সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » গুম প্রতিরোধ, বিচার ব্যবস্থা সংস্কারসহ ২০ অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপির আপত্তি?
গুম প্রতিরোধ, বিচার ব্যবস্থা সংস্কারসহ ২০ অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপির আপত্তি?
বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করতে জাতীয় সংসদে বিল আকারে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। বাকি ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল আকারে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। আর ২০টি অধ্যাদেশ আপাতত আর আইনে রূপান্তর হচ্ছে না।
গত বৃহস্পতিবার সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন সুপারিশ প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন।
সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যে ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন শক্তিশালীকরণ, দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগের মতো বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও আইনজীবীরা বলছেন, যে ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে, তাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগ হোঁচট খাবে।
এর বিপরীতে, ওইগুলো আইনে পরিণত করলে একদিকে যেমন জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেতো, অন্যদিকে গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতিসহ বাড়তো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
যদিও বিএনপি দাবি করছে, যে অধ্যাদেশগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বিশেষ কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই করা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ও ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সদস্য ইফতেখারুজ্জামান মনে করছেন, আমলাতন্ত্রের পরামর্শ অনুযায়ীই বর্তমান সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইছে না। এর ফলে জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে সংস্কার বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটা থমকে যাবে।
বিশেষ কমিটির সভাপতি ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “আমাদের বিশেষ কমিটির তিনটি মিটিং হয়েছে, সেখানে বিরোধী দলেরও সদস্য রয়েছেন। সেখানে সবগুলো অধ্যাদেশ ভালভাবে আলাপ আলোচনা করেই এই সুপারিশ করা হয়েছে”।গুম প্রতিরোধে অধ্যাদেশের কী হবে?
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিএনপির অনেক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। এছাড়াও জামায়াতসহ ভিন্নমত দমনে বিগত সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুম খুনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগও উঠেছিল।
যে কারণে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গুমের তদন্তে আলাদা কমিশন গঠন করে। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে গুম প্রতিরোধে প্রথমবারের মতো একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
গুম থেকে সব ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের আইনি কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
এতে গুমকে ‘চলমান অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এর সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয় মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
তবে ওই বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারিকৃত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ২০২৫’টি বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করেনি। এর ফলে এই অধ্যাদেশটি কার্যকারিতা হারাবে।
বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে সরকারের আপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কারণে আটককে গুমের সংজ্ঞা থেকে বাদ দিতে হবে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তে সরকারের পূর্ব অনুমতি নিতে হবে।
বিরোধী দল এতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। তারা বলেছেন, যে কারণেই কোনো সংস্থা, বাহিনী কাউকে আটক করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের সামনে উপস্থাপন না করলে, তা সংবিধানের লঙ্ঘন।
বিশেষ কমিটি গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করেনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অধ্যাদেশটি সম্পর্কে মতামতে বলেছে, ‘গুম একটি সংবেদনশীল অপরাধ। এর সঙ্গে সরকারের শৃঙ্খলা-বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায় সম্পৃক্ত’। তাই অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তর না করে সংশোধনসহ নতুন আইন করার মতামত দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
গুম সংক্রান্ত এই অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারের আইন মন্ত্রণালয় যে আপত্তি জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে খোদ বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও কমিটির সদস্য নওশাদ জমির নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। এর পেছনে তার যুক্তিও তিনি তুলে ধরেছেন বিশেষ কমিটির কাছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বিবিসি বাংলাকে বলেন, “বিগত সরকারের শাসনামলে সবচেয়ে বেশি গুমের স্বীকার হয়েছে বিএনপি। এই অধ্যাদেশে বিতর্কিত কিছু থাকলে সেটি সংশোধনী আকারে উপস্থাপন করা যেতো”।
এর পেছনে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও আমলাতন্ত্রের ইশারাকে দায়ী হিসেবে দেখছেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেছেন, “যে অধ্যাদেশগুলো বাদ দেওয়া বা রিভিউয়ের নামে ফেলে দেওয়ার পায়তারা চলছে বা কমিটি থেকে এই ধরনের সুপারিশ এসেছে সেগুলো আমলাতন্ত্রের পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে হচ্ছে। এখানে মূল প্রতিরোধক শক্তি হচ্ছে আমলাতন্ত্র”।
বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বিবিসি বাংলাকে বলেন, “আমরা মনে করি যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেগুলো সংসদে আলাপ আলোচনা করে নির্ধারিত করা ভাল”।বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্ন
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় থেকে শুরু করে বিচার বিভাগের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ ছিল।
যে কারণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে সামনে আসে।
অধ্যাপক ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ জারি করে।
এতে বলা হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করবে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে স্বতন্ত্র এই কাউন্সিল যোগ্য ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতি বরাবর সুপারিশ করবে।
এছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারকের নিয়োগ বা বদলির জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে এসব বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা পুরোপুরিভাবে সুপ্রিম কোর্টের কাছে যেত, যা বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয় করে থাকে। এই অধ্যাদেশটিও কার্যকারিতা হারাচ্ছে।
আইনজীবীরা বলছেন, এই আইন থাকলে অধিকতর যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগের সুযোগ বাড়ে; কিন্তু বর্তমান সরকার এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করছে না। ফলে নতুন আইন না হওয়া পর্যন্ত বিচারক নিয়োগ আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।
আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল মনে করেন, এই অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়ার ফলে একদিকে যেমন দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, অন্যদিকে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপির যে কমিটমেন্ট ছিল তাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
তিনি বলছেন, “এই অধ্যাদেশে কোনো দুর্বলতা বা ঘাটতি থাকলে সরকার সেটি সংশোধনের কথা বলতে পারত। সেসব না করে পুরোপুরি আইনটি বাতিল করা কোন সমাধান নয়”।
যদিও সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলছেন, “এমন অনেক আইন আছে সেগুলো সংবিধানের মূল আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। সেই জিনিসগুলো পার্লামেন্টে বিল আকারে আসবে। সেগুলো আমরা পরীক্ষা করবো, পার্লামেন্টে আলোচনার পর সেগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে”।মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতার প্রশ্ন
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। সেই সময় বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সংস্থাটিকে প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন ও কার্যকর করতে কিছু মৌলিক পরিবর্তন এনে অধ্যাদেশ করেই জারি করা হয়েছিল অধ্যাদেশ।
এতে মানবাধিকার কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে গুম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও সংস্থার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তসহ ব্যাপক ক্ষমতা পেয়েছিল।
এছাড়া মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে সার্চ কমিটির বিধান করা হয়। সরকার চাইলেই যাতে সরিয়ে দিতে না পারে, সে জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ পদ্ধতিতে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে অপসারণের বিধান করা হয়েছিল।
কিন্তু সরকার যে ১৬টি বিল এখনই সংসদে বিল আকারে না তোলার সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে এই বিলটিও বেশ আলোচিত।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ও ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ইফতেখারুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “মানবাধিকার কমিশনসহ বিভিন্ন স্বাধীন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না গেলে সেটি এখন আবার ব্যাকফায়ার করবে। যেটি হবে সরকারের জন্য আত্মঘাতী। এটি হয়তো বর্তমান ক্ষমতাসীনরা ভূলে গেছে”।
বিশেষ কমিটি মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশটিও বিল আকারে সংসদের উপস্থাপনের পক্ষে ছিল জামায়াতে ইসলামী। যে কারণে বিশেষ কমিটির এই সিদ্ধান্তে জামায়াত এমপিরা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।
এর বাইরেও বিএনপির এমপি ও কমিটির সদস্য নওশাদ জমিরও নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। সেখানে আইন মন্ত্রণালয়ের আপত্তিগুলোর পক্ষে বিপক্ষে দুই ধরনের মতামতও দিয়েছেন মি. জমির।
সেখানে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনাগুলোর অসঙ্গতিও তিনি তুলে ধরেছেন তার নোট অব ডিসেন্টে।১৫টিতে সংশোধন, কার্যকারিতা হারাচ্ছে ২০টি
বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
গত ১২ই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, ১০ই এপ্রিলের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো সংসদ অনুমোদন না করলে সেটা কার্যকারিতা হারাবে।
সংসদের প্রথম দিনই বিএনপি নেতা ও বরিশাল- ৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনকে সভাপতি করে ১৩ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য। যেই কমিটির ১০ সদস্য বিএনপির এবং বাকি তিনজন জামায়াতে ইসলামীর।
সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনই অধ্যাদেশগুলো যাচাই–বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি ১১৩টি অনুমোদনের সুপারিশ করে।
এর মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল করা এবং ১৬টি এখনই সংসদে বিল আকারে না তোলার সুপারিশ করা হয়েছে।
এই ১৬টি পরবর্তী সময়ে যাচাই–বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।
অর্থাৎ এই ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে। এর মধ্যে আছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত দুটি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত তিনটি, গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত দুটি, দুদক সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ। এছাড়া আছে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ।
আগামী সোমবার থেকে অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করবে জাতীয় সংসদ। যেসব অধ্যাদেশ অনুমোদন করা হচ্ছে, সেগুলোর পাশাপাশি যে চারটি রহিত করা হবে, সেগুলোও বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে।
রোববার থেকে আবার অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই অধিবেশনে বিল আনা হবে ১১৭টি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিল উত্থাপনের পর এখানে সংশোধনী প্রস্তাব দিয়ে আলোচনা করবেন। এই আলোচনায় অংশ নেবেন বিরোধী দলের সদস্যরাও।
তবে, তাঁদের সংশোধনী গ্রহণ করা হবে কি না, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে সরকারের ইচ্ছার ওপর।




সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়স নির্ধারণে সংসদে বিল পাস
টিকা কেনা নিয়ে যা ঘটেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস
সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল
জ্বালানি মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নেতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে প্রথমবার নয়া পল্টনের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
পদ্মায় বাসডুবি: ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস, বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে জাতি 