শিরোনাম:
●   এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে নতুন সরকারের চিঠি ●   উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে? ●   সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী ●   জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরমাণু আলোচনা: মার্কিন রণতরিগুলো ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির ●   পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন ●   তিন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সামলাবেন তারেক রহমান ●   জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ●   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ●   নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ●   রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
ঢাকা, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

BBC24 News
বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে একজন মানুষও ঠিকানাবিহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » বাংলাদেশে একজন মানুষও ঠিকানাবিহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী
৩৪১ বার পঠিত
বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশে একজন মানুষও ঠিকানাবিহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

---বিবিসি২৪নিউজ,বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা: বাংলাদেশের একজন মানুষও ভূমিহীন-গৃহহীন বা ঠিকানাবিহীন থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৫৮টি জেলার ৪৬৪টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত করা হয়েছে। ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদানের মাধ্যমে মোট ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৫৫ জন মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, ‘১৯৯৭ সালের জুন থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে আশ্রয়ন প্রকল্প ও সমধর্মী অন্যান্য কার্যক্রম দ্বারা ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদানের মাধ্যমে মোট ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৫৫ জন মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৫৮টি জেলার ৪৬৪টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হলেও নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রতি বছর অনেক মানুষ গৃহহীন-ভূমিহীন হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা অনুসারে পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান থাকবে। ’

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, ‘১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন নোয়াখালী, বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলাধীন চরপোড়াগাছা গ্রাম পরিদর্শনে গিয়ে ভূমিহীন-গৃহহীন অসহায় মানুষের পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।

সেখানেই ভূমিহীন মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসনের ভিত্তি রচিত হয়। ১৯৯৬ সালে আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমীক্ষা চালিয়ে দেখি বাংলাদেশের প্রায় ৩১ লাখ মানুষ গৃহায়নের তীব্র সংকটে আছে। ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙন কবলিত ভূমিহীন, গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে ‘আশ্রয়ণ’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করি। তখন থেকেই আশ্রয়ণ প্রকল্প শুরু।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতোমধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগ সম্পূর্ণভাবে গৃহহীন ও ভূমিহীন মুক্ত হয়েছে। ব্যারাক হাউজের মাধ্যমেও এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮টি পরিবারকে পুনর্বাসন করেছি। ব্যারাক হাউজেও পরিবারপ্রতি কবুলিয়ত সম্পাদন করে দিয়েছে, অর্থাৎ সেখানেও মালিকানা তৈরি হয়েছে। ব্যারাক হাউজ ছাড়াও ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৩টি পরিবারকে নিজ জমিতে বিনামূল্যে ঘর তৈরি করে দিয়েছি। শুধুমাত্র মুবিজবর্ষ উপলক্ষ্যে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫টি পরিবারের কাছে স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে ২ শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেছি।

---ভূমিহীন-গৃহহীন-ছিন্নমূল মানুষকে জমির মালিকানাসহ ঘর করে দেয়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ৬ হাজার ৯৪৫ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য তিন হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা। জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের জন্য কক্সবাজার জেলার খুরুশকুলে ১১৩ একর জমিতে ১৩৯টি বহুতল আধুনিক ভবন করে দিচ্ছি, যেখানে ৪ হাজার ৪৪৮টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬৪০টি পরিবারের কাছে ফ্ল্যাটের মালিকানা দলিল হস্তান্তর করে ২০টি বিল্ডিংয়ে তাদেরকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনের সামাজিক প্রভাব অনেক বেশি। ২০১৭ সালের তুলনায় ২০২২ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পাওয়ার পর পরিবারগুলোর আয় বেড়েছে ৭০ শতাংশ। ২৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৫০ জন মানুষ দারিদ্রসীমার উপরে উঠে এসেছেন। পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের হার ৫ বছরের ব্যবধানে ২৪.৬৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৪.৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। পারিবারিক সঞ্চয় শূন্য থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। নিরাপত্তা বেড়েছে। উপকারভোগীদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। পরিবারগুলোকে কর্মক্ষম ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে নানা কার্যক্রম চলমান থাকবে। ’



এ পাতার আরও খবর

এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে নতুন সরকারের চিঠি এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে নতুন সরকারের চিঠি
উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে? উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
তিন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সামলাবেন তারেক রহমান তিন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সামলাবেন তারেক রহমান
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

আর্কাইভ

এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে নতুন সরকারের চিঠি
উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি
মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা