শিরোনাম:
●   পাইলটকে উদ্ধারে ইরানে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স, চলছে তুমুল লড়াই ●   মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ●   স্থল অভিযান হলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা কেউ জীবিত ফিরতে পারবে না : ইরানি সেনাপ্রধান ●   যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানকে অপসারণ ●   ব্যাপক হামলার পরও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনো অটুট: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য ●   প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়নি: পোল্যান্ড ●   টিকা কেনা নিয়ে যা ঘটেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ? ●   হরমুজ প্রণালি বলপ্রয়োগে খোলা বাস্তবসম্মত নয়: মাক্রোঁ, উপসাগরে আটকা ২১৯০ নৌযান ●   আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরান ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরে যাবে: ট্রাম্প ●   ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হতেই ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ঢাকা, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
BBC24 News
সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্ট এক অন্ধকার অধ্যায়
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্ট এক অন্ধকার অধ্যায়
৬২২ বার পঠিত
সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্ট এক অন্ধকার অধ্যায়

---বিবিসি২৪নিউজ,এম ডি জালালঃ এদেশে ১৫ আগস্ট সম্পর্কে আমরা যা জানি, বলি ও লিখি, তা যেন অনুমাননির্ভর এবং দেশি-বিদেশি সূত্র থেকে প্রাপ্ত বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত তথ্যভিত্তিক। ড. দীনেশচন্দ্র সেন ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র সংকলক হিসাবে বহুল পরিচিত ও কীর্তিমান। তার বই ‘বৃহৎ বঙ্গ’ সেন আমলকে এক অন্ধকার যুগ বলেছে।

তিনি বেঁচে থাকলে আরও একটি বই লিখে বলতেন, আরও বড় অন্ধকারের সূচনা ১৫ আগস্ট, যা ক্রমে ক্রমে ঘনীভূত হয়েছে।

বাংলাদেশের অন্ধকার বিস্তৃত হয়েছিল ১৯৯০ সাল পর্যন্ত। সময়টি ছিল অবৈধ সামরিক স্বৈরশাসনের। শাসকরা মুক্তিযুদ্ধ-চেতনার বিপরীত স্রোতের সাঁতারু ছিল।

তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আদলে গড়তে। ২০০১ সালে ছিল বিএনপি-জামায়াত শাসন, যখন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ছিনতাই হয়েছিল; অন্ধকার প্রগাঢ় হয়েছিল। এই হলো ১৫ আগস্ট-পরবর্তী ঘনায়মান অন্ধকারের ইতিবৃত্ত।

কিন্তু যাকে বলে অনুপুঙ্খ ও সুনির্দিষ্ট তথ্য, তা আমাদের কাছে নেই। এর মানে, আমাদের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় অজানা, স্বল্প জানার ঘন অন্ধকারে নিমজ্জিত।

এই অন্ধকার সরানো যাবে না, যদি না তথ্য ঘাটতির অভাব মেটানো যায়, যার সার্বিক দায়িত্ব বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের।

কারণ বিএনপি, জাতীয় পার্টি বা জামায়াত এ কাজটি করবে না; তারা তো ১৫ আগস্টের সুবিধাভোগী। উপরন্তু বিএনপি কোনোদিন জিয়া হত্যার বিচার চায়নি; কিন্তু আমরা চাই।

আমরা সব হত্যার তথ্য ও বিচার চাই, আমাদের চাওয়ার তালিকায় সাগর-রুনী বা ত্বকী হত্যাও আছে। আমরা জানি, খুন করলে খুনির বিচার হয়, সেটাই আইনের শাসন।

খুনির বিচার না করে দায়মুক্তি অধ্যাদেশ করা এবং ক্ষমতাসীন জিয়াউর রহমানের ক্ষমতার মসনদ পোক্ত করার উদ্দেশ্যে খুনিদের পুরস্কৃত করা ছিল জংলি কাজ। সেনা আইনে কোথাও রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলকে বৈধ বলা হয়নি।

