শিরোনাম:
●   বিশ্বকে যুদ্ধ থেকে ‘মুক্ত’ করার দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ●   পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়, বিদায়ী ভাষনে: গুতেরেস ●   আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের ●   নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’ ●   রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আহ্বান ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের ●   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ●   জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ●   রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ ●   জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস ●   জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
BBC24 News
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমান
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমান
২৮১ বার পঠিত
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমান

---বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা, প্রতিশোধ বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।

আজ শনিবার বিকেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান এ কথা বলেন। তিনি নেতা-কর্মীদের শান্ত ও সতর্ক আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যে কোনো মূল্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো রকমের অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দলমত ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক—কোনো অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সকল প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত—প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এটা তারেক রহমান প্রথম সংবাদ সম্মেলন। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে জনাকীর্ণ এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে সূচনা বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাপনী বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তারেক রহমান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে না।

সরকারি দল বা বিরোধী দল—সকলের জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে কেউ যেন সুযোগ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

বিএনপিকে বিজয়ী করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এ বিজয় বাংলাদেশের। এ বিজয় গণতন্ত্রের। এই বিজয় গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি—এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতামূলক সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। আর কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তারেক রহমান। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ এবং মত ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’

তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলোই মূলত গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার এবং বিরোধী দল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে অবশ্যই দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।

সব সংশয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারসহ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।

রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের রায় পেলে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের যে রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এবং সারা দেশে জনগণের সঙ্গে মত বিনিময়ের মাধ্যমে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিল। ৩১ দফার আলোকে ঘোষণা করা হয়েছিল দলীয় ইশতেহার। একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে “নোট অফ ডিসেন্ট” দিয়ে বিএনপি জুলাই সনদেও স্বাক্ষর করেছিল। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রত্যাশিত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।’

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সারা দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী সমর্থক ছাড়াও দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে আজকের এই সময়টি ভীষণ আনন্দের। এমন এক আনন্দঘন পরিবেশে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি আমাদের ভারাক্রান্ত করে। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এমন একটি গণতান্ত্রিক সময়ের প্রত্যাশায় তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়েছিলেন। স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কখনোই আপস করেননি। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে বরাবরই তিনি ছিলেন অটল অবিচল। আমরা আল্লাহর দরবারে মরহুম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করছি।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে—এবার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এই বিশ্বাস এবং ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।’

---বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শত নির্যাতন নিপীড়নের পরও আপনারা রাজপথ ছাড়েননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট অনড় ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আপনি আমি আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই বিজয়কে শান্তভাবে দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে উদ্‌যাপন করেছি। নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশে যাতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এ জন্য শত উসকানির মুখেও আমি সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের শান্ত এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’বক্তব্য শেষে তারেক রহমান দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দেন।



এ পাতার আরও খবর

নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’ নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’
জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস
জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ৬জি জোটে যোগ দিল ভারত যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ৬জি জোটে যোগ দিল ভারত
বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়াসহ আরও কী কী করা যাবে না ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়াসহ আরও কী কী করা যাবে না

আর্কাইভ

নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে ট্রাম্প, মামদানির প্রশংসা করে বলেন ‘দারুণ মেয়র’
জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচনের মূল পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন: বাংলাদেশ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে: গুতেরেস
জাতিসংঘে বক্তব্য রাখলেন ড. ইউনূস
সব প্রস্তুতি নিয়েও —শেষ মুহূর্তে হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ইরানের সব এয়ারলাইনসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ৬জি জোটে যোগ দিল ভারত
বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে মৈত্রী–বন্ধন–মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়াসহ আরও কী কী করা যাবে না