শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | শিরোনাম | সাবলিড » ইরান-মার্কিন সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে
ইরান-মার্কিন সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান-মার্কিন সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য বিক্ষোভ দমনে হাজারো মৃত্যুর পর ট্রাম্পের হুমকি, পাল্টা ‘জিহাদ’ ঘোষণার সতর্কবার্তা তেহরানের। যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন, উদ্বিগ্ন উপসাগরীয় দেশগুলি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ডাকা এই বৈঠকের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানে চলমান বিক্ষোভ এবং তার ভয়াবহ পরিণতির বিষয়টি।
ইরানজুড়ে বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৪ হাজার ২৯ জন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস জানিয়েছে, আরও ৯ হাজার মৃত্যুর তথ্য তদন্তাধীন।
ট্রাম্পের ‘আর্মাডা’ এবং তেহরানের জবাব
বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র একটি যুদ্ধজাহাজের বহর ইরানের দিকে পাঠাচ্ছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার আগামী কয়েকদিনে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
এর আগে ১৩ জানুয়ারি ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন: “ইরানি দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান!!! সাহায্য আসছে।” তবে এক সপ্তাহ পরেও সেই প্রতিশ্রুত সাহায্যের দেখা মেলেনি।
পাল্টা হুমকিতে ইরান। তেহরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খামেনির ওপর যেকোনো হামলা জিহাদ ঘোষণা বলে গণ্য হবে। “সুপ্রিম লিডারের ওপর হামলা মানে সমগ্র ইসলামি বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।”উপসাগরীয় দেশগুলির উদ্বেগ
মার্কিন হামলার সম্ভাবনায় সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন উপসাগরীয় দেশগুলি। গত সপ্তাহে সৌদি আরব, কাতার, ওমান এবং মিশর ইরানে মার্কিন হামলা ঠেকাতে ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক আলোচনা করেছে।বার্লিনের মিডল ইস্ট মাইন্ডস থিঙ্ক ট্যাঙ্কের রাজনৈতিক বিজ্ঞানী পাউলিন রাবে ডয়চে ভেলেকে বলেন, “উপসাগরীয় দেশগুলি ভয় পাচ্ছে যে, হামলার ফলে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এবং তারা নিজেরাই ইরানি আক্রমণের লক্ষ্য হতে পারে।”
কাতার, সৌদি আরব এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলি ইরানি বিমান হামলার প্রথম লক্ষ্য হতে পারে। “এটা উপসাগরীয় দেশগুলিকে চিন্তিত করে কারণ তাদের নিজেদের উঠোনেই যুদ্ধ হবে,” রাবে জানান।
অর্থনৈতিক ঝুঁকি
সংঘাতের ভয়শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিকও। রাবে বলেন, “ইরান যদি বাণিজ্য পথ অবরোধ করে, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলির অর্থনীতিতে বিপুল প্রভাব পড়বে।”
হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের মূল বাণিজ্য পথ। এর অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে। সৌদি আরব তার ‘ভিশন ২০৩০’ দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিজেকে নতুনভাবে তৈরি করতে চায়। যেকোনো অস্থিরতা এতে বড় বাধা হবে।
বৃহস্পতিবারেরজাতিসংঘ বৈঠক এই সংকটের সমাধানে কতটা ভূমিকা রাখবে, তা এখনই বলা মুশকিল। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট - মধ্যপ্রাচ্য আবারও এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে, যার প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে গোটা বিশ্বজুড়ে।




ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
আগামী নির্বাচনে জামায়াত ভালো ফলাফল করবে :মার্কিন কূটনীতিকের অডিও ফাঁস
আমার মতো স্বৈরশাসক দরকার: ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর রাখছে রাশিয়া, দাম ১০০ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে: পুতিন
জাতিসংঘের বিকল্প হতে পারে গাজা ‘বোর্ড অব পিস’:ট্রাম্প
ভারতীয় বিমানের ওপর আকাশসীমা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তানের
হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সরিয়ে নিচ্ছে ভারত
বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিত করলো পাকিস্তান 