১৫ আগস্টের খুনিদের বিচার করে আমাদের আত্মপ্রসাদ অযৌক্তিক; কারণ তারা ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করেছিল মাত্র। ষড়যন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো আড়ালে, যদিও আমরা উভয় প্রসঙ্গে অল্পবিস্তর জানি। আড়ালে থেকে গেছে বিদেশি ষড়যন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীও। ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কাজ।

দেশি ষড়যন্ত্রের প্রধান কুশীলব ছিল মোশতাক, যার সঙ্গে ছিল তাহেরউদ্দীন ঠাকুর ও মাহবুবুল আলম চাষী। সেনাবাহিনীতে ষড়যন্ত্রকারী (চাকরিচ্যুতসহ) ছিল ফারুক-রশিদ-ডালিম গং।

এদেরও সেনা আইনে বিচার হওয়ার কথা, যা আজও হয়নি। উপরন্তু সেই সময়ের সেনা প্রশাসনের কেউ দায়িত্ব এড়াতে পারে না।

দায়িত্ব এড়াতে পারে না চট্টগ্রাম হালি শহরের ‘আন্ধা হুজুরও’। কারণ এই ব্যক্তি রশিদ ও তার স্ত্রী জুবায়দা রশিদকে বঙ্গবন্ধুকে খুনসহায়ক (?) কুফরি কালাম শিখিয়েছিল।

বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে প্রধান ছিল পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ ছিল প্রতিবাদী-প্রতিরোধী রাষ্ট্র, যার নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু। সুতরাং রাষ্ট্র ও তার নেতা উভয়ই এ দুই রাষ্ট্রের চক্ষুশূল ছিল। এ সম্পর্কে আমাদের অনেক তথ্য জানা আছে।

প্রয়োজন ১৫ আগস্ট সংক্রান্ত আদ্যোপান্ত তদন্তের উদ্দেশ্যে একটি কমিশন গঠন। কমিশনপ্রাপ্ত তথ্যাদি শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ করতে হবে, যাতে জনগণ সবকিছু জানতে পারে। জনগণকে জানাতেই হবে, কারণ সংবিধানের ৭(১) ধারা অনুযায়ী তারাই ‘সকল রাষ্ট্রক্ষমতার মালিক’; সরকার জনগণের হয়ে দায়িত্ব পালনকারী মাত্র।ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন : চেয়ার অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়ার, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল্স (বিইউপি)



এ পাতার আরও খবর

টিকা কেনা নিয়ে যা ঘটেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ? টিকা কেনা নিয়ে যা ঘটেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস
সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল
জ্বালানি মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নেতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে প্রথমবার নয়া পল্টনের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে প্রথমবার নয়া পল্টনের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
পদ্মায় বাসডুবি: ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার পদ্মায় বাসডুবি: ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস, বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে জাতি আজ মহান স্বাধীনতা দিবস, বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে জাতি
‘জ্বালানি পরিস্থিতি’ নিয়ে বিশেষ বৈঠক,স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘জ্বালানি পরিস্থিতি’ নিয়ে বিশেষ বৈঠক,স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো  ৮০ শতাংশ জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো ৮০ শতাংশ

আর্কাইভ

পাইলটকে উদ্ধারে ইরানে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স, চলছে তুমুল লড়াই
ব্যাপক হামলার পরও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনো অটুট: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
টিকা কেনা নিয়ে যা ঘটেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ?
ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হতেই ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
রাশিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২৯
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস
অ্যাপোলোর পর এবার আর্টেমিস: চাঁদ জয়ের পথে নতুন ইতিহাস
ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিল পাস করল ইসরায়েলি পার্লামেন্ট
সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল
নরকে স্বাগতম’, ইরানের মাটিতে মার্কিন সেনাদের প্রবেশের আহবান : তেহরানের