রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | প্র্রবাহ | শিরোনাম | সাবলিড » করোনা আতঙ্কে ঢাকা এখন ফাঁকা !
করোনা আতঙ্কে ঢাকা এখন ফাঁকা !
বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালাল,ঢাকা : ট্রাফিক জ্যাম, গাড়ির অনবরত হর্ন, কিংবা প্রতিদিন সকালে স্কুল-অফিসে যাওয়ার জন্য সাধারণ নাগরকিদের যে ব্যস্ততা ,তা সবই এখন বদলে গেছে। দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে আতঙ্ক। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গণপরিবহনেও। ভাইরাসের আতঙ্কে ঢাকার সাধারণ বাসিন্দারাও এখন প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হচ্ছেন না।
দেশে কভিডে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে ৪ এপ্রির পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান নিশ্চিত করতে গত বুধবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোচিং সেন্টারসহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন অনেকেই।গত কয়েকদিনের ধরে দেখা যাচ্ছে, অন্যান্য স্বাভাবিক দিনগুলোর মতো রাস্তায় তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না গণপরিবহন বা ব্যক্তিগত যানবাহনগুলো। তাই চিরচেনা রাজধানীর যানজটও এখন আর তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না।
গতকালও ঢাকার রাস্তাঘাট ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র, এ যেন এক অন্য ঢাকা। মনে হচ্ছে ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হয়ে গেছে শহর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা খিলগাঁও, মৌচাক, কাকরাইল, মতিঝিলসহ বেশ কিছু এলাকায় ছিল প্রায়ই জনশূন্য। যে শহরের যানজটে বিরক্ত নগরবাসী বারবার শহরটা ছেড়ে দিতে চান, সেই নগরবাসী এখন গৃহবন্দী। সকাল থেকে রাত অব্দি শহরজুড়ে চলে না গাড়ি। দিনের আলোয় তাও কিছু মানুষের দেখা মেলে, সন্ধ্যা এলে অদ্ভূত এক শূন্যতা এসে ভর করে তিলোত্তমাকে। লাখো প্রাণে কল্লোরিত রাতের ঢাকা এখন ভূতুড়ে নগরীতে রূপ নিয়েছে।
শুক্র ও শনিবার, এ দুই রাত ঢাকা শহর ঘুরে দেখা মিললো ভিন্নতর দৃশ্য। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সবগুলো স্থান- বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশ মুখ, নতুন বাজার, বনানী, মহাখালী, বিজয় সরণী মোড়, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ, পল্টন, গুলিস্থান, দৈনিক বাংলা ও মতিঝিলের রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন ভবনের নিরাপত্তাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ছাড়া আর কাউকেই সেভাবে চোখে পড়েনি।
রাত পৌনে আটটার দিকে এশার নামাজ আদায় করতে অনেকে ঘর থেকে বের হলেও এরপর রাস্তায় সাধারণ মানুষের দেখা মেলেনি। শনিবার রাত আটটার দিকে রাজধানীর অন্যতম প্রধান আবাসিক এলাকা সেগুনবাগিচায় প্রবেশ করতেই গা হিম করে যেতে বাধ্য। রূপকথার গল্পের মতো, কেউ যেন ‘রূপার কাঠি’ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে গেছে সদা ব্যস্ত এই আবাসিক এলাকাকে।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ ভবনের পাশ ঘেঁষে চলে যাওয়া গলি দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই রাস্তায় কুকুরের বাঁধা। সারাদিন মানুষ না দেখে প্রাণিগুলো মানুষ দেখতেই যেন সম্ভাষণ জানাচ্ছে। কিছু দূর পেরিয়েই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ভবন। ঢাকা শহরে কর্মরত প্রতিবেদকদের আড্ডাস্থলটি এখন জনমানব শূন্য।
পুলিশ থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে। তবে দড়ি আমরা আমাদের নিজ উদ্যোগেই লাগিয়েছি। সেগুনবাগিচা পেরিয়ে পল্টন মোড়ে কাউকেই নজরে পড়েনি। তবে দৈনিক বাংলা মোড় ছিল বেশ জমজমাট। কাঁচা সবজির বাজার বসেছে সেখানে। জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসা মানুষের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদেরও বাজার করতে দেখা গেলো সেখানে। তবে এটি পেরিয়ে যেতেই আবার সুনসান নিরবতা।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন- ‘প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, এই করোনাকালে আপনারা যারা পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে রাতে বাসায় ফেরেন, তারা একটু চোখ কান খোলা রেখে সাবধানে চলাফেরা করবেন।




পবিত্র কোরআন হাতে নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন মামদানি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় হাসিনা কখনো মুক্তি পেতে পারে না: নজরুল ইসলাম খান
খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন, মানুষের ঢলে সিক্ত, আশপাশ লোকে লোকারণ্য
খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
খালেদা জিয়ার মৃত্যু, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, বুধবার সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন
সারা দেশে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ২৫৮২টি
কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ
বাংলাদেশে ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী 