শিরোনাম:
●   সাউথ আফ্রিকা থেকে ইসরায়েলের শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার ●   দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাৎ ●   ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরান বলল ‘প্রস্তুত’ ●   নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রয়োজন : গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ●   বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র ●   অতিরিক্ত সচিব হলেন ১১৮ কর্মকর্তা ●   বাংলাদেশ- চীন ড্রোন চুক্তি ●   ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা, প্রস্তুত ইসরায়েলও ●   সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর দায়িত্ব এ সরকার নেবে না: ফাওজুল কবির খান ●   ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের চরম উষ্ণতা শিকার হবে বাংলাদেশ: অক্সফোর্ডের গবেষণা
ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২

BBC24 News
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » জীবনযাপন | পরিবেশ ও জলবায়ু | লাইফস্টাইল | শিরোনাম | সাবলিড » ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!
প্রথম পাতা » জীবনযাপন | পরিবেশ ও জলবায়ু | লাইফস্টাইল | শিরোনাম | সাবলিড » ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!
৯০৪ বার পঠিত
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!

---বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের পাহাড়ি গ্রাম নোইভা ডো কোরডোইরো। এই গ্রামের সব নারী এবং তরুণী খুবই সুন্দরী।

কিন্তু তা সত্ত্বেও জীবনসঙ্গীর অভাব, বিয়ে করবেন কিন্তু পাত্র যে কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছে না। আর সে কারণেই অবিবাহিত অবস্থাতেই থেকে যেতে হচ্ছে তরুণীদের। খবর ওড়িশ্যা পোস্টের।

এই গ্রামে নারীদেরই আধিক্য বেশি। ৬ শতাধিক নারী থাকেন এই গ্রামে। যে কয়েক জন নারী বিয়ে করেছেন তারা নিজেদের গ্রাম ছেড়ে কখনও যাননি।

ফলে স্বামীকে ছাড়াই তাদের থাকতে হয়। সপ্তাহ শেষে দু’দিনের জন্য স্বামীরা গ্রামে আসেন। তা ছাড়া ছেলেদের ১৮ বছর বয়স হলেই বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রমে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি।

জানা গেছে, এই গ্রামের একটি রীতি রয়েছে, বিয়ের পর কোনও মেয়ে গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। স্বামীকেই ওই গ্রামে তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। ফলে এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই গ্রামের তরুণীদের জন্য।

সুন্দরী এবং বিবাহযোগ্যা হলেও মেয়েরা সঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না। গ্রামেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে বলে আশপাশের এলাকার কোনও পুরুষই ওই গ্রামে বিয়ে করতে চান না।

ফলে বিবাহযোগ্যা হয়েও মেয়েদের অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে স্রেফ ওই কারণের জন্য।

এর পিছনেও একটি কাহিনী রয়েছে। জানা যায়, ১৮৯০ সালে মারিয়া সেনহোরিনা ডি লিমা নামে একটি মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়। এর পরই তিনি শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নোইভা ডো কোরডোইরোতে এলাকায় চলে আসেন।

১৮৯১ সালে তিনি এখানে একটি গ্রাম গড়ে তোলেন। আর তখন থেকেই স্থির হয় এই গ্রামের কোনও মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাবে না।

স্বামীকেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। গ্রামের এই অদ্ভুত রীতির কারণেই অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে নারীদের।



আর্কাইভ

সাউথ আফ্রিকা থেকে ইসরায়েলের শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরান বলল ‘প্রস্তুত’
নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রয়োজন : গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র
অতিরিক্ত সচিব হলেন ১১৮ কর্মকর্তা
বাংলাদেশ- চীন ড্রোন চুক্তি
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা, প্রস্তুত ইসরায়েলও
২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের চরম উষ্ণতা শিকার হবে বাংলাদেশ: অক্সফোর্ডের গবেষণা
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী, ইরান ও হিজবুল্লাহর যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করলো আইসিসি