শিরোনাম:
●   ইরানের সমান গুরুত্বপূর্ণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি’- ইরানি স্পিকার ●   ইউরোপে শেষ হয়ে আসছে উড়োজাহাজের জ্বালানি, ফ্লাইট চলাচল আশঙ্কা ●   ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ●   খালেদা জিয়ার মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন নাতি জাইমা রহমান ●   বিবিসির ছাঁটাইয়ের ঘোষণা, চাকরি হারাবেন ১০ শতাংশ কর্মী ●   টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান ●   ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘যৌক্তিক’ অবস্থানে আসা উচিত: রাশিয়া ●   জ্বালানি সংকট মোকাবেলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ●   ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের ●   বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ওপর জরুরি পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘে সমবেত হবে তরুণরা
ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

BBC24 News
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » জীবনযাপন | পরিবেশ ও জলবায়ু | লাইফস্টাইল | শিরোনাম | সাবলিড » ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!
প্রথম পাতা » জীবনযাপন | পরিবেশ ও জলবায়ু | লাইফস্টাইল | শিরোনাম | সাবলিড » ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!
৯৪১ বার পঠিত
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ব্রাজিলের যে গ্রামের সব নারীই সুন্দরী কিন্তু পাত্র জোটে না!

---বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের পাহাড়ি গ্রাম নোইভা ডো কোরডোইরো। এই গ্রামের সব নারী এবং তরুণী খুবই সুন্দরী।

কিন্তু তা সত্ত্বেও জীবনসঙ্গীর অভাব, বিয়ে করবেন কিন্তু পাত্র যে কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছে না। আর সে কারণেই অবিবাহিত অবস্থাতেই থেকে যেতে হচ্ছে তরুণীদের। খবর ওড়িশ্যা পোস্টের।

এই গ্রামে নারীদেরই আধিক্য বেশি। ৬ শতাধিক নারী থাকেন এই গ্রামে। যে কয়েক জন নারী বিয়ে করেছেন তারা নিজেদের গ্রাম ছেড়ে কখনও যাননি।

ফলে স্বামীকে ছাড়াই তাদের থাকতে হয়। সপ্তাহ শেষে দু’দিনের জন্য স্বামীরা গ্রামে আসেন। তা ছাড়া ছেলেদের ১৮ বছর বয়স হলেই বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রমে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি।

জানা গেছে, এই গ্রামের একটি রীতি রয়েছে, বিয়ের পর কোনও মেয়ে গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। স্বামীকেই ওই গ্রামে তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। ফলে এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই গ্রামের তরুণীদের জন্য।

সুন্দরী এবং বিবাহযোগ্যা হলেও মেয়েরা সঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না। গ্রামেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে বলে আশপাশের এলাকার কোনও পুরুষই ওই গ্রামে বিয়ে করতে চান না।

ফলে বিবাহযোগ্যা হয়েও মেয়েদের অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে স্রেফ ওই কারণের জন্য।

এর পিছনেও একটি কাহিনী রয়েছে। জানা যায়, ১৮৯০ সালে মারিয়া সেনহোরিনা ডি লিমা নামে একটি মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়। এর পরই তিনি শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নোইভা ডো কোরডোইরোতে এলাকায় চলে আসেন।

১৮৯১ সালে তিনি এখানে একটি গ্রাম গড়ে তোলেন। আর তখন থেকেই স্থির হয় এই গ্রামের কোনও মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাবে না।

স্বামীকেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। গ্রামের এই অদ্ভুত রীতির কারণেই অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে নারীদের।



আর্কাইভ

ইরানের সমান গুরুত্বপূর্ণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি’- ইরানি স্পিকার
ইউরোপে শেষ হয়ে আসছে উড়োজাহাজের জ্বালানি, ফ্লাইট চলাচল আশঙ্কা
জ্বালানি সংকট মোকাবেলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের
বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ওপর জরুরি পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘে সমবেত হবে তরুণরা
আড়াই হাজার টাকাসহ’ কিষাণ-কিষাণির হাতে উঠলো “কৃষক কার্ড
জার্মানিতে জ্বালানি কর ছাড়ের ঘোষণা দিলেন ম্যার্ৎস
হরমুজ সম্পুর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে, টোল দিতে হবে ইরানি রিয়ালে
কোন ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, কূটনৈতিক পথে ‘আলোচনা দরজা খোলা।
শাহবাজ শরিফ ও জেডি ভ্যান্স বৈঠক