সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | শিরোনাম | সাবলিড » দিল্লি এখন মৃত্যুপুরী, ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার
দিল্লি এখন মৃত্যুপুরী, ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার
বিবিসি২৪নিউজ, অমিত ঘোষ, দিল্লি থেকেঃ ভারতের রাজধানী দিল্লি করোনাভাইরাসে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে দিল্লিতে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ১২ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৫ জন করে আক্রান্তের মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। তবে চলতি সপ্তাহে সে সংখ্যাটা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
রোববার দিল্লি সরকার জানিয়েছে, সোমবার থেকে শনিবার অর্থাৎ ১৯ থেকে ২৪ এপ্রিল প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৭৭৭ জন আক্রান্ত। অর্থাৎ, ঘণ্টাপ্রতি গড়ে ১২ জনেরও বেশি রোগী মারা গেছেন।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে ১২ থেকে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে দিল্লিতে ৬৭৭ জনের মৃত্যু নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। প্রতি ঘণ্টার হিসাবে গড়ে যা ১০ জনের বেশি।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটসহ একাধিক রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। রাজধানী দিল্লিতেও নতুন সংক্রমণ দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে।
কোভিড রোগীদের ভিড়ে দিল্লির হাসপাতালগুলিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। করোনার চিকিৎসায় শুরু হয়েছে অক্সিজেনের হাহাকার। এই আবহে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৩৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুলেটিন অনুযায়ী, গত সোমবার দিল্লিতে ২৪০ জন কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়। অর্থাৎ গড়ে ঘণ্টাপ্রতি ১০ জন। তবে পরের দিন মঙ্গলবার তা বেড়ে হয় ২৭৭।
বুধবার এবং বৃহস্পতি যথাক্রমে ২৪৯ ও ৩০০ জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার এবং শনিবার তা বেড়ে ৩৪৫-এ দাঁড়ায়। শনিবার মোট ৩৫৭ জন মারা যান। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।




লারিজানির খুনিদের চরম মূল্য দিতে হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
ইরানকে নেতৃত্বশূন্য করতে চাই: যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে সুইডেনের নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কি নতুন পথে?
ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ নয়’: ট্রাম্পকে ইউরোপীয় নেতারা
ইরানি ‘শাহেদ’কে টেক্কা দিতে মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন, ট্রাম্পের
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ইরানের হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইরান যুদ্ধে বিপাকে ট্রাম্প
ভারতের কাছে এখন হাত পাতছে যুক্তরাষ্ট্র’
ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া 