মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | জাতীয় | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত-এমন অবস্থান তুলে ধরে মিয়ানমারের ওপর ঐক্যবদ্ধ ও ধারাবাহিক কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ঢাকা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সাইডলাইনে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) কন্ট্যাক্ট গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ মোকাবিলা এবং তাদের নিজভূমিতে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক ও সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশের অবস্থান হলো-মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছেন। ২০২৪ সালের শুরু থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত ও সহিংসতার কারণে আরও প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকটে কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপরও চাপ বাড়ছে। মানবিক সহায়তার ঘাটতি, ক্যাম্পের ঘনবসতি এবং মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের কারণে সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রায় গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।
২০২৬ সালের রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (JRP) অনুযায়ী, কক্সবাজার, ভাসানচর এবং আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের জন্য ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। জাতিসংঘ ও অংশীদাররা জানিয়েছে, এই অর্থ জীবন রক্ষাকারী জরুরি সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম অর্থায়ন।
রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট আলোচনায় উঠে এসেছে-মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা, মানবিক সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং রোহিঙ্গাদের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা।
জাতিসংঘ ও এর অংশীদারদের মতে, রোহিঙ্গা সংকটের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই সমাধান হলো তাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন। তবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।




আফগানিস্তানে বিবিসি বন্ধ করে দিল তালেবান সরকার
ভারতের ‘মানক ভৌগোলিক নাম’ প্রকাশের বিরোধিতা চীনের
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলেছিলেন শান্তিতে নোবেল পাওয়া নাভি পিল্লাই
সন্দেহের বশে বাংলাদেশি বলে কাউকে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট
ইরানে হামলা নিয়ে নতুন ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের অতর্কিত হামলায় নিহত ৩, বাংলাদেশিসহ আহত ৩৬
‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ “মিঠুন চক্রবর্তী” এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত
যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করে রাশিয়াকে সমর্থন উ. কোরিয়ার 