শিরোনাম:
●   টেকনাফে অপহরণের পর তিনজনকে গলা কেটে হত্যা ●   পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী ●   এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ●   আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ●   বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা সবাইকে সচেতন হতে হবে: আন্তর্জাতিক ধরিত্রী দিবসে মহাসচিবের আহবান ●   মোসাদের হয়ে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’, দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান ●   আজ থেকে সারা দেশে মিলবে হামের টিকা ●   ইরানের পতাকাবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, তেহরানের পাল্টা ড্রোন হামলা ●   মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, তেল আবিব ওয়াশিংটনের ‘পরম মিত্র’। ●   ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

BBC24 News
শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১
প্রথম পাতা » অর্থনীতি | প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে কালো টাকা সাদা করার রেকর্ড, অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে ১০ হাজার কোটির বেশি!
প্রথম পাতা » অর্থনীতি | প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে কালো টাকা সাদা করার রেকর্ড, অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে ১০ হাজার কোটির বেশি!
১৭২৩ বার পঠিত
শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশে কালো টাকা সাদা করার রেকর্ড, অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে ১০ হাজার কোটির বেশি!

---বিবিসি২৪নিউজ, সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশে চলতি অর্থবছরের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বলছে  প্রথম ছয়মাসে ১০ হাজার ২২০ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় প্রায় সাড়ে নয়শ কোটি টাকা কর দিয়ে বৈধ করেছেন সাত হাজার ৪৪৫ জন করদাতা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

কারণ পুরো অর্থবছরেও কখনো এত বিপুল পরিমাণ টাকা সাদা করার উদাহরণ নেই।অর্থবছরের নিয়মিত আয়কর আদায়ের স্বাভাবিক যে লক্ষ্যমাত্রা সেটি করোনা মহামারির কারণে অর্জিত হবে কি-না তানিয়ে অনেকেই সন্দিহান হলেও এর মধ্যেই কালো টাকা সাদা করার রেকর্ড ভঙ্গ হলো যাতে সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারে যোগ হলো প্রায় এক হাজার কোটি টাকা।

রাজস্ব বোর্ডের আয়কর বিভাগের কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্বে থাকা সদস্য হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ বলছেন, অপ্রদর্শিত আয় সম্পর্কিত আইনে পরিবর্তন এসেছে চলতি বছরের বাজেটে, যা করদাতাদের অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে উৎসাহিত করছে।

“প্রধান ফ্যাক্টরটাই হলো আইন। আইনটা এবার করা হয়েছে। এর আগে কোনো আইনের আওতায় তারা দেখাতে পারছিলোনা। বেশ কয়েক বছর পর এ ধরণের আইন হওয়াতে তারা সাহস পাচ্ছে। কারণ আইন অনুযায়ী কোনো সংস্থা তাদের এখন আর কোন প্রশ্ন করতে পারবেনা”।

কিন্তু অপ্রদর্শিত আয় কর পরিশোধ করে সাদা বা বৈধ করলে অন্য কোনো সংস্থা প্রশ্ন করতে পারবেনা এমন বিধান তো আগেও ছিলো তাহলে এবার কেন বেশি টাকা সাদা হলো।

এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ বলেন, “এবার এটাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। আবাসন খাতের সুযোগ আগেও ছিলো। কিন্তু এবার যোগ হয়েছে নগদ টাকার বিষয়। অর্থাৎ নগদ টাকাও অপ্রদর্শিত আয় দেখানো যাবে।”কিন্তু যে আইনকে রাজস্ব বোর্ড হঠাৎ করে অপ্রদর্শিত আয় সাদা করার ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হিসেবে বর্ণনা করছে সে আইনে কি বলা হয়েছে। বা আগে যে বছরের পর পর কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হচ্ছিলো তখনকার তুলনায় নতুন আইনে বেশি কি ধরনের সুযোগ রাখা হয়েছে যা কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয়ের মালিকদের টাকা সাদা করতে উৎসাহিত করে তুলেছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে আয়কর আইন বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলছেন, টাকা সাদা করার যে নজিরবিহীন রেকর্ড তৈরি হয়েছে তার পেছনে আছে নজিরবিহীন দুটি সুবিধা, যা সরকার চলতি অর্থবছরের জন্য দিয়েছে।

