শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

BBC24 News
মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট ২০২৫
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » ন্যাটো দেশগুলো রাশিয়াবিরোধী,যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি মেদভেদেভের
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » ন্যাটো দেশগুলো রাশিয়াবিরোধী,যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি মেদভেদেভের
৩৪২ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ন্যাটো দেশগুলো রাশিয়াবিরোধী,যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি মেদভেদেভের

---বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বলেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তের জন্য ন্যাটোকে দায়ী করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইংরেজি ভাষায় লেখা এক পোস্টে দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ‘মধ্য ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারসংক্রান্ত রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ন্যাটো দেশগুলোর রাশিয়াবিরোধী নীতির ফল।’

গতকাল সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই বিবৃতি দেয়। এর পরপরই উল্লেখিত পোস্ট দেন মেদভেদেভ। তিনি কয়েক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনলাইনে কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।এক্সে দেওয়া সর্বশেষ পোস্টে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মেদভেদেভ আরও বলেন, ‘এটি একটি নতুন বাস্তবতা, যা আমাদের সব প্রতিপক্ষকে মেনে নিতে হবে। আরও পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’

তবে আরও পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে বললেও সেটি কী হতে পারে, সে বিষয়ে মেদভেদেভ কিছু বলেননি।

মেদভেদেভের সঙ্গে কথার লড়াইয়ের জের ধরে গত সপ্তাহে ট্রাম্প রাশিয়ার কাছে ‘উপযুক্ত অঞ্চলে’ যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

গতকালের বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউরোপ ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে, তা তাদের স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনসংক্রান্ত নীতির পুনর্মূল্যায়নের কারণ হয়েছে।মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ‘ইউরোপ ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি মাঝারি ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে, একই ধরনের অস্ত্র মোতায়েন না করার রাশিয়ার একতরফা স্থগিতাদেশ বজায় রাখার যৌক্তিকতা আর থাকছে না।’

এ প্রসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ গত বছর বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবে মস্কোকে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনসংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নিতে হতে পারে।

গত ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লাভরভ বলেন, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনে মস্কোর একতরফা স্থগিতাদেশ প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং তা পরিত্যাগ করতে হবে।তখন লাভরভ আরও বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে রাশিয়া ও চীনের সতর্কতা উপেক্ষা করেছে এবং বাস্তবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এ শ্রেণির অস্ত্র মোতায়েন শুরু করে দিয়েছে।’

২০১৯ সালে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মধ্যমপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি (আইএনএফ) লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে বের করে আনেন। মস্কো সে সময় বলেছিল, যদি ওয়াশিংটন এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন না করে, তবে তারাও মোতায়েন করবে না।

উল্লেখ্য, আইএনএফ ১৯৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। এর মাধ্যমে ইউরোপে ভূমিভিত্তিক মধ্যমপাল্লার পারমাণবিক ও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়।

সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ও যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের মধ্যে আইএনএফ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।



আর্কাইভ

ইরানকে নেতৃত্বশূন্য করতে চাই: যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কি নতুন পথে?
উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ে লন্ডভন্ড দুই শতাধিক ঘরবাড়ি
ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ নয়’: ট্রাম্পকে ইউরোপীয় নেতারা
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
ইরানি ‘শাহেদ’কে টেক্কা দিতে মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন, ট্রাম্পের
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ইরানের হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা
ইরাকে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ৪ সেনার মৃত্যু