শিরোনাম:
●   সাংবাদিক হত্যার অধিকাংশর ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো ●   যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ●   এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ ●   সৌদি আরবের যুদ্ধে- হুথিদের বিরুদ্ধে কি সরাসরি জড়াবে পাকিস্তান? ●   তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদহ উদ্ধার ●   স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ●   ইসরায়েলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না কেউ, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন ●   যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় গণহত্যা চালিয়ে গেছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ ●   হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদির ●   বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

BBC24 News
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | শিরোনাম | সাবলিড » যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | শিরোনাম | সাবলিড » যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
৩৭ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

20261102_235941.jpgবিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দুই বছর পর আবারও ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে। তবে সেই ভোটে হোয়াইট হাউজের নতুন বাসিন্দা বেছে নেন না ভোটাররা।

বরং এই ভোটেই নির্ধারিত হয়, প্রেসিডেন্টের বাকি মেয়াদে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ কতটা সহজ হবে। চার বছর মেয়াদের মাঝপথে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন বা মিডটার্ম ইলেকশন নামে পরিচিত।

আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন। এতে কংগ্রেসের দুই কক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লড়বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি এবং বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি দুই বছর পরপর কংগ্রেসের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, সিনেটরদের মেয়াদ ছয় বছর।

কংগ্রেসের মূল কাজ হলো দেশজুড়ে কার্যকর হবে এমন আইন তৈরি, আলোচনা ও পাস করা। পাশাপাশি, সরকারের বিভিন্ন কাজের ওপর নজরদারি করাও কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

কাদের নির্বাচন হবে

এবার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই কক্ষের সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে, সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ভোট হবে ৩৫টিতে। সিনেটরদের মেয়াদ ছয় বছর হওয়ায় প্রতি দুই বছর পরপর এই কক্ষের একাংশের আসনে নির্বাচন হয়।

একই দিনে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া ও মিশিগানের গভর্নর নির্বাচন বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে।

নির্বাচনে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে

এবারের নির্বাচনে অর্থনীতি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাপে রয়েছেন অনেক মার্কিন নাগরিক। পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাদের মধ্যে।

এদিকে, ট্রাম্পের বাণিজ্য শুল্কনীতির কারণে পণ্যের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ ডেমোক্র্যাটদের। শুল্ক আরোপের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে, দাবি তাদের।

অন্যদিকে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণও এবারের নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ট্রাম্প নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন বলে দাবি রিপাবলিকানদের। তবে, এসব অভিযানের কিছু কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

একই সঙ্গে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও নির্বাচনি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। দুই দলের অনেক নেতা এআইয়ের বিকাশ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়নের পক্ষে থাকলেও ট্রাম্প এর বিরোধিতা করেছেন।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কেন গুরুত্বপূর্ণ

বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষই রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে দলটির আসন ২১৮টি। অন্যদিকে, সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন রয়েছে ৫৩টি।

তবে, দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে হাউজে আসনের ব্যবধান কম হওয়ায় নির্বাচনে সামান্য পরিবর্তনও ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা হাউজ কিংবা সিনেটের যে কোনো একটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে, কংগ্রেসের বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে তার প্রশাসনের কার্যক্রম তদন্ত করার সুযোগও পাবে বিরোধী দল।

তবে, রিপাবলিকানরা দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ তুলনামূলক সহজ হবে। কারণ, তখন আইন পাস করা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নিতে তাকে বিরোধী দলের বাধার মুখে কম পড়তে হবে।

আগামী ২০২৮ সালের নির্বাচনেও প্রভাব

মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের নাম ব্যালটে থাকে না। তবে, এই নির্বাচনের ফলাফলকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও তার নীতির প্রতি জনগণের সমর্থনের একটি পরিমাপক হিসেবে দেখা হয়।

সাধারণত এ ধরনের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলকে ভোটারদের অসন্তোষের মুখে পড়তে হয়।

এদিকে, এবারের নির্বাচনের ফলাফল ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরেও আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প।

ফলে, তার উত্তরসূরি হিসেবে রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে নির্বাচনের পর আলোচনা আরও জোরালো হতে পারে। একই সঙ্গে, দলটির নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়েও শুরু হতে পারে নতুন হিসাবনিকাশ।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট দলের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হতে পারে।

পাশাপাশি, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল দলটির ২০২৮ সালের নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণেও প্রভাব ফেলতে পারে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে।



আর্কাইভ

সাংবাদিক হত্যার অধিকাংশর ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
সৌদি আরবের যুদ্ধে- হুথিদের বিরুদ্ধে কি সরাসরি জড়াবে পাকিস্তান?
তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদহ উদ্ধার
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
ইসরায়েলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না কেউ, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন
হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদির
বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান:
রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার: জাতিসংঘ