শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » অর্থনীতি | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক, বাংলাদেশকে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে
ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক, বাংলাদেশকে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে
বিবিসি২৪নিউজ,অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা: বিশ্বের ১৫৭টি দেশের পণ্যে বিভিন্ন হারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুল্ক আরোপ যে করা হবে, তা অনেক আগে থেকেই জানা। নির্বাচনের প্রচারণায় এই অঙ্গীকার তিনি আগেই করেছিলেন।
এই পাল্টা শুল্ক আরোপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, এত দিন বিশ্বের অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়েছে। এই শুল্কের মধ্য দিয়ে তার অবসান হলো। উচ্ছ্বসিত হয়ে তিনি এদিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে আখ্যা দেন। কিন্তু সেই পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। যদিও ট্রাম্প দমে যাওয়ার লোক নন, তিনি ভিন্ন আইনের প্রয়োগ করে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাণিজ্যব্যবস্থায় আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হলো বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে বলে মনে করেন তাঁরা।বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অনেক দেশের রপ্তানির মূল গন্তব্য। ভিয়েতনামের মতো অনেক দেশ রপ্তানিনির্ভর প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রপ্তানি করে, যুক্তরাষ্ট্রে এসব দেশে তত পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করে না। ফলে এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যঘাটতি বিপুল।
ট্রাম্প এ বিষয়কে ক্ষতিকর বলে মনে করেন। এ কারণে যেসব দেশ মার্কিন পণ্যে যত পরিমাণ শুল্ক আরোপ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের পণ্যে তার ভিত্তিতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। সেই সঙ্গে আগের নিয়মিত শুল্ক তো ছিলই। এই প্রেরণার ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ট্রাম্প পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন। যদিও পরবর্তীকালে তার সংশোধন হয়। আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথক বাণিজ্য চুক্তি হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন আগে বাংলাদেশের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি হয়।
কথা ছিল, যে দেশ মার্কিন পণ্যে যত শুল্ক আরোপ করে, সেই দেশের পণ্যে ঠিক ততটাই শুল্ক আরোপ করা হবে। ২ এপ্রিলের ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তা করতে পারতাম; কিন্তু তাতে অনেক দেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়বে।’ চীনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চীন মুদ্রা কারসাজিসহ বাণিজ্যবাধা সব মিলিয়ে মার্কিন পণ্যে ৬৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে; যুক্তরাষ্ট্র করবে তার প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ ৩৪ শতাংশ। সব দেশের বেলায় কমবেশি এই নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। ফলে এ ঘটনায় বিপর্যস্ত হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন ট্রাম্প। তখন সব দেশের পণ্যে গড়ে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।




বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়, ভারতকে ছাড়িয়েছে
বিশ্ববাজারে রেকর্ড, সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম
সাইবার হামলার শঙ্কা, বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
সরকারের মাথাপিছু ঋণ দেড় লাখ টাকা
বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য:বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
সবুজ সংকেত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো
বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে
বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন : প্রধানমন্ত্রী 