শিরোনাম:
●   ইরান যুদ্ধ ঘিরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব ●   স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের ●   ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে : ম্যার্ৎস ●   মার্কিন বোয়িংয়ের সাথে বাংলাদেশ বিমানের ১৪ টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ●   ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন ●   ৩৭৮১৪ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ●   বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার পূর্বাভাস ●   নতুন পদ্ধতিতে জেট ফুয়েল তৈরি করছে চীন ●   ইরানে আর হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প ●   ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ঢাকা, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
BBC24 News
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
৫১৪ বার পঠিত
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

---বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করে এমন একাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ডকে “সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে কেনার” একটি চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে ট্রাম্প জানান, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের পাঠানো “সব ধরনের” পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বা ট্যারিফ আরোপ করা হবে।

পহেলা জুন থেকে এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও তিনি ট্রুথ সোশালে লিখেছেন।ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ গ্রিনল্যান্ডে একটি তথাকথিত গোয়েন্দা অভিযানে অল্প সংখ্যক সৈন্য পাঠিয়েছে। এর পরপরই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন দেশগুলোর উপর শুল্ক আরোপ করবেন।

অবশেষে সেই হুমকি তিনি বাস্তবায়ন করছেন।

ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে শুল্ক না নিয়ে “ভর্তুকি” দিয়ে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী পরে এখন “ডেনমার্কের ফেরত দেওয়ার সময়”।

ট্রাম্প দাবি করেন, “বিশ্বশান্তি ঝুঁকির মুখে! চীন গ্রিনল্যান্ড চায়, আর ডেনমার্ক সেটি ঠেকানোর কিছুই করতে পারবে না”। তিনি আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ড নাকি শুধু “দুটি ডগস্লেজ” দ্বারা সুরক্ষিত।তিনি আরও অভিযোগ করেন যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড “অজানা উদ্দেশ্যে” গ্রিনল্যান্ডে গিয়েছে এবং তারা “অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলা” খেলছে।

ট্রাম্পের মতে, এই “সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি দ্রুত এবং প্রশ্নহীনভাবে শেষ করতে” এখন “কঠোর ব্যবস্থা” নেওয়া জরুরি।

এদিকে, ট্রাম্প তার নতুন শুল্ক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের বিক্ষোভকারীরা তার সংযুক্তির হুমকির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসেন।

হাজারো মানুষকে এই বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা যায়।

গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে বিক্ষোভকারীদের হাতে প্লেকার্ড দেখা যায় যাতে লেখা, ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়’।উল্লেখ্য, শুল্ক বা ট্যারিফ হলো আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত কর, যা সাধারণত বিদেশি পণ্য আমদানিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে পরিশোধ করে।

সাধারণত এই কর পণ্যের মূল্যের নির্দিষ্ট একটি শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ, ১০ ডলারের একটি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ট্যারিফ হলে কর দাঁড়ায় ১ ডলার—ফলে মোট দাম হয় ১১ ডলার।

এই কর বিদেশি পণ্য আমদানিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে পরিশোধ করে।

এসব প্রতিষ্ঠান প্রায়ই অতিরিক্ত খরচের কিছু অংশ বা পুরোটা তাদের ক্রেতাদের ওপর চাপিয়ে দেয়—অর্থাৎ সাধারণ আমেরিকানদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর এর প্রভাব পড়ে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখল বা অধিগ্রহণের বিষয়ে “বিভিন্ন উপায়” নিয়ে আলোচনা করছেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে।

হোয়াইট হাউজ বিবিসিকে জানিয়েছে, ডেনমার্কের অধীনে থাকা আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনাটা তাদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বিষয়গুলোর একটি।

কয়েকজন ইউরোপীয় নেতা ডেনমার্কের পক্ষে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পরপরই এই মন্তব্য আসে।

ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরেই আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটি নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহের বিরোধিতা করে আসছে। কিন্তু গত সপ্তাহের শেষে ট্রাম্প আবারও বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের গ্রিনল্যান্ড “প্রয়োজন”।

এর জবাবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালায়, তাহলে তা নেটো জোটের সমাপ্তি ঘটাবে।গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ—এর আয়তন জার্মানির ছয় গুণ। এটি আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত, তবে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড।

জনসংখ্যা খুব কম হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থান এটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার জন্য এবং ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত পিটুফিক ঘাঁটিতে শতাধিক সামরিক সদস্য স্থায়ীভাবে মোতায়েন রেখেছে—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এ ক্ষেপণাস্ত্র নজরদারি কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে।

ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছামতো সংখ্যক সৈন্য গ্রিনল্যান্ডে পাঠাতে পারে।

কিন্তু ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য রুশ বা চীনা হামলার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের “গ্রিনল্যান্ডের মালিক হওয়া” প্রয়োজন।

ডেনমার্ক সতর্ক করে বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে নেটোর পতন ঘটবে—ট্রান্স-আটলান্টিক এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য।

নেটো এমন নীতিতে কাজ করে যেখানে কোনো সদস্যের ওপর বাইরের আক্রমণ হলে অন্য সদস্যদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হয়—জোটের ইতিহাসে কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যেখানে এক সদস্য অন্য সদস্যের বিরুদ্ধে শক্তি ব্যবহার করেছে।

ইউরোপীয় মিত্ররা ডেনমার্কের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। তারা আরও বলেছে, আর্কটিক অঞ্চল তাদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং এর নিরাপত্তা যৌথ ন্যাটো দায়িত্বের মধ্যে পড়ে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রও অন্তর্ভুক্ত।

এ লক্ষ্য পূরণের জন্য ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ তথাকথিত এক নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে অল্পসংখ্যক সেনা গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই “স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ধরনের সম্পদ” পাঠানো হবে।



এ পাতার আরও খবর

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন
ইরানে আর হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প ইরানে আর হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প
আমাকে হত্যা করতে এসেছিল, কল্পনাও করতে পারি না: ট্রাম্প আমাকে হত্যা করতে এসেছিল, কল্পনাও করতে পারি না: ট্রাম্প
ইরানের একটি ‘ভালো’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরানের একটি ‘ভালো’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের শ্রমমন্ত্রী
মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, তেল আবিব ওয়াশিংটনের ‘পরম মিত্র’। মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, তেল আবিব ওয়াশিংটনের ‘পরম মিত্র’।
ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বসতে ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন প্রতিনিধিদল
ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে ক্ষোভে চিৎকার করতেন ট্রাম্প ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে ক্ষোভে চিৎকার করতেন ট্রাম্প
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের ইরানকে অস্ত্র না দিতে সি চিন পিংকে চিঠি ট্রাম্পের

আর্কাইভ

স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের
মার্কিন বোয়িংয়ের সাথে বাংলাদেশ বিমানের ১৪ টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার পূর্বাভাস
নতুন পদ্ধতিতে জেট ফুয়েল তৈরি করছে চীন
ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের সহায়তা করবে রাশিয়া- পুতিন
নারীদের ‘এলপিজি কার্ড’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি চীনের
হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ
আমাকে হত্যা করতে এসেছিল, কল্পনাও করতে পারি না: ট্রাম্প