শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০

BBC24 News
রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি
১৬২ বার পঠিত
রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শবে বরাত ২৫ ফেব্রুয়ারি

---বিবিসি২৪নিউজ,অনলাইন ডেস্ক: দেশের আকাশে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল সোমবার থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সে হিসেবে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত হবে শবে বরাত।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত মুসলিম উম্মার কাছে সৌভাগ্যের রজনী। এ রাতে মহান রাব্বুল আলামিন তার বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। মুসল্লিরা এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজগারসহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগি করে থাকেন।

এই শবেবরাত পালন নিয়ে আলেম-ওলামা ও ধর্মচিন্তাবিদদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও উনিশ শতকের শেষের দিক থেকে বাংলাদেশে ঘটা করেই পালিত হয়ে আসছে। একটি মাত্র ‘হাসান’ হাদিসে এটাকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বলা হয়েছে। এই রাতকে লাইলাতুল বরায়াতও বলা হয়। মুহাক্কিক আলেম ও ইসলামের বিশেষজ্ঞগণ এই রাতে বিশেষ কোনো ইবাদতের নির্দেশ নেই বলে মনে করেন।

কেবলমাত্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরানসহ কয়েকটি দেশে শবেবরাত পালনের ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। সৌদি আরবে শবেবরাতের কোনো অস্তিত্ব নেই। ইরানে শবেবরাত শিয়া মাজহাবের দ্বাদশ ইমাম হযরত ইমাম মাহদির জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়। এই রাতে ইরানের সর্বত্র আলোক সাজসজ্জা করা হয় ও বিশেষ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

হাদিস জগতের সবচেয়ে বিশুদ্ধতম গ্রন্থ বুখারি ও মুসলিম শরিফে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান নিয়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায় না। তবে সিহাহ সিত্তার অন্যান্য গ্রন্থে এ সম্পর্কে একাধিক হাদিস পাওয়া যায়। যেমন ইবনে মাজাহর ১৩৮৮ নম্বর হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রজনী আসে, তখন তোমরা রাতে দণ্ডায়মান থাকো এবং দিবসে সিয়াম পালন করো। কারণ, ওই দিন সূর্যাস্তের পর মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কোনো রিজিক তালাশকারী আছে কি? আমি তাকে রিজিক প্রদান করব। কোনো দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তি আছে কি? আমি তাকে মুক্ত করব। এভাবে সুবহে সাদিক উদয় পর্যন্ত চলতে থাকে। হাদিসের ইমামদের মত অনুযায়ী, এই হাদিস অত্যন্ত দুর্বল।

কিন্তু বুখারি ও মুসলিম শরিফে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করে বলেন, আমাকে ডাকার কেউ আছে কি? আমি তার ডাকে সাড়া দেবো। আমার কাছে চাওয়ার কেউ আছে কি? আমি তাকে তা প্রদান করবো। আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার কেউ আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করবো।



আর্কাইভ

বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্পের নেতৃত্বে বেশি আস্থা মার্কিনিদের
বিজয়ী ভাষণে যা বললেন শাহবাজ
পাকিস্তানের দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশ্রুতি শাহবাজের
জার্মানির বিরুদ্ধে নিকারাগুয়ার মামলা
পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কাল
আজ শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা
টেকনাফ সীমান্ত, মংডুর কাছে রাতভর ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে
নতুন মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যাঁরা
ঢাকা বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
ট্রাক ভর্তি লাশ আর লাশ, আহাজারিতে ভারি ঢামেক