বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | শিরোনাম | সাবলিড » করোনা সংক্রমণে-অক্সিজেন বিপর্যয়ে ভারত
করোনা সংক্রমণে-অক্সিজেন বিপর্যয়ে ভারত
বিবিসি২৪নিউজ,অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকেঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে বেসামাল অবস্থার মধ্যে আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় জরুরি উপাদান অক্সিজেনের মারাত্মক ঘাটতিতে পড়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি।
বুধবার দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া বলেছেন, রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন মজুদ দিয়ে আট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম চলতে পারে। কিছু বেসরকারি হাপাতালের মজুদের পরিমাণ মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মতো।
“কাল (বৃহস্পতিবার) সকালের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে একটা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।”
কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ ব্যাপারে জরুরি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, দেশ একটি করোনাভাইরাস ‘ঝড়ের’ কবলে পড়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে নাকাল করে ফেলেছে।
তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর প্রবল দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় সরকার সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছে। দেশজুড়ে হাসপাতালের শয্যা, অক্সিজেন ও ভাইরাস প্রতিরোধক ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্র।
টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে মোদী বলেন, “কয়েক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ একটি ঝড়ের মতো আছড়ে পড়েছে।”
ভারতের নিকট ইতিহাসের ভয়াবহতম এই জরুরি অবস্থার মধ্যে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, “চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো এবং বেসরকারি খাতও একত্রে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা অক্সিজেনের উৎপাদন এবং দেশজুড়ে এর সরবরাহ বাড়ানোরও চেষ্টা করছি।”
মঙ্গলবার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দর জৈন জানান, অক্সিজেন সাপোর্টে থাকা কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৫০০ রোগীর একটি স্থানীয় হাসপাতালে মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার অক্সিজেন মজুদ রয়েছে।
এদিকে ভারতের অন্যতম বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী টাটা গ্রুপ জানিয়েছে, সরবরাহ সংকট কাটাতে তারা ২৪টি ক্রায়োজেনিক কন্টেইনার আমদানি করছে, যেগুলো তরল অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম এবং দেশজুড়ে অক্সিজেন ঘাটতি মোকাবেলায় সহায়ক হবে।
ফেব্রুয়ারি নাগাদ যখন ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে এসেছিল তখন প্রশাসন যথেষ্ট ঢিলেঢালা পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে জনসমাগমে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেও জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। এসব নিয়ে এখন যথেষ্ট সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসন।
সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, মঙ্গলবারও এক হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড-১৯ রোগে। সবমিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ ৮০ হাজার ৫৩০। তবে বিশেষজ্ঞদের সন্দেহ ভারতে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।




কানাডার নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা ঘোষণা, প্রায় সাড়ে ১১ লাখ পিআর দেওয়ার লক্ষ্য
জাপান টোব্যাকোর সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিল রাশিয়া
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য দিলেই ২ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অযোগ্য হতে পারেন যে কারণে: দূতাবাস
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কেন- নজর রাখছে ভারত’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
সৌদি আরবের যুদ্ধে- হুথিদের বিরুদ্ধে কি সরাসরি জড়াবে পাকিস্তান?
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা 