মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | শিরোনাম | সাবলিড » ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা, প্রস্তুত ইসরায়েলও
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা, প্রস্তুত ইসরায়েলও
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জেরে তেহরান যদি ইসরায়েলের ওপর পাল্টা আঘাত হানে, তবে তা মোকাবিলায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সব ফ্রন্টে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ইসরায়েলের নর্দান কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল রাফি মিলো রোববার (২৫ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি এবং শক্তিবৃদ্ধির বিষয়টি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
চ্যানেল ১২ নিউজ কর্তৃক প্রচারিত বক্তব্যে মিলো বলেন, মার্কিন হামলা শুরু হলে ইরান যে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই আইডিএফ উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। বিশেষ করে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই সংঘাতে যোগ দেবে কি না, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং যেকোনো আক্রমণাত্মক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানকে সতর্ক করেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা গণ-ফাঁসি কার্যকর করা হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকাকালীন ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে তিনি একটি বিশাল নৌবহর ইরানের দিকে পাঠাচ্ছেন।
মার্কিন নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং তার সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। এদিকে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো আকারের হামলাকে তারা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং তার উপযুক্ত জবাব দেবে।
এই যুদ্ধংদেহি পরিস্থিতির প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রধান শমুয়েল জাকাই বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে একটি চিঠির মাধ্যমে সতর্ক করে বলেছেন, এই অঞ্চলটি এখন একটি ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়ের’ দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমাগত পরিবর্তনশীল হওয়ায় প্রয়োজনে ইসরায়েলি আকাশসীমা আবারও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় আকাশসীমা বন্ধ থাকায় হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েছিলেন।
ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অনেক এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ফ্লাইট বাতিল করতে শুরু করেছে। ডাচ এয়ারলাইনস কেএলএম ঘোষণা করেছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা তেল আবিব, দুবাই ও রিয়াদের মতো শহরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা করবে না এবং ইরাক, ইরান ও ইসরায়েলের আকাশসীমা এড়িয়ে চলবে।
অন্যদিকে এয়ার ফ্রান্স দুবাইয়ে তাদের সেবা পুনরায় চালু করলেও রিয়েল-টাইমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে ইসরায়েলের এল আল, আরকিয়া এবং ইসরাইর এয়ারলাইনস যাত্রীদের টিকিট বাতিলের শর্ত শিথিল করেছে। আবহাওয়া জনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ফ্লাইট বাতিল হওয়া ছাড়া বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে, তবে যাত্রী ও এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।




২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের চরম উষ্ণতা শিকার হবে বাংলাদেশ: অক্সফোর্ডের গবেষণা
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী, ইরান ও হিজবুল্লাহর যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
প্রবাসীদের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ এলে নগদ প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
ভারত বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু
বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করলো আইসিসি
চলে গেলেন বাংলাদেশের একাত্তরের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় ক্ষতিগ্স্ত হবে বাংলাদেশ
জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা
ইরান-মার্কিন সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে 