শিরোনাম:
●   অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কেনো হলো না সাগর-রুনি হত্যার বিচার ●   গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প ●   বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ●   আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা প্রমাণ করতে পারেনি গাম্বিয়া, দাবি মিয়ানমারের ●   জামায়াত আমিরের সঙ্গে সেই বৈঠক প্রসঙ্গে যা জানালেন ভারত ●   আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’ ●   যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক ●   নির্বাচনী জোটে ১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি ●   গ্রিনল্যান্ড দখল করলে ন্যাটো আর থাকবে না: ডেনমার্ক ●   ইইউতে তৈরি পোশাকের বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ
ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

BBC24 News
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
৫২ বার পঠিত
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

---বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করে এমন একাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ডকে “সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে কেনার” একটি চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে ট্রাম্প জানান, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের পাঠানো “সব ধরনের” পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বা ট্যারিফ আরোপ করা হবে।

পহেলা জুন থেকে এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও তিনি ট্রুথ সোশালে লিখেছেন।ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ গ্রিনল্যান্ডে একটি তথাকথিত গোয়েন্দা অভিযানে অল্প সংখ্যক সৈন্য পাঠিয়েছে। এর পরপরই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন দেশগুলোর উপর শুল্ক আরোপ করবেন।

অবশেষে সেই হুমকি তিনি বাস্তবায়ন করছেন।

ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে শুল্ক না নিয়ে “ভর্তুকি” দিয়ে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী পরে এখন “ডেনমার্কের ফেরত দেওয়ার সময়”।

ট্রাম্প দাবি করেন, “বিশ্বশান্তি ঝুঁকির মুখে! চীন গ্রিনল্যান্ড চায়, আর ডেনমার্ক সেটি ঠেকানোর কিছুই করতে পারবে না”। তিনি আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ড নাকি শুধু “দুটি ডগস্লেজ” দ্বারা সুরক্ষিত।তিনি আরও অভিযোগ করেন যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড “অজানা উদ্দেশ্যে” গ্রিনল্যান্ডে গিয়েছে এবং তারা “অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলা” খেলছে।

ট্রাম্পের মতে, এই “সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি দ্রুত এবং প্রশ্নহীনভাবে শেষ করতে” এখন “কঠোর ব্যবস্থা” নেওয়া জরুরি।

এদিকে, ট্রাম্প তার নতুন শুল্ক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের বিক্ষোভকারীরা তার সংযুক্তির হুমকির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসেন।

হাজারো মানুষকে এই বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা যায়।

গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে বিক্ষোভকারীদের হাতে প্লেকার্ড দেখা যায় যাতে লেখা, ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়’।উল্লেখ্য, শুল্ক বা ট্যারিফ হলো আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত কর, যা সাধারণত বিদেশি পণ্য আমদানিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে পরিশোধ করে।

সাধারণত এই কর পণ্যের মূল্যের নির্দিষ্ট একটি শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ, ১০ ডলারের একটি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ট্যারিফ হলে কর দাঁড়ায় ১ ডলার—ফলে মোট দাম হয় ১১ ডলার।

এই কর বিদেশি পণ্য আমদানিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে পরিশোধ করে।

এসব প্রতিষ্ঠান প্রায়ই অতিরিক্ত খরচের কিছু অংশ বা পুরোটা তাদের ক্রেতাদের ওপর চাপিয়ে দেয়—অর্থাৎ সাধারণ আমেরিকানদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর এর প্রভাব পড়ে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখল বা অধিগ্রহণের বিষয়ে “বিভিন্ন উপায়” নিয়ে আলোচনা করছেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে।

হোয়াইট হাউজ বিবিসিকে জানিয়েছে, ডেনমার্কের অধীনে থাকা আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনাটা তাদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বিষয়গুলোর একটি।

কয়েকজন ইউরোপীয় নেতা ডেনমার্কের পক্ষে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পরপরই এই মন্তব্য আসে।

ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরেই আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটি নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহের বিরোধিতা করে আসছে। কিন্তু গত সপ্তাহের শেষে ট্রাম্প আবারও বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের গ্রিনল্যান্ড “প্রয়োজন”।

এর জবাবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালায়, তাহলে তা নেটো জোটের সমাপ্তি ঘটাবে।গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ—এর আয়তন জার্মানির ছয় গুণ। এটি আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত, তবে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড।

জনসংখ্যা খুব কম হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থান এটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার জন্য এবং ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত পিটুফিক ঘাঁটিতে শতাধিক সামরিক সদস্য স্থায়ীভাবে মোতায়েন রেখেছে—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এ ক্ষেপণাস্ত্র নজরদারি কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে।

ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছামতো সংখ্যক সৈন্য গ্রিনল্যান্ডে পাঠাতে পারে।

কিন্তু ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য রুশ বা চীনা হামলার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের “গ্রিনল্যান্ডের মালিক হওয়া” প্রয়োজন।

ডেনমার্ক সতর্ক করে বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে নেটোর পতন ঘটবে—ট্রান্স-আটলান্টিক এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য।

নেটো এমন নীতিতে কাজ করে যেখানে কোনো সদস্যের ওপর বাইরের আক্রমণ হলে অন্য সদস্যদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হয়—জোটের ইতিহাসে কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যেখানে এক সদস্য অন্য সদস্যের বিরুদ্ধে শক্তি ব্যবহার করেছে।

ইউরোপীয় মিত্ররা ডেনমার্কের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। তারা আরও বলেছে, আর্কটিক অঞ্চল তাদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং এর নিরাপত্তা যৌথ ন্যাটো দায়িত্বের মধ্যে পড়ে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রও অন্তর্ভুক্ত।

এ লক্ষ্য পূরণের জন্য ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ তথাকথিত এক নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে অল্পসংখ্যক সেনা গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই “স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ধরনের সম্পদ” পাঠানো হবে।



এ পাতার আরও খবর

আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’ আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক
মধ্যপ্রাচ্যের পথে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ মধ্যপ্রাচ্যের পথে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’
ইরানে হামলা চালাতে সব প্রস্তুতি নিচ্ছে: ট্রাম্প ইরানে হামলা চালাতে সব প্রস্তুতি নিচ্ছে: ট্রাম্প
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র
গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার হাতে থাকলে ন্যাটো অনেক বেশি শক্তিশালী হবে: ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার হাতে থাকলে ন্যাটো অনেক বেশি শক্তিশালী হবে: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন কবে, জানাল হোয়াইট হাউস ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন কবে, জানাল হোয়াইট হাউস
নিজেকে ভেনেজুয়েলার ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প নিজেকে ভেনেজুয়েলার ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
ওয়াশিংটনে নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে আন্ডার সেক্রেটারি জরুরি বৈঠক ওয়াশিংটনে নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে আন্ডার সেক্রেটারি জরুরি বৈঠক

আর্কাইভ

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কেনো হলো না সাগর-রুনি হত্যার বিচার
বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা প্রমাণ করতে পারেনি গাম্বিয়া, দাবি মিয়ানমারের
আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক
নির্বাচনী জোটে ১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি
মধ্যপ্রাচ্যের পথে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’
ইইউতে তৈরি পোশাকের বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ
ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে হামলা চালাতে সব প্রস্তুতি নিচ্ছে: ট্রাম্প