“আগে ভয় কাজ করতো যে এনবিআরকে অপ্রদর্শিত আয়ের তথ্য দিলে দুদক বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন করবে। কিন্তু এবারে পূর্ণ অ্যামনেস্টি দেয়া হয়েছে যে কোনো অথরিটি কোনো প্রশ্ন করতে পারবেনা। এটাই আস্থা তৈরি করেছে অনেকের ক্ষেত্রে । আর আগে নিয়ম ছিলো যে অপ্রদর্শিত আয় থাকলে সেটার নিয়মিত কর এবং সাথে অতিরিক্ত দশ শতাংশ কর দিতে হবে। আর এবার সব মিলিয়ে মোট দশ শতাংশ করের বিধান করা হয়েছে”।

আর মূলত এ দুটি সুবিধার জন্য এবারে রেকর্ড পরিমাণ অপ্রদর্শিত আয় আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দেয়ার স্বাভাবিক সময় শেষ হয়েছে।

মিস্টার বড়ুয়া বলছেন করোনা মহামারির মধ্যে স্বাভাবিক কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এবার অর্জিত হবেনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে এবং সে কারণে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার মাধ্যমে সরকারের যে হাজার কোটি টাকা কর আদায় হলো সেটি সরকারকে স্বস্তি দেবে।

“এক হাজার কোটি টাকার মতো কর এনবিআর সংগ্রহ করতে পেরেছে এসব ইনিশিয়েটিভের কারণে। এ সম্পদ সম্পদ বিবরণীতে ঢুকে যাওয়াতে কিন্তু আর করদাতা গোপন করতে পারবেননা। এ সম্পদ থেকে আয় আসলে তাও দেখাতে হবে আবার করের ওপর সারচার্জও দিতে হবে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে একটা ইতিবাচক কর প্রভাব তৈরি হবে”।

কিন্তু কারা তাদের অপ্রদর্শিত আয়কে বৈধ করেছেন সেটি গোপনীয় তথ্য হিসেবে প্রকাশ করেনা এনবিআর। তবে তারা এটুকু বলেছে যে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা কালো টাকা প্রায় ২২ কোটি টাকা কর দিয়ে সাদা করেছেন ২০৫ জন।

আর অপ্রদর্শিত নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা রাখা টাকা, ফ্ল্যাট ও জমি বৈধ করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ করদাতা। আর এর বিপরীতে তারা কর দিয়েছেন প্রায় ৯৪০ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলছেন, শুধু প্রশ্ন না করার সুযোগ কিংবা কর কমিয়ে দেয়া নয় বরং আরও কিছু সুযোগ দেয়া হয়েছে যার সুযোগ নিচ্ছেন কালো টাকার মালিকদের অনেকে।

“উৎস জিজ্ঞেস করা যাবেনা এটা মূল কারণ। কিন্তু এছাড়াও এ বছর বলা হয়েছে যে কোনো ভূমি, ফ্লাট, বাড়ি, জমি লোকেশন ও প্রতি বর্গমিটার অনুযায়ী নির্দিষ্ট কর দিয়ে সাদা করা যাবে। পাশাপাশি এফডিআর বা কোনো সঞ্চয় থাকলে তাও সাদা করা যাবে। কোনো ক্ষেত্রেই উৎস জিজ্ঞেস করা যাবেনা”।

তিনি বলছেন, এমন বিধান করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতি দেখিয়ে যে একই পেশার করদাতা নিয়মিত কর দিলে বেশি কর দিতে হচ্ছে আবার যারা কর দেননি আগে তারা এখন কম কর দিয়ে টাকা সাদা করে নিচ্ছেন।

“যারা বড় করদাতা তাদের কর কিন্তু ত্রিশ শতাংশে গিয়েও ঠেকে। যারা অনেক বেশি আয় করেন। একজন সৎ করদাতার কাছে এনবিআর চার্জ করবে ১৫/২০/৩০ শতাংশ। আর যিনি নিয়মিত কর দিলেন না তিনি দশ শতাংশ দিয়ে বৈধ করে নিলেন। এটা কিন্তু সৎ করদাতাকে নিরুৎসাহিত করবে”।

রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বলছে এবার অন্যদিকে তবে বাংলাদেশে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া নতুন কিছু নয়। এবার করোনা পরিস্থিতিতে বিবেচনায় নিয়ে কিছু বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে বাজেটে।

বাজেটে দেয়া বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেছিলেন, অন্য আইনে যাই থাকুক না কেন দশ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত জমি, বিল্ডিং, ফ্ল্যাট ও এপার্টমেন্টের প্রতি বর্গমিটারে ওপর নির্দিষ্ট হারে এবং নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড, বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজের ওপর দশ শতাংশ কর প্রদান করে আয়কর রিটার্নে দেখালে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেনা। তবে এসব সুযোগ শুধুমাত্র চলতি অর্থ বছরের জন্যই দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে কালো টাকার পরিমাণ কত তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসেব বা তথ্য নেই। এনবিআরের হিসেবে স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জরিমানা দিয়ে বৈধ করার মোট টাকার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

আর দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবির করা অদৃশ্য অর্থনীতি শীর্ষক এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছিলো যে, জিডিপির ১০ থেকে ৩৮ শতাংশের মধ্যে কালো টাকা ওঠানামা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক সায়মা হক বিদিশা বলছেন, এবার কালো টাকা ব্যাপকভাবে সাদা হওয়ার পেছনে নতুন আইনই একমাত্র কারণ নয়, বরং এবারে পাচারের সুযোগ তুলনামূলক কম থাকায় অনেকে টাকা কর দিয়ে সাদা করেছেন বলে মনে করেন তিনি।

“করোনার কারণে বিদেশে সাথে সংযোগ সেভাবে হয়নি বা ব্যাহত হয়েছে। সে কারণে এ টাকা গুলো দেশের বাইরে চলে যাওয়া বা অপ্রদর্শিত রাখা সম্ভব হয়নি অনেকের পক্ষে। তারাই দেশে এখন বিশেষ সুবিধা নিয়ে টাকা গুলো সাদা করার সুযোগ নিয়েছে”।

রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা, আয়কর আইনজীবী ও কর বিশেষজ্ঞদের ধারণা বাংলাদেশে অপ্রদর্শিত আয়ের একটি বড় অংশই পেশাজীবীদের অপ্রদর্শিত আয়। যেমন চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, এনজিও খাত কিংবা এমন অনেক পেশায় চাকুরীর বাইরেও পেশাগত চর্চার মাধ্যমে অর্থ আয়ের সুযোগ আছে।

এছাড়া ঘুষ দুর্নীতি, অর্থ পাচার, নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যবসা, আন্ডার কিংবা ওভার ইনভয়েসিং এবং জমি ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ কালো টাকা তৈরি হয়। সায়মা হক বিদিশা বলছেন বৈধ আয় কোনো ক্ষেত্রে হয়তো অপ্রদর্শিত আয়ে পরিণত হয়েছে কিন্তু এখন কালো টাকার বড় উৎস হলো ব্যাংক খাত আর দুর্নীতি।

“ব্যাংক খাতের যে ঋণ খেলাপি হয় এগুলোই সাধারণত বিদেশে চলে যায়। আরেকটা বড় ক্ষেত্রে হলো সরকার বেসরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি। এছাড়া ঠিকাদারি, ব্যবসা ও রিয়েল এস্টেট খাতেও ব্যাপক কালো টাকা তৈরি হয়েছে”।

---আয়কর আইন নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সাথে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা।

তিনি অবশ্য বলছেন ব্যাংকে রাখা টাকা বা সঞ্চয়পত্র বা এফডিআর এসবের তথ্য সরকার চাইলেই এখন সহজে পেতে পারে। সে কারণে যাদের অনেকে বেশি পরিমাণে আছে তারা কোনো ঝুঁকি না নিয়ে দশ শতাংশ কর দিয়ে সাদা করে নিয়েছেন।

“আগে ছিলো শুধু বিল্ডিং ও ফ্ল্যাট এবং এগুলোর সাথে সম্পর্কিত জমি প্রদর্শন করে বৈধ করা যেত। কিন্তু এবার আলাদাভাবে জমির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া নগদ, ব্যাংক আমানত, সব ধরণের সঞ্চয় ও সার্টিফিকেট কর দিয়ে সাদা করার ব্যবস্থা এবারই করা হয়েছে। ব্যাংকের আমানত বা এগুলোর তথ্য এনবিআর সহজেই ব্যাংক থেকে পেতে পারে। সেজন্যই এবার এগুলো আয়কর রিটার্নে ব্যাপকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে”।

বাংলাদেশে ২০১২-১৩ সাল থেকেই জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার একটা স্থায়ী নিয়ম তেরি করা হয়েছে। কিন্তু কালো টাকা বিশেষ সুযোগ দিয়ে শেয়ার বাজার বা আবাসন খাতের মতো সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় এলে সেটি দেশের অর্থনীতিতে সত্যিকারভাবে কতটা ভূমিকা রাখে তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলছেন যেসব খাতে কালো টাকা আসে সেগুলো অর্থনীতিতে খুব বেশি অবদান রাখে না বলেই মনে করেন তিনি।

“কালো টাকা সাদা করার যে সুযোগ দেয়া হয় তাতেও খুব একটা আসেনা বা সাদা হয়না। কিছু আসলেও সেটা উৎপাদনশীল খাত বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমন খাতে আসে না। মূলত শেয়ার বাজার বা ফ্লাট কিংবা এপার্টমেন্ট কেনাতেই এগুলো বিনিয়োগ হয়। সেটা অর্থনীতির কতটা কাজে লাগে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে । আর এটা সৎ করদাতাদের প্রতি অবিচার স্বরূপ”।

অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন কালো টাকার নামে অদৃশ্য অর্থনীতির প্রভাব এড়াতে কালো টাকা তৈরির সুযোগই বন্ধ করা দরকার বলে মনে করেন তারা। একই সাথে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে যেসব বিশেষ সুবিধা চলতি বছর দেয়া হয়েছে সেটি অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিরই ক্ষতি হবে মন্তব্য করে তারা বলেন এ ধরণের সুযোগ আর দেয়াটাই উচিত হবেনা।



এ পাতার আরও খবর

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি
ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ শীর্ষে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ শীর্ষে
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কত কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম কত কমল
জ্বালানি সংকট মোকাবেলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবেলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজকে হামলার ‘লক্ষ্যবস্তু বানানোর’ সতর্কতা ইরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজকে হামলার ‘লক্ষ্যবস্তু বানানোর’ সতর্কতা ইরানের
সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল
ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ২৫ শতাংশ ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ২৫ শতাংশ
জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো  ৮০ শতাংশ জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো ৮০ শতাংশ
নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান
বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ‘চালবাজি’ করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে চড়া শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ‘চালবাজি’ করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে চড়া শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

আর্কাইভ

টেকনাফে অপহরণের পর তিনজনকে গলা কেটে হত্যা
এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
মোসাদের হয়ে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’, দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান
আজ থেকে সারা দেশে মিলবে হামের টিকা
ইরানের পতাকাবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, তেহরানের পাল্টা ড্রোন হামলা
মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, তেল আবিব ওয়াশিংটনের ‘পরম মিত্র’।
ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল
হরমুজে জাহাজ চলাচল সম্পন্ন বন্ধ করল ইরান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে হামলা
আবারো হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান