই সদস্যকে প্রেসিডেন্ট বরখাস্ত করেছিলেন। এর আগে মার্চ মাসে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও দপ্তরের কার্যক্রমে ব্যর্থতার অভিযোগে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এবং এপ্রিলের শুরুতে বিচার বিভাগ পরিচালনায় ব্যর্থতা ও এপস্টাইন ফাইলস হ্যান্ডেল করার অভিযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111184/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111182</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111182#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আইন-আদালত]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111182</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_122655.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে চৌহালী আমলী আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_122655.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে চৌহালী আমলী আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।</p>
<p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111182/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111180</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111180#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রিয়দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[সাবলিড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111180</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_121108.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়।
এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/20260421_121108.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়।</p>
<p>এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। সাড়ে ১৮ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। দুপুর ১টায় এ পরীক্ষা শেষ হবে।</p>
<p>সোমবার (২০ এপ্রিল)  সচিবালয়ে ব্রিফিং করেন শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন। তারা জানান, পরীক্ষার সময় ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচলে কেন্দ্র এলাকা যানজটমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা।</p>
<p>এদিকে, ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে গত দুই সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই জরুরি নির্দেশনা জারি করছে শিক্ষাবোর্ডগুলো। ৩ হাজার ২০৯টি কেন্দ্র আনা হয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়।</p>
<p>এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, অনেক জায়গায় সিসি ক্যামেরা অভ্যস্ত আছে। নতুন জায়গায় কেন্দ্র সচিবদেরকে সেভাবে অনুপ্রাণিত করেছি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111180/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা সবাইকে সচেতন হতে হবে: আন্তর্জাতিক ধরিত্রী দিবসে মহাসচিবের আহবান</title>
		<link>https://www.bbc24news.com/111178</link>
		<comments>https://www.bbc24news.com/111178#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jalal</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্ন্তজাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ ও জলবায়ু]]></category>

		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bbc24news.com/111178</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/9e55d9ec4d8e46edd802ffa4f6c085d4dfea941c19ef1361.jpg" alt="" /></span>বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকৃতিকে ধ্বংসযজ্ঞের করা কারুকাজ হতে পারে না। ধরিত্রী মাতা আমাদের সবকিছু দিয়েছেন। আমরা তার প্রতিদান দিয়েছি বেপরোয়া ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে – তার বাতাস দূষিত করে, জল বিষাক্ত করে, জলবায়ুকে অস্থিতিশীল করে এবং অগণিত প্রজাতিকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে। তিনি বিপদ সংকেত দিচ্ছেন – আগুন, বন্যা, খরা, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মাধ্যমে। তবুও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bbc24news.com/cloud/archives/2026/04/9e55d9ec4d8e46edd802ffa4f6c085d4dfea941c19ef1361.jpg" alt="---" />বিবিসি২৪নিউজ, ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকৃতিকে ধ্বংসযজ্ঞের করা কারুকাজ হতে পারে না। ধরিত্রী মাতা আমাদের সবকিছু দিয়েছেন। আমরা তার প্রতিদান দিয়েছি বেপরোয়া ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে – তার বাতাস দূষিত করে, জল বিষাক্ত করে, জলবায়ুকে অস্থিতিশীল করে এবং অগণিত প্রজাতিকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে। তিনি বিপদ সংকেত দিচ্ছেন – আগুন, বন্যা, খরা, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মাধ্যমে। তবুও আমাদের প্রতিক্রিয়া বিপজ্জনকভাবে অপর্যাপ্ত। সমাধান আমাদের কাছেই আছে। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশে, নবায়নযোগ্য শক্তি এখন বিদ্যুতের সবচেয়ে সস্তা উৎস। জলবায়ু কার্যক্রম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং জীবন বাঁচাচ্ছে। কিন্তু আমরা খুব ধীরে এগোচ্ছি। আমাদের অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা ভাঙতে হবে, বৃহৎ পরিসরে প্রকৃতিকে রক্ষা ও পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং তাদের জন্য জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যারা এই সংকট সৃষ্টিতে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেছে অথচ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সারা বিশ্বে তরুণ কর্মী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, বিজ্ঞানী এবং নাগরিক সমাজ ইতিমধ্যেই পথ দেখাচ্ছে। তাদের শক্তিই আমাদের শক্তি। সরকার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই সেই সাহসের সাথে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে  আমাদের গ্রহের জন্য, তার উপর নির্ভরশীল সকলের জন্য এবং ভবিষ্যৎ প্রতিটি প্রজন্মের জন্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bbc24news.com/111178/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
