শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম | সাবলিড » যুক্তরাষ্ট্র রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় শুরু
যুক্তরাষ্ট্র রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় শুরু
বিবিসি২৪নিউজ,খান শওকত,যুক্তরাষ্ট্র থেকে: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন । প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত রাশেদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন করে বঙ্গবন্ধু খুনের অন্যতম এ আসামির আশ্রয়ের বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি খুনি রাশেদের আশ্রয়ের মামলাটি নতুন করে পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে।
শুক্রবার মার্কিন সাময়িকী পলিটিকো এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রাশেদের আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত পর্যলোচনা করার জন্য নথি চেয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার। বলা হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ার শুরুর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ হারাতে পারে বঙ্গবন্ধুর এই খুনি। আর তা হলে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে। দেশে ফেরত আসলে দণ্ড কার্যকর করা হবে এ খুনির।
অনেক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। মার্কিন কূটনৈতিকদের কাছেও রাশেদকে ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করা হয়।
মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাশেদ চৌধুরীর আইনজীবী।
রাশেদ চৌধুরীর আইনজীবী মার্ক ভ্যান ডার হাউট পলিটিকোকে বলেছেন, তিনি বলেন, পরিষ্কারভাবে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের পক্ষ নিয়েছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন কেন তারা এটি করছে?
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। হত্যাকাণ্ডের ২৩ বছর পরে ১৯৯৮ সালে নিম্ন আদালতের রায়ে অন্য আসামিদের সঙ্গে পলাতক অবস্থায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
২০০৯ সালে উচ্চ আদালত ১২ জন কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জনের রায় কার্যকর হলেও রাশেদ চৌধুরীসহ বিদেশে পলাতক অন্যদের দণ্ড কার্যকর হয়নি। এসব ঘাতকদের বিদেশ থেকে দেশে নিয়ে নিয়ে দণ্ড কার্যকর করার জোরালো দাবি জানানো হচ্ছিল।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশে বিচার থেকে খুনি চক্রকে রেহাই দেয় তৎকালীন সরকার। খুনিদের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দেওয়া হয়। রাশেদ চৌধুরীকে জাপানে বাংলাদেশ মিশনে চাকরি দেওয়া হয়েছিল।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি আইন বাতিল হলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ খুলে যায়। অভিযুক্তদের বিচার শুরু হয়।
রাশেদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পান।
তিনি নাইরোবি, কুয়ালালামপুর ও ব্রাসিলিয়া দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৯৬ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই বছরেই রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন।




ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কেন- নজর রাখছে ভারত’
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় গণহত্যা চালিয়ে গেছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির
ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর
কমনওয়েলথ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবে: হুমায়ুন কবির
প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে টোকিওতে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত, সমন্বয়ে থাকবে সচিব
বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